somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অস্থির সব নিকজজ!!!

২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আজকের ফেছবুক,টুইটার কিংবা ব্লগে নিক নেইম কি হইবো এইগুলা নিয়া যখন এত মাতামাতি তখন আমার স্কুল কলেজের স্যার ম্যাডামদের নিক গুলার কথা মনে পরে।স্কুল কলজে যেইসব বদ পুলাপাইন স্যার ম্যাডামদের বিভিন্ন বিষেষনে বিশেষায়িত করতো ঐ ক্যাটাগরিতে মনে হয় আমিও ছিলাম। ।অলৌকিক ভাবেই ক্যামনে জানি আমার দেয়া নামগুলি জনপ্রিয় হইয়া যাইতো।পাড়ায় কিংবা স্কুলে কতজনরে কতরকমের কেতাবি না দিছিলাম তার কুনু ল্যাখাজোখা নাই।বিশেষ কইরা মাস্টার মশাইদের বিভিন্ন বিশেষনে বিশেষায়িত কইরা আলোচনার শীর্ষে থাকতাম।অইরকম কিছু কাহিনি মনে পরতাছে এখন।
বৈরাগি:আসল নাম নুরুজ্জামান।বাংলা স্যার।টাইনা টাইনা কথা কইতো।কথাগুলা ছিল এইরকম-এইইইই তুম্রা শুনছোওওওওও।সিদ্দিক বয়াতির মত লম্বা লম্বা চুল আছিল তার।একদিন টিফিন প্রিয়ডের পরে ভর দুপুরে ক্লাসে ঢুইকাইকথা নাই বার্তা নাই বেদম পিডানি শুরু করছে আমারে।অপরাধ গত ক্লাসে হ্যায় যাওনের পর তার কথার স্টাইল লইয়া পুলাপানের সামনে মজা লইছিলাম। মাইর খাওনের পরই তার নাম দিয়া দিলাম বৈরাগি।ব্যাস প্রথমে বন্ধু মহল পরে ক্লাস তারপ্রে পুরা স্কুলে তিনি নুরুজ্জামান স্যারের পরিবর্তে বৈরাগি স্যার। :D
বাইতান:ইন্দুরের ছোট সংস্করনের নাম বাইতান কয় আমার এলাকায়।এইডার স্বভাব হইলো খালি এইদিক ঐদিক এইডা ওইডা খুজাখুজি করে।যাহোক,ভাল নাম সুব্রত কুমার।স্কুলে নতুন আইছে।বেজাত পুলাপান প্রথম প্রথম বেসি পার্ট দিতনা স্যাররে। ফলস্বরুপ পুলাপানরে কন্ট্রোলে নিতে ইট্টু বেশি হুমকি ধামকি মারতো আর পুলাপানের ত্রুটি খুজতো বেসি মানে ক্যারা কই খারাইয়া বিড়ি খাইