somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রিফ্রাক্শন
আমি একজন পরিপূর্ণ মানুষ হতে চাওয়া নকল মানুষ। নিজ ধর্মে বিশ্বাসী ধার্মিক। নিজ কাজে নির্ভরশীল শ্রমিক। দেশকে ভালবাসা এক দেশপ্রেমিক।মানুষে মানুষে সচেতনতা বাড়ুক, দেশ হোক উন্নত, সমৃদ্ধশালী। মানবতা আশ্রয় নিক হৃদয়ে।

সময়ের অপেক্ষা

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ আকাশের ভার্সিটি জীবনের শেষ পরীক্ষা। বলা যায় আর কোন এক্সিডেন্ট না ঘটলে আর কখন পরীক্ষার হলে বসতে হবে না।কিছুদিন পর ফলাফল প্রকাশ হবে, সেই অপেক্ষায় থাকা। তারপর কোনমতে একটা চাকরী যুগিয়ে নিতে পারবে। আবার স্থপতিদের চাকরীর চিন্তা করতে নেই। ভিতরে সৃষ্টিশীলতা থাকলে এমনিতেই কিছু না কিছু উপার্জন করতে পারবে।

প্রতিদিনের মত পরীক্ষা শেষে চা’ খেতে না গিয়ে সকল বন্ধুকে বলল একটু কাজ আছে। এই বলে থেমে গেল বিল্ডিং এর নিচে। অপেক্ষা করছে নীতুর জন্য। কিন্তু এটা সে কাউকে বলতে পারছে না। যদিও বন্ধু সমাজে নীতু-আকাশ নিয়ে চুপি চুপি কথা হয়ে থাকে তবুও এখন পর্যন্ত দুজনে সেভাবে কথা বলে নি।

কেননা, নীতু চলে নিজের মত, ব্যাকগ্রাউন্ডে সৃষ্টিশীলতা থেকে উচ্চ সিজিপিএ আছে। এজন্যও অল্প সিজি ধারী আকাশ কোন দিন কথা বলার সাহস করে নি। তবে আজ সে বলতে চাই। মনের জমে থাকা কথা গুলো বলতে চাই। আর সুযোগ পাবে কিনা তাই আজকের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না।

যে মেয়েটাকে ক্লাসের সেই প্রথম দিন থেকে আড়চোখে দেখে এসেছে, প্রতিদিন বিকেল বেলা যে মেয়ের হোস্টেলের সামনে যেয়ে বসে চা খেত তাকে আজ না বললেই না।

অবশ্য, আকাশ আজকে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। এই পরীক্ষায় না ওর যতটা মন ছিলো তার চেয়ে বেশি মনোযোগ আর চিন্তা ছিলো নীতুর সাথে কথা বলা নিয়ে।

একে তো শীতের বিকেল, গায়ে কিছু নেই আবার নীতুর সাথে কথা বলতে যাবে এ নিয়ে ভেবে কাঁপা কাঁপা পায়ে অপেক্ষা শুরু করল।

একসময় এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে অপেক্ষা করতে ছিলো কিন্তু তখন আসলো না কিন্তু যেই না চোখ একটু অন্যদিকে ঘুরিয়েছে সে সময়ে সামনে দিয়ে চলে গেছে। চলে যাওয়া দেখে চিৎকার দিয়ে ডাকতে না পেরে পিছু নিলো। সাথে আছে নীতুর বান্ধবীরা। আজ যেই থাকুক আজকে বলতেই হবে এই ভেবে আকাশ পিছু নিতে থাকলো।

হঠাত যখন নীতু রিক্সা ডেকে ফেলেছে হোস্টেলে যাওয়ার জন্য তখন আকাশের মনটা খারাপ হয়ে গেলো, তবে আজ কি সে বলতে পারবে না। ভেতরে এক অস্থিরতা চলছে। কিছু না ভেবেই নীতু বলে ডেকে উঠলো আকাশ। নিতু শুনতে পেয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখে আকাশ তাকিয়ে আছে। প্রথমে আর কাউকে না দেখে নীতু ভাবতে ছিলো, আকাশ কি আমায় ডাকালো? এ তো আমার সাথে আজ অব্দি একটা কথাও বলে নি সে আমাকে ডাকছে?

