somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাাস্তিক্যবাদ ও ইসলাম

০৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পৃথিবীতে আস্তিক-নাস্তিকের পার্থক্য হলো ধর্ম বিশ্বাসে। আস্তিকের ধর্ম আছে। সে ধর্ম পালন করে। ধর্মের বিধি-বিধান নিয়ম-নীতি মতো তার জীবন গঠন করে। অন্যথায় নাস্তিকের কোন ধর্ম বিশ্বাস নেই এবং তার নির্দিষ্ট কোন ধর্মও নেই। সে তার মনের মতো করে জীবন পরিচালনা করে। পৃথিবীতে নাস্তিক ও আস্তিক এ দুই আছে। এনসাইক্লোপিডিয়ার বর্তমান হিসেব অনুসারে বর্তমান পৃথিবীতে ১৩০টিরও বেশি দেশে নাস্তিক রয়েছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ১৪.২ ভাগ মানে ৯৯ কোটি ২৪ লক্ষ লোক নাস্তিক। পৃথিবীতে সব দেশেই কম বেশি নাস্তিক রয়েছে তবে সবচেয়ে বেশি নাস্তিক রয়েছে বুলগেরিয়ায় যা তাদের জনসংখ্যার ৬৪.৫ ভাগ। আমেরিকায় এ সংখ্যা তাদের জনসংখ্যার ২০% ভাগ। জাপানে ৬৪%, রাশিয়ায় ৪৮%, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৬% এবং ইউরোপে মোট জনসংখ্যার ৮৫% নাস্তিক রয়েছে। পৃথিবীতে অনেক ধর্ম থাকলেও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ইসলাম এ চারটি ধর্মই আমাদের কাছে বেশি প্রতিয়মান। তবে এগুলোর বাহিরেও অন্য ধর্ম থাকতে পারে তবে সে গুলো ছাড়া যারা কোন ধর্মেরই অনুসারী নন তারাই হলেন নাস্তিক।

এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ। যেখানে মোট জনসংখ্যার ৮৭% মুসলমান, ৭% হিন্দু, ৪% বৌদ্ধ ও ২% খ্রিষ্টান। তবে আধুনিক সভ্যতার এই সময়ে এসে পশ্চিমা সংস্কৃৃতির আগ্রাসনে বাংলাদেশেও নাস্তিক্যবাদ সৃষ্টি হয়েছে। তবে সে সংখ্যা সামান্যই কিচিৎ। নাস্তিকরা নির্দিষ্ট কোন ধর্মের অনুসারী নন তবে খাতা-কলমে বা সরকারী রেজিস্ট্রি খাতায় ঠিকই ধর্মের নাম ব্যবহার করে থাকেন। সেখানে চারটি ধর্মের বাহিরে নাস্তিক্যবাদ বলে কোন ধর্ম নেই, তাই তারা নাস্তিক হয়েও ধর্মের নাম ব্যবহার করেন যা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
ইসলাম শান্তির ধর্ম। বিশ্ব মানবতার কল্যাণ সাধনের জন্যই ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পৃথিবীতে একমাত্র ধর্ম ইসলামেই সকল ধর্মাবলম্বীদের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। সকল ধর্মের মানুষদের পূর্ণ এবং স্ব-স্ব ধর্ম পালনের এখতিয়ার ইসলামে দেওয়া হয়েছে যেটা অন্য কোন ধর্মে দেওয়া হয় নাই। তার একটা দৃষ্টান্ত হচ্ছে, বাংলাদেশের মত একটা বৃহৎ মুসলিম দেশে হিন্দুরা, বৌদ্ধরা, খ্রিষ্টানরা তাদের পূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, বড় দিন পালন করে থাকে যেখানে মুসলমানরা কখনো বাঁধা