মোজাদ্দিদ কি?
আবু হোরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত রাসলল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক উম্মতে মুহম্মদীর জন্যে প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে একজন ব্যক্তিকে প্রেরণ করবেন, যিনি দ্বীন (ইসলাম) কে পুনর্জীবন দান করবেন”।
[আবূ দাউদ, কিতাব:৩৭ ‘কিতাব আল-মালাহিম’, হাদীস নম্বর ৪২৭৮; মিশকাত; দাইলামী, মুসতাদ্রাক হাকীম সহ অন্যান্য কিতাব]
# ওলীআল্লাহগণ সম্পর্কে আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন,
“সাবধান! নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ পাকের ওলী তাদের কোন ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।”
[সূরা ইউনূছঃ ৬২]
# ওলীআল্লাহগণের বিরোধিতা প্রসঙ্গে হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ্ তা’আলা বলেন: যে ব্যক্তি আমার অলীর সাথে শত্রুতা করে, আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। আমার বান্দার প্রতি যা ফরয করেছি তা দ্বারাই সে আমার অধিক নৈকট্য লাভ করে। আমার বান্দা নফল কাজের মাধ্যমেও আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে। অবশেষে আমি তাকে ভালবেসে ফেলি। যখন আমি তাকে ভালবাসি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে এবং তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলাফেরা করে। সে আমার কাছে কিছু চাইলে, আমি তাকে তা দেই। সে যদি আমার নিকট আশ্রয় কামনা করে, তাহলে আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি যা করার ইচ্ছা করি, সে ব্যাপারে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগি না কেবল মুমিনের আত্মার ব্যাপার ছাড়া। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার মন্দকে অপছন্দ করি।
[বুখারী: ৬৫০২]
# আলিমগণের কথাও যে ইসলামি শরিয়তের অন্যতম উৎস, তার দলীল
“আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিছ বা উত্তরাধিকারী”
[তিরমিযী, আবূ দাউদ, ইবনে মাযাহ্, আহমদ, মিশকাত]
সুবহানাল্লাহ!!! আলিমগণের মর্যাদাই যেখানে এত বড় সেখানে শতাব্দীর মুজাদ্দিদগণের একটি কথার মূল্য কত বেশী তা একটু চিন্তা করলেই খুব সহজেই বুঝা যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


