ফেসবুক কাঁপানো কিছু লেখক দাবী করেছেন- বাংলাদেশের দাপ্তরিক ভাষা হোক ইংরেজি। অবস্থাদৃষ্টৈ মনে হয়- আগামীতে দেশের অভিজাত শ্রেণীর ভাষা হবে ইংরেজি। দেশের দাপ্তরিক ভাষা হবে ইংরেজি এবং দেশের রাষ্ট্রভাষা হবে ইংরেজি।
সেজন্য আয়োজন চলছে। দেশের শহর-বন্দর-গ্রাম যেন ইংরেজিময় হয়, সেজন্য সবকিছুর ইংরেজিকরণ চলছে। দেশের অফিস-আদালতগুলোও ইংরেজিতে চলছে যেন দেশ বা বিদেশের কেউ বুঝতে না পারে যে- এ দেশ এক সময় বাংলা ভাষার দেশ ছিলো। সেজন্য দেশের ৩ ভাগের ১ ভাগ জনসংখ্যাকে বাংলা ভুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে আর তাঁদেরকে ইংরেজিতে পারদর্শী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। সেজন্য দেশের টাকায় একটি ইংরেজি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।
এভাবে একবার দেশের ৩ ভাগের ১ ভাগ অভিজাত জনগোষ্ঠী মাতৃভাষা ভুলে গেলে, তাঁরাই ইংরেজিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আন্দোলন করবে। এখনই একদল অভিজাত শ্রেণী দাবী তুলেছে যে, ইরেজিকে বাংলাদেশের দাপ্তরিক ভাষা করা হোক। ইংরেজি বাংলাদেশের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলে, এই ভাষাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে অভিজাত শ্রেণীর বেগ পেতে হবে না।
তখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা হবে ইংরেজি। অর্থ্যাৎ দেশের টাকায় দেশ হবে বিদেশ। এ দেশের টাকায় এ দেশের মানুষ হবে বিদেশী। তখন এই বিদেশীদের কল্যাণে বাংলাদেশে হবে বিদেশ। খুশী হবে এ দেশের অভিজাত শ্রেণী আর তার প্রতিভূ শক্তি ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