দেয়না আর ইসলাম এটাকে সমর্থনও করেনা। কিন্তু ভারতের মতো একটা দেশে যেখানে ২০ কোটিরও বেশি মুসলমান সেখানে কিছু কিছু অঞ্চলে কুরবানীর গরু জবাই নিষিদ্ধ, খ্রিষ্টান দেশগুলোর মুসলমানরা প্রকাশ্যে আজান দিতে পারেনা, মিয়ানমারে বৌদ্ধদের সহিংসতা ও আক্রমনে ঘর বাড়ী ছেড়েছে মুসলিম রোহিঙ্গারা। সর্বত্র আজ ইসলামকে ও বিশ্বের মুসলমানদের অবমাননা ও অপদস্ত করা হচ্ছে। শান্তি ও সাম্যের এক সুমহান পদ নির্দেশনা ইসলাম দিয়েছে। অন্য কোন ধর্মে ঐ ধর্ম ব্যতীত অন্য ধর্মের অধিকার দেওয়া হয় নাই। কিন্তু ইসলাম সেটা প্রতিষ্ঠিত করেছে। সকল ধর্মের অধিকার পূঙ্খানুরূপে প্রতিষ্ঠায় বদ্ধ পরিকর।। কোন বিধর্মীকে জোর করে মুসলমান বানানো যায় না, এটা ইসলামের পরিপন্থী। স্বেচ্ছায় কেউ ইসলাম গ্রহন করলে তবে তার মুসলমানীত্ব আল্লাহর কাছে কবুল হয়। ইসলামে কোন শ্রেণী বিভাজন নেই। ইসলাম এক ও অভীন্ন ধর্ম। মুসলমানরা যখন নামাজে দাঁড়ায় তখন এক কাতারে রাজা, প্রজা, ফকির, বাদশা দাঁড়ায়। সেখানে সবাই এক হয়ে যায়, কারও সাথে কোন ভেদ থাকেনা। কিন্তু অন্যান্য ধর্মে রয়েছে শ্রেণী বিভাজনের ধারা। মুসলমানরা আজ এক কাতারে দাঁড়াতে পারছে না। মতাদর্শ, আর মতপার্থক্যের গন্ডি চিড়ে বাহিরে বেরুতে পারছেনা। শত শত দলে বিভাজিত আজ মুসলিম সমাজ। মাওলানার বিরুদ্ধে মাওলানা, মুফতীর বিরুদ্ধে মুফতী, সবাই আজ মুখোমুখি অবস্থানে। তাই আমি আমার কবিতা লিখেছি,
‘দশ যেখানে খোদা সেখানে
আয় দশে মিলে হই এক
ভেদাভেদ ভুলে নিত্য সকলে
মুছে দেই অন্ধকারের বেগ।’

আজ মুসলমানদের বদনসিব যে তারা এক হতে পারছেনা। যার কারণে বাংলাদেশের মতো একটা দেশে যেখানে ৮৭% এরও বেশি মুসলমান থাকা সত্বেও নাস্তিক্যবাদ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠেছে। তবে নাস্তিক্যবাদ মানেই খারাপ কিছু নয় সেটা যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। পৃথিবীর সব দেশেই কম বেশি নাস্তিক রয়েছে। কিন্তু সেই নাস্তিকরা যখন অন্য ধর্মের আবেগের উপর আক্রমন করে তখনই সেটা ঘোলাটে পরিস্থিতির জন্ম দেয়। সা¤প্রতিক বিভিন্ন ব্লগে আল্লাহ ও রাসূল (সঃ) কে নিয়ে যে ধরণের অরুচিপূর্ণ বিকৃত কথাবার্তা লেখা হয়েছে তার দরুন বাংলাদেশ বিভক্ত হয়েছে নাস্তিক্যবাদ ও আস্তিক্যবাদে। কোন মানুষ এই ধরনের কথা লিখতে পারে না যদি তার মধ্যে সামান্যতম মনুষত্ব্যবোধ থাকে।
