একটা অপরিপক্ক জাতি হিসেবে যেকোন ইস্যুতে আমরা বিনাশর্তে হুট করেই দুইভাগ হয়ে যাই। সেটা হোক রোঙ্গিগা, রাজনীতি, শিক্ষানীতি, পররাষ্ট্রনীতি অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ চেতনার কথা আর নাই বা বললাম।
অনেকেই আছে, যারা তাদের রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের জন্য বসে থাকে কি করবে না করবে সেটা নিয়ে তারা রিতিমত কনফিউজড। কেন ভাই আপনারে কি আল্লাহ মাথায় কোন ঘিলু দেন নাই? আপনার নিজস্ব চিন্তা, চেতনা, বিবেক সব কি ঐ দলের নিকট বন্ধক রেখে দিছেন? যেকোন একটা বিষয়ে দেশের অশিক্ষিত, শিক্ষিত সবাই তাদের দলের দিকে চেয়ে থাকে দল কখন তাদের মতামত বমি করে উগরে দেবে আর সেটা উনারা হাপুস হুপুস করে গিলে খাবে। নিজেকে বিক্রি করে দেয়া এই জাতি দিয়ে দেশ কতটা উন্নত হবে সেটা চোখের সামনেই বুঝা যাচ্ছে।
আজকে দেশের কোন ইস্যুতে যদি রাজনৈতিক দল বলে এটা করা যাবে না, অমনি ঐ দলের কোটি কোটি ফলোয়ার চোখ বন্ধ করে ঐটাতেই একমত। একটা বারও আল্লাহ প্রদত্ত নিজের মগজ, মেধা খাটিয়ৈ স্রোতের বিপরিতে গিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজনটুকুও মনে করে না। যার যার দলের নেতা/নেত্রিরা তাদের মনে প্রভুর আসন নিয়ে বসে আছে, তাই’তো নিজের মা, বাবা এমনকি নবীদের কেউ গালাগাল দিলেও তাদের আতে ঘা লাগে না। উপরন্তু দলীয় নেতা/নেত্রিদের কেউ সমালোচনা করলেই স্বপ্রোনদিত হয়ে হামলা মামলা, জেল জরিমানার জন্য উঠে পরে লাগে। তাই বলে আমি বলছি না কোন নেতা-নেত্রিকে গালাগাল করতে হবে, কিন্তু নাগরিক হিসেবে গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার তো দেশের প্রতিটি নাগরিকেরই আছে। কিন্তু এই চামচামি প্রিয় জনগোষ্ঠি নিজেদের বিরুদ্ধে কোন কিছুই শোনতে নারাজ। সেটা হোক সরকারি আর হোক বিরুধীদল।
আজ পযন্ত কখনো কি এমন হয়েছে যে, সরকারি দল বা বিরুধী দলের কোন নেত্রি কোন একটা মতামত প্রকাশ করেছে অথচ তার দলের লোকেরা এর বিরুধীতা করেছে? এমনটা হয়নি আর এই দেশে নিকট ভবিষ্যৎ এ হবে বলেও মনে হচ্ছে না? অথচ আমরাই আবার “বাক প্রকাশের স্বাধিনতা” নামে একটা টার্ম যুক্ত করেছি সংবিধানে !!
এমন অন্ধ/ বধির জাতিকে দিয়ে আমরা কি না আবার সোনার বাংলা গড়বো ??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



