somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বিবর্ন সভ্যতা
নিজেকে একা রাখতেই বেশি পছন্দ করি, তারপরও মাঝে মাঝে এক অদৃশ্য অস্তিতকে উপলদ্ধি করি।

রাজনীতি কি আমাদেরকে অন্ধ করে দিচ্ছে?

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা অপরিপক্ক জাতি হিসেবে যেকোন ইস্যুতে আমরা বিনাশর্তে হুট করেই দুইভাগ হয়ে যাই। সেটা হোক রোঙ্গিগা, রাজনীতি, শিক্ষানীতি, পররাষ্ট্রনীতি অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ চেতনার কথা আর নাই বা বললাম।
অনেকেই আছে, যারা তাদের রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের জন্য বসে থাকে কি করবে না করবে সেটা নিয়ে তারা রিতিমত কনফিউজড। কেন ভাই আপনারে কি আল্লাহ মাথায় কোন ঘিলু দেন নাই? আপনার নিজস্ব চিন্তা, চেতনা, বিবেক সব কি ঐ দলের নিকট বন্ধক রেখে দিছেন? যেকোন একটা বিষয়ে দেশের অশিক্ষিত, শিক্ষিত সবাই তাদের দলের দিকে চেয়ে থাকে দল কখন তাদের মতামত বমি করে উগরে দেবে আর সেটা উনারা হাপুস হুপুস করে গিলে খাবে। নিজেকে বিক্রি করে দেয়া এই জাতি দিয়ে দেশ কতটা উন্নত হবে সেটা চোখের সামনেই বুঝা যাচ্ছে।
আজকে দেশের কোন ইস্যুতে যদি রাজনৈতিক দল বলে এটা করা যাবে না, অমনি ঐ দলের কোটি কোটি ফলোয়ার চোখ বন্ধ করে ঐটাতেই একমত। একটা বারও আল্লাহ প্রদত্ত নিজের মগজ, মেধা খাটিয়ৈ স্রোতের বিপরিতে গিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজনটুকুও মনে করে না। যার যার দলের নেতা/নেত্রিরা তাদের মনে প্রভুর আসন নিয়ে বসে আছে, তাই’তো নিজের মা, বাবা এমনকি নবীদের কেউ গালাগাল দিলেও তাদের আতে ঘা লাগে না। উপরন্তু দলীয় নেতা/নেত্রিদের কেউ সমালোচনা করলেই স্বপ্রোনদিত হয়ে হামলা মামলা, জেল জরিমানার জন্য উঠে পরে লাগে। তাই বলে আমি বলছি না কোন নেতা-নেত্রিকে গালাগাল করতে হবে, কিন্তু নাগরিক হিসেবে গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার তো দেশের প্রতিটি নাগরিকেরই আছে। কিন্তু এই চামচামি প্রিয় জনগোষ্ঠি নিজেদের বিরুদ্ধে কোন কিছুই শোনতে নারাজ। সেটা হোক সরকারি আর হোক বিরুধীদল।

আজ পযন্ত কখনো কি এমন হয়েছে যে, সরকারি দল বা বিরুধী দলের কোন নেত্রি কোন একটা মতামত প্রকাশ করেছে অথচ তার দলের লোকেরা এর বিরুধীতা করেছে? এমনটা হয়নি আর এই দেশে নিকট ভবিষ্যৎ এ হবে বলেও মনে হচ্ছে না? অথচ আমরাই আবার “বাক প্রকাশের স্বাধিনতা” নামে একটা টার্ম যুক্ত করেছি সংবিধানে !!
এমন অন্ধ/ বধির জাতিকে দিয়ে আমরা কি না আবার সোনার বাংলা গড়বো ??






সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:১৫
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সব হারিয়েও বেঁচে থাকা: একজন রোকসানা রুমার নিঃসঙ্গ গল্প

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬


জীবন আসলে বড় অদ্ভুত এক গোলকধাঁধা। আমরা ভাবি মেধা, ডিগ্রি আর সাফল্য দিয়ে পুরো জীবনটা সাজিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানুষকে কোথায় এনে দাঁড় করায়, তা কেউ জানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিটারে টাকা ভরতে গিয়ে এ কি হলো আমার সাথে। না পড়লে চরম মিস।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১২

বিদুৎ মিটার, দুই প্রকার। এক হচ্ছে প্রিপেইড আরেকটি পোস্ট পেইড। আমার কাছে পোস্ট পেইড ভালো লাগে। কারন এখানে বিলের কপি দিয়ে যায়। ও বিলের কপি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×