আজকাল আমাদের দেশে একটা শ্লোক ওঠেছে, অনেকেই বলেন এটা নাকি মুক্তচিন্তা। হ্যাঁ, আমি মানলাম তাদের কথা। চিন্তার স্বাধীনতা সবার আছে, বাক স্বাধীনতাও সবার আছে, কিন্তু বাক স্বাধীনতার নামে অন্যের ধর্মের অবমাননা করাটাই কী মুক্তচিন্তা? নাস্তিক্যবাদই যেনো আজকের সমাজের আধুনিকতা। যারা ধর্মের অনুশাসন গ্রহণ করেন না, ধর্মকে যারা পায়ে ঠেলে যান তারাই আজকাল মুক্তচিন্তার প্রগতিশীল মানুষ। টিভি ক্যামেরা মুভ করা হয় তাদের দিকে, পত্রিকায় বড় বড় অক্ষরে ছাপা হয় তাদের লেখা, সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকারের হিড়িক পড়ে যায়। ৮৭% মুসলমানের প্রাণের ধর্ম ইসলামকে নিয়ে, আল্লাহ ও হযরত মুহাম্মদ (সঃ) নিয়ে ব্লগে কুরুচিপূর্ণ কথা লেখা হলো, আর তখনই সেটা হলো মুক্তচিন্তা আর বাক্ স্বাধীনতা কিন্তু ইসলাম যখন কোন অনুশাসনের কথা বলে তখন এই সব প্রগতিশীল মানুষদের কাছে সেটাই হযে যায় মৌলবাদ আর সা¤প্রদায়িকতা।
মৌলবাদ এবং সা¤প্রদায়িকতা এ দুটো শব্দের নির্দিষ্ট কিছু অর্থ ও ব্যাখ্যা রয়েছে। মৌলবাদ শব্দের ইতিহাস অনেক পুরনো। যখন খ্রিষ্টানরা বিশ্বাস করতো যিশু আল্লাহর পুত্র এবং যিশুকে হত্যা ও শূলিবিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে তারা তাদের সকল প্রকার পাপ থেকে রক্ষা পাবে। তাই খ্রিষ্টানদের মধ্য থেকে একজন যিশুর ঘরে প্রবেশ করলো তাকে ধরে আনার জন্য। তাৎক্ষনাই আল্লাহ যিশুকে আকাশে তুলে নিলেন এবং যে তার ঘরে প্রবেশ করলো তাকে যিশুর আকৃতি দিয়ে দিলেন (হিব্রু ভাষায় যিশু আর আরবী ভাষায় ঈশা) এবং খৃষ্টানরা তাদের নেতাকে যিশু মনে করে হত্যা করলো। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় সে সম্পর্কিত আয়াতও আল্লাহ নাজিল করেছেন। পরবর্তীতে খ্রিষ্টানদের মধ্যে দ্বন্দের সূত্রপাত হলো। একদল বললো, যদি যিশুকে হত্যা করে থাকি তাহলে আমাদের নেতা গেল কোথায় আর যদি নেতাকে হত্যা করে থাকি তাহলে যিশু গেলো কোথায়। তারা নিজেরা নিজেদের মধ্যে গোলক ধাঁধাঁয় নিপতিত হলো। পরবর্তীতে ইউরোপে আধুনিক বিজ্ঞানের সূত্রপাত লগ্নে খ্রিষ্টান ধর্মের মৌলিক বিশ্বাস গুলোকে চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করা হলো। ইউরোপের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মরিস বুকাইলির লেখা ‘দি বইবেল এন্ড দি সাইন্স্ এন্ড দি কুরআন গ্রন্থে তিনি উল্লেখ করছেন আধুনিক বিজ্ঞানের চুলছেঁড়া বিশ্লেষণে খ্রিষ্টানদের ধর্ম বিশ্বাসকে মনগড়া ও কল্প কাহিনী হিসাবে আখ্যা দেওয়া হলো। তখন যারা বিজ্ঞানের বিশ্লেষণকে বুঝেছে ও মেনে নিয়েছে তারা খ্রিষ্ট ধর্মকে বাদ দিয়ে নাস্তিক্যবাদ গ্রহণ করলো। আর ঐ বিশ্লেষণ যাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি তারা তাদের কাল্পনিক খ্রিষ্ট ধর্মকে আঁকড়ে ধরলো। তখন ঐ নাস্তিক্যবাদীরা যারা ভ্রান্ত খ্রিষ্ট ধর্মের বিশ্বাসে অটল ছিলো তাদেরকে আখ্যা দিলো ফান্ডামেণ্টালিষ্ট যার অর্থ মৌলবাদ। মৌলবাদ শব্দের আভিধানিক অর্থ যারা মৌল বা মূলকে আকঁড়ে থাকে বা মৌলিক কোন বিষয় বস্তুর বিশ্বাসে অটল তাকে এমন। এই হলো মৌলবাদ শব্দের বুৎপত্তি ও উৎপত্তিগত ইতিহাস।
আজকে আমাদের সমাজেও বহুলোক কথায় কথায় মৌলবাদী শব্দের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করে থাকেন। তবে তারা যে অর্থে এটা ব্যবহার করেন সেই অর্থের সাথে এর উৎপত্তিগত অর্থের কোন মিল নেই। ধর্মের নামে যারা অন্ধ, ধর্মকে যারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেন তাদেরকে বলা হয় মৌলবাদী। খ্রিষ্টানীয় সেই শব্দগুলোকে আজকে ছোড়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলমানদের দিকে। ইসলামী শিক্ষায় যারা শিক্ষিত হয় তাদেরকে এ সমাজের নাস্তিকরা আখ্যা দেয় মৌলবাদী হিসাবে। এটা খুবই বোধদয়ের একটা বিষয়। খ্রিষ্টানীয় সেই ভ্রান্ত ধর্ম বিশ্বাসকে আজকে এক করে দেখা হচ্ছে ইসলামের সত্য ধর্মের সাথে যার যোগসূত্র শব্দই হলো মৌলবাদ। তাহলে এটা নিমিষেই বুঝা যায় যেই সব নাস্তিকরা এই ধরনের শব্দ প্রায়শই বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করে থাকেন তার হলো খ্রিষ্টানদের লেজচাটা দালাল।
সা¤প্রদায়িকতা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো, সাম্প্রদায়ের স্বার্থের প্রতি বেশি মনোযোগী। যার ইংরেজি অর্থ কমিউনাল, আমি সাম্প্রদায়িক কথাটার সাথে খুব একটা অভ্যস্ত নই তবে যেখানে যে ধর্মের সংখ্যা গরিষ্ঠতা আছে সেখানে তাদের স্বার্থের কথা সরকারকে ভাবতে হয় বেশি কিন্তু আজকে যে অর্থে সাম্প্রদায়িকতা ব্যবহার করা হয় তা পরোক্ষভাবে ধর্মকে বাঁকা চোখে দেখার নামান্তর।
যেখানে ইসলাম সকল ধর্মের পূর্ণ অধিকার দিয়েছে সেখানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে স্বীকৃতি দিলে এবং সংবিধানে আল্লাহর উপর পূর্ণআস্থা ও বিশ্বাস কথাটি স্থাপন করলে অন্য ধর্মাবলম্বীরা কিভাবে অধিকার বঞ্চিত হয় তা আমার বোধগম্য নয়। অথচ যারা এ ধরনের গাঁজাখোরী কথা বলেন তাদের জ্ঞানের গভীরতা ও বুদ্ধিমত্তা দেখে আমি না হেসে পারিনা। ইসলাম সকল ধর্মের অধিকার নিশ্চিত করেছে যা অন্য ধর্মের মধ্যে নেই। ৮৭% মুসলমানের এদেশে হিন্দুরা, বৌদ্ধরা এবং খ্রিষ্টানরা তাদের স্ব-স্ব ধর্মের অনুশাসন পালন করে থাকেন এবং ইসলাম ও আল কোরআন তাদের ধর্ম পালনের স্বীকৃতি দিয়েছে। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এক হাদিসে বর্ণনা করেন, “মুসলমানরা যেমন করে নিজেদের জান মাল রক্ষা করে তেমনি ভাবে অন্য ধর্মালম্বীদের জান মাল রক্ষা করাও তাদের দায়িত্ব। ”
