সুখানুভূতির জন্য মানুষ স্বভাবগতভাবে যা চায়,তা পেয়ে থাকে ৷ আবার কেউ কেউ ভাগ্যের দুর্দশায় না পেয়েও থাকে অনেক কিছু ৷ একটা জিনিস এইখানে লক্ষণীয় জগত সংসারের বর্তমানে বেশিরভাগ লোকই যে যত পায় সে আরো তত বেশি চায় ৷ যা প্রতিদিনকার মানুষের চরিত্র দেখলেই ফলাফল পাওয়া সম্ভব ৷
এক পর্যায় এই আরো পাওয়ার জন্য মানুষ জঘন্যতম হয়ে যেতে থাকে,এমনকি পরিবারের আপন মানুষগুলো এবং সাহায্যকারী বন্ধুরাও তার কাছে মনমূল্যহীন হয়ে পড়ে,সবকিছুকেই সে পরিমাপ দ্ধারা ছোটবড় হিসেব করে মাপতে চায়, এমন কি ভালোবাসাও ৷
কিন্তু একবারো কি সে ভেবে দেখেছিলো তার মৃত্যু একদিন হবেই,জানাযা নামাজ পড়ানো হবে,এবং কবরে দাফন করা হবে ৷ সেই জানাযা নামাজে ঠিক কারা শরীক হতে আসবে ? কারাই বা কবরে দাফন করতে আসবে তাকে ?
নাকি, টাকা দিয়ে কিনে আনতে চাইবে সে? যা কোনোদিনও মৃত্যুর পর সম্ভব নয় ৷ অথচ সে যতদিন বেঁচে ছিলো ঠিক ততদিনই কিন্তু তার কিছু ভালো প্রাপ্তির জন্য তার আশেপাশে অনেক দুধের মাছি উড়ত,আর বিনিময় কেনা সম্মান দিয়ে দিয়ে যেত ৷ কিন্তু মৃত্যুর পর তারা তাকে নয় বরং তার টাকাকেই, তার প্রপ্তিকেই সম্মান দিবে.. আর যদি সে টাকা ও কিছু অহমিকা বাড়ানো প্রাপ্তির কাছে হার না মেনে পরিবারের লোক আর বন্ধুদের মূল্য দিত তাহলে মৃত্যুর পরও সে একটু হলেও আত্মার কাছে সুখের নিস্তেজ পেত ৷ এখানে টাকা একটা উদাহরণ স্বরূপ টানলাম ।
বেক্তিগত কিছু ঘটনা নিয়ে মন বিক্ষিপ্ত, হতাশা গ্রস্থ অস্থিরতায় আছি । দুঃখ বোধ থেকে অবচেতন মনে কথা গুলা বের হয়ে আসছে আমার কলম কালি দিয়ে ।
মানব মনের একটা সত্যিকার অনুভুতির বিষয় হল, "তোমার চোখ বুজে করা প্রতিটা প্রার্থনায় প্রতি ফোঁটা চোখের জল গড়িয়ে পড়ার সময় যখন একটা মানুষের নাম অবচেতন মনেই চলে আসবে, তখনই বুঝবা তুমি সত্যিকারভাবে তাকেই ভালোবাসো ... হুম তাকেই !!"
কোন কিছু মন থেকে চাইলে সেটার জন্য সততা তোমাকে একদিন তার কাছে নিয়ে যাবে, সেটা বস্তুগত সম্পদ হোক আর ভালোবাসা মানুষের কাছে হোক। আর হ্যাঁ তুমি যদি সত্যিকারের সৎ হয়ে থাক, আজকের তোমার চোখের পানি, তোমার অনুপস্থিতি, একদিন সে তোমাকে ভয়ানক মিস করবে ।
নিজের মূল্য বাড়াতে হবে । কারন প্রত্যেক মানুষই অসীম সম্ভাবনাময় একেকটি প্রতিষ্ঠান । অর্থ নয়, নিজের অর্জিত তুচ্ছ প্রাপ্তি নয়, একজন মানুষ নিজেই তার নিজের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