যাইহোক, আকাশ কাছে আসলো।

নীতুঃ কি? কিছু বলবি?

আকাশঃ হ্যাঁ। একটা কথা ছিলো।

নীতুঃ অনেক কথা?

আকাশঃ হ্যাঁ।

নীতুঃ আচ্ছা রিকশায় উঠ।

আকাশ কিছুটা অবাক হয়ে গেল। এতটাও কল্পনা করেনি। সে একটু ইতস্ত করে উঠে পড়ল।

নীতুঃ পরীক্ষা কেমন হলো?

আকাশঃ আমাদের পরীক্ষা কেমন হয় জিজ্ঞেস করতে হয় না।

নীতুঃ আচ্ছা, আর জিজ্ঞেস করব না।

আকাশঃ আর তো পরীক্ষাও নেই।

নীতুঃ আচ্ছা, কি যেন বলবি?

আকাশঃ না মানে একটু জরুরী কথা।

নীতুঃ আরে শোনার জন্যই তো বলছি বল?

আকাশ মাথা নিচুকরে রিক্সাওয়ালা মামার পায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। রিক্সা আগাচ্ছে। আকাশ বলা শুরু করলঃ
মানে, তোর চোখ দুটো না অনেক সুন্দর।

নীতুঃ আচ্ছা। তারপর?

আকাশঃ তুই পড়ালেখাতেও অনেক ভালো।

নীতুঃ আচ্ছা, এর ভেতরে আবার পড়ালেখা কিভাবে এলো?

আকাশঃ না মানে, চোখ দিয়ে পড়ালেখা করতে হয়ত। তাই।

রিক্সা প্রায় হোস্টেলের কাছে এসে গেছে। নিতু থামতে বলল।

আকাশঃ আসলে, তোকে আমার সেই প্রথম থেকেই খুব ভালো লাগে।

নীতুঃ তাহলে এত দেরিতে বলছিস কেন?

আকাশঃ আমি আসলে নিজেকে পরীক্ষা করতেছিলাম যে আমার তোকে কেবল শুধু ভালোই লাগে না আমি তোকে ভালোবাসি।

নীতুঃ তো পরীক্ষার রেজাল্ট কি?

আকাশঃ এখন মনে হয় আমি তোরে অনেক ভালোবাসি।


নীতু রিক্সা থেকে নেমে চলে যাচ্ছিলো। পেছনে ফিরে বলল, আচ্ছা যা ভেবে দেখব। আর রিক্সার ভাড়াটা দিয়ে দিস।

সে মুহূর্তে আর আকাশ কিছু ভাবতে পারছে না। সে ধরেই নিয়েছে নিতুও তাকে ভালোবাসে, অথবা বাসবে। কিন্তু এখন যে প্রেম শুরু না হতেই রিক্সা ভাড়া চেয়ে নিচ্ছে, প্রেম শুরু হলে না জানি কি হবে, এই ভেবে রিক্সা ঘুরিয়ে চলে আসল।



কিছুদিন পর

তখন রাত ১০ টা বাজে। আকাশের নাম্বারে একটা ফোন আসে,

আকাশঃ হ্যালো? কে বলছেন?

নীতুঃ আমি নীতু।

আকাশঃ ও হ্যাঁ বল।

নীতুঃ আচ্ছা শোন, আমার রাত ১১ টাই ট্রেন। আমি বাসায় যাচ্ছি। তুইও আমার সাথে যাচ্ছিস।

আকাশঃ মানে?