শুধু ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে নয় শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনের ক্ষেত্রেও ইসলাম সকল ধর্মকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে। আজকে অসাম্প্রদায়িকতা নিয়ে হিন্দুরা কথা বলেন, বৌদ্ধরা কথা বলেন, খ্রিষ্টানরা কথা বলে না, কথা বলে শুধু এদেশের রাতারাতি বুদ্ধিজীবীর সার্টিফিকেট পাওয়া কিছু নাস্তিক কুলাঙ্গার। ইসলামের কথা শুনলে তাদের গায়ে জ্বালাদেয়। অথচ আমরা যখন দেখি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের রাষ্ট্র ধর্ম হিন্দু, তখন কী এই প্রশ্ন জাগে না যে একটা রাষ্ট্রের কি নির্দিষ্ট কোন ধর্ম থাকতে পারে? বারাক ওবামা দ্বিতীয় বারের মত প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর বাইবেল হাতে নিয়ে শপথ গ্রহণ করেছিলেন, কই সেটাকে তো কেউ সাপ্রদায়িকতা বলেনা তাহলে ইসলাম নিয়ে এদেশের নাস্তিকদের এতো চুলকানি কেনো?
সময় এখনই, মোকাবেলা করতে হবে সকল অপশক্তির। সব মুসলমানদের আসতে হবে এক প্লাটফ্রমে। ভীনদেশীয় অপশক্তির বিষে নাস্তিক্যবাদ মাতাল হয়ে ওঠেছে, এদেশের সাধারণ মুসলমানদের বাঁচাতে এবং ইসলামের আলোকে প্রজ্জলিত রাখতে রুখতে হবে নাস্তিকদের। ভেঙ্গে দিতে হবে তাদের সকল ভ্রান্ত মতবাদ।
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এ আগুন আপনাদেরও একদিন গ্রাস করবে।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১৩


আজ যারা ধর্ম, জাতীয়তা ইত্যাদির ভিত্তিতে ও তাঁর কথিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা”, “মুসলিম বিদ্বেষী” সহ নানা মিথ্যা অভিযোগ আর অজুহাতে রবীন্দ্রনাথ বিদ্বেষের ব্যাপারে চূড়ান্ত বাড়াবাড়ি ও ইতরামি দেখিয়ে বেড়াচ্ছে তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩১

আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা প্রেমিকদের কলমে সময়ের বিবেক : বিশ্ব কবি রবিন্দ্র নাথ ঠাকুরের গ্রাফিতেতে কালী লেপন প্রসঙ্গ

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৩৪


যে কবির গানে ভোরের আকাশ জেগে ওঠে প্রতিদিন
যাঁর সুরে আজও অশ্রু ঝরে হাসে হৃদয় রঙিন
সেই রবীন্দ্রনাথের ছবির বুকে কালি মাখায় যারা
তারা কি জানে তাঁরই গানে বাঙালির প্রাণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঠার মুসলিম বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৮



রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর সংক্ষেপে রঠা এর ছোট গল্প "রীতিমত নভেল" এ রঠা মুসলমান শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘যবন’। যবন অর্থ অসভ্য, ম্লেচ্ছ, অপবিত্র, বর্বর জাতি, যেকোনো বিদেশি ইত্যাদি ইত্যাদি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×