আমার চোখ রাঙ্গিয়ে প্রতিবাদের আগুন ঝরে না,
প্রোফাইল পিক গলে গলে নেমে আসে না নাব্যতা,
আমার কীবোর্ড কখনই অস্থির পায়চারি করে না জেগে ওঠার গান গেয়ে।
তবে কি কোন এক শীতল এঁটেল মাটিতে আমার জন্ম,
যে ধরিত্রীতে পড়ে আছি নিংড়ে সেখানেই থাকতে চাইছি এক চেটিয়া।
ঘন্টার পর ঘন্টা ময়লার স্তূপে আটকে থেকেও কেন যে দু'চোখ বেয়ে কেবল রাজ্যের ঘুম আসে;
হাঁটতে গিয়ে জলাবদ্ধতা জড়িয়ে ধরে শাড়ির পা্র,কখনোবা চলন্ত লেগুনায় কাপড় আটকে যায়।
আর বিশ্ব ভ্রমান্ডের শত শত লাশেদের মিছিল-তাওতো বিচলিত করেনা আমায়।
তবে কি আর আমি মানুষ নেই?
আমার চোখে জল পড়ে না -পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ দেখেও।
উম্মাতাল কনসার্ট নিমিসে মাটিতে বিলীন।
কিছুই কি তবে আজ আমাকে আর স্পর্শ করে না?
আমি সমস্ত স্পর্শকাতরতার উর্ধ্বে উঠে গেছি,
আমাকে কেবল বেঁচেই থাকতে হয়,জীবনের প্রতি চাইবার এমন কোন মহামূল্যবান বস্তু আর অবশিষ্ঠ নেই।
মাঘের ঘন কুয়াশায় ঠান্ডা রস আর কোন দিন আমাদের কপালে জুটবে না,
হেমন্তের খোলা মাঠে নুপূর পড়া পায়ে আর বাজবে না রুমঝুম ধ্বনি,
এই ভাইবার আর স্কাইপিতেই আমাদেন ষষ্ঠ ঋতূর নিত্য আসা যাওয়া,
কৃত্তিম ফরিঙ্গের অবাধ বিচরণ ।
তারপরো একটা বার ভীষন ইচ্ছে করে -প্রজাপতি হয়ে শিমুল তুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে উড়ে যাই সেই ছোট্ট বেলার পদ্মা পাড়ে যেখানে আমার শৈশব আজো অপেক্ষা করে আছে।।
-----------------------------------------
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