নীতুঃ মানে কিছুই না। তাড়াতাড়ি ব্যাগ গুছিয়ে আমার হোস্টেলের সামনে আসবি।

আকাশ কিছু বলার আগেই ফোন কেটে গেল। আকাশ নীতুর কথা অনুযায়ী রেডি হয়ে চলে গেলো হোস্টেলের সামনে। সেখান থেকে স্টেশন।

কিন্তু আকাশের এ দিকে আরেকটি চিন্তা হল, যেখানে নীতুর বাসা সেখানে তো ওর আত্মীয় বা পরিচিত কেউ নেই তাহলে কার বাসায় থাকবে?

ট্রেন ছেড়ে দিলো। আকাশকে কিছু ভাবতে দেখে নীতু জিজ্ঞেশ করল,’’কি ভাবছিস?’’

আকাশঃ ভাবছি, ওখানে আমার থাকার কেউ আছে নাকি?

নীতুঃ না, থাকলে কি করবি?

আকাশঃ তাই ভাবছি।

নীতুঃ তাহলে আসলি কেন?

আকাশঃ তুই না বললি?

নীতুঃ আমি বললেই আসতে হবে?

আকাশঃ তুই বলবি আর আমি আসব না?

নীতুঃ আচ্ছা, আমার কথায় যখন এসেছিস তখন ভাবনার কিছু নেই।


ট্রেন থেকে একটা অটো নিয়ে নিলো নীতু। আকাশ কিছু বুজছে না সে কোথায় যাচ্ছে।

তারপর এক বাড়িতে ঢুকে নীতু চিৎকার দিয়ে বলতে লাগলো, ‘’মা, মা, কোথায়? দেখো কাকে নিয়ে এসেছি? তাড়াতাড়ি এসোগো, তোমাদের জামাই কে নিয়ে এসেছি দেখে যাও।‘’

সেই মুহূর্তে আকাশ যে লজ্জা পেল তা বোধ হয় আজ পর্যন্ত কোন মেয়েও পায়নি।
তারপর সে অনেক হাসাহসি হলো, নীতুর বাবা-মা অনেক ভাইভা নিলো। যেন এতদিনের বোর্ড ভাইভার চেয়েও ভয়ঙ্কর। সারাদিন বেশ ভালো খাওয়া-দাওয়া হলো।

সে রাতের ট্রেনে আকাশ ফিরে এলো ক্যাম্পাসে।

সে রাতে অনেকবার ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়েছে নীতু। রুমে পৌঁছাবার আগ পর্যন্ত অনেকবার ফোন দিয়েছে।

এভাবেই অঘোষিত প্রেম শুরু হয়ে গেল। ফ্রী সময় কে কাজে লাগাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘন্টা কথা চলে।
যে সময়ে আকাশ- নীতুর ভবিষ্যৎ এ কি কাজ করবে তা নিয়ে ভাবার সময়, তখন তারা স্বপ্নে সাজাচ্ছে তাদের সংসার।

আপাতত নিতুর স্বপ্ন, তাদের একটা সুন্দর ডিজাইনের বাড়ি থাকবে। যে ডিজাইন করবে তারা দুজনে মিলে। বাড়ির আশে পাশে মিলিয়ে সব কিছু থাকবে। থাকবে খেলার মাঠ, থাকবে সুইমিং পুল, থাকবে ফুলের বাগান, থাকবে সবুজ ঘাসের চাদর, তারপরে থাকবে দোলনা ইত্যাদি। সব কিছু তারা করবে নিজের হাতে।
এভাবে আরো ভাবনা আগায়, দিন চলে যায়, প্রেম গাড় হয়।



ধুমধাম ভাবে নীতু আর আকাশের বিয়ে হয়। বন্ধু বান্ধব এক নতুন প্রেমের সাক্ষী হয়ে থাকে। বিয়ের আগে অবশ্য আকাশ একটা ভালো চাকরী পেয়েছে, নীতু লেকচারার পদ টা পেয়ে গেছে।

নতুন সংসার বেশ ভালোভাবে চলতে শুরু করল। দিন যায় তাদের ভাবনাগুলো বাস্তবে রুপ নিতে থাকে। যে সব স্বপ্ন দেখেছে তা বাস্তবে নিয়ে আসার জন্য দুজনেই কাজ করতে থাকে।

অনেক দিনের পরিশ্রমের ফলে মন মত ডিজাইন করে ফেলে। ডিজাইনের সাথে সাথে সে অনুযায়ী কাজ করানো শুরু করে।

প্রায় ৭ মাস পর বাড়িতে ওঠার মত হয়ে যায়। এই সাত মাসে বাড়ির আশে পাশে তাদের মনের মত করে সাজিয়েছে।

যেদিন বাড়িতে উঠবে সেদিন সকালে অফিসে ছোট একটা কাজ শেষ করে আসার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় আকাশ। যাওয়ার সময় নীতুকে বলে খুব সুন্দর করে সাজতে। কেননা আজকে সেইদিন যেদিন আকাশ নীতুকে প্রোপোজ করছিলো।

নীতু সেই কথা অনুযায়ী খুব করে সাজে। সেজে অপেক্ষা করতে থাকে আকাশের জন্য। আকাশ আসবে একসাথে যাবে নতুন বাড়িতে। ওরা গেলে মা-বাবা রা যাবে।

কিন্তু দুপুর গড়িয়ে যায়, আকাশ আসে না। হঠাত তার ফোনে ফোন আসে অচেনা নাম্বার থেকে।
ফোনের ওপাশ থেকে একজন বলে উঠল, “আপনি কি আকাশ সাহেবের কেউ হন? উনি একটু আগে এক্সিডেন্ট করেছেন, এখন হাসপাতালে আছেন।‘’

কোনমতে ফোন রেখে নীতু দৌড় দিলো হাসপাতালের দিকে। হাসপাতালে পৌঁছাতে পৌঁছাতে আকাশ চলে গেছে অনেক দূরে। যারা সেখানে যেতে চাই তাদের কাছে সহজ না,অথচ যারা যেতে চাই না তাদের কাছে সময়ে অনেক সহজ হয়ে যায়।

অথচ কত না স্বপ্নের সব কিছু তৈরি ছিলো। কিন্তু হিশাব নিকাশ সব তো সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায়। আজ বেঁচে থাকা, কাল স্বপ্ন দেখা কিংবা ভবিষ্যতের এই করব ঐ করব ভেবে আশায় বুক বেধে কেবল জীবনের দিনগুলোকে পার করা যায়। কিন্তু বর্তমানই সব কিছু। এই তো যতক্ষন বেঁচে আছি......

এরপর হয়ত নীতু অনেক কাঁদবে, প্রতিদিন কাঁদবে, তাদের সাজানো ঘরের প্রতিটা স্মৃতি মনে করে কাঁদবে, তারপর মাঝে মাঝে...।
এভাবেই নীতু ফিরে যাবে আবার ব্যাস্তাতার মাঝে, অথচ যে চলে গেল সে ত গেছেই। তার তো যাওয়ারই কথা ছিলো, সে যাবেই, শুধু সময়ের অপেক্ষা।


মুরাদ দুর্জয়
২৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৯
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: তান্নুদের বাড়ি-১

লিখেছেন অর্ক, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



ফিরতে হলো কিম্ভূতকিমাকার ত্রিভুজাকৃতি ঘরে। পরিযায়ী পাখিদের ঈর্ষা হয়। মানুষের পৃথিবীতে শুধু দূষণ। রুক্ষ পাথুরে সড়ক—পর্বতারোহণ যেমন কষ্টদায়ক। নভেম্বরের শেষেও শীত নেই। যদিও আজ আর শীতের অপেক্ষায় থাকি না। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা কি সত্যি প্রত্যাবর্তন করবেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩




নানা খবর আর প্রচার প্রোপাগান্ডা শুরু হয়েছে পতিত স্বৈরাচার হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে। রাজপথে এর কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব না থাকলেও অনলাইনে আওয়ামী লিগারদের প্রচার প্রোপাগান্ডা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×