এখানে আমি একেবারেই আগুন্তুক ;
সহজ করে বললে অতিথি বলা যেতে পারে ।
এইযে শারি করে রাখা সুগন্ধির স্তূপ ;
এতে কিন্তু কোন অধিকার নেই আমার ।
আমি এখানে নিতান্তই একজন আগন্তুক,
অনেকটা অযাচিতও বলা যেতে পারে ।
থরে থরে সাজানো বুক সেলফের কোন কোনাতেই রোদ্দুরের গল্প হয়তো উঁকি মারছে না,
তবু আমি জানি –রোদ তোমার মস্তিষ্কের ভেতরেই বাস করে অবিরত ।
এখানে নারীর কোন জায়গা নেই , এখানে নীলা শুধুই কবি।
সবুজ চায়ের ধোঁয়া ছড়ানো কাপের মাঝে মিশে আছে তোমার আতিথেয়তা,
নিজের বাগানের পাঁকা ফল খাইয়ে মুগ্ধ করো কবিকে ।
তুমি কবিকে দিতে চাও তার যথাযোগ্য সন্মান,আর কবি হতে চায় কেবলি নারী।
যা কিছু বলবার ছিল –সবটা বলেছি ,বার বার বলেছি।
যা কিছু দেবার ছিল দিতে চেয়েছি, পূনর্বার ফিরে এসেছি।
তোমার চাওয়া আর আমার চাওয়ার মধ্যে যোজন যোজন দূরত্ব ;
একটা জায়গায় কেবল সুর মিলে যায় –যা তুমি ভাবো তা আমি ভাবি।
আর এই অল্প একটু মিলনমালা আমাকে পুনরায় আগ্রহী করে তোলে ;
না না ,ভয় নেই ।আর কোন আক্রমনের পথ বেছে নেবেনা নীলা।
এবার কেবল অপেক্ষা , প্রতীক্ষাও বলতে পারো ;
কারন জীবনের কোন সম্পর্কের কোন সঠিক পরিসমাপ্তি টানতে পারিনি।
তাই বুন্ধুত্বটা থাক,আর নীলা না হয় কবিত্ব নিয়ে তোমার অর্ঘ্য পায়ে ঢালুক ;
ক্ষতি কি ? এক জীবনে সব চাওয়াইযে পূরণ হবে এমনতো কোন মানে নেই।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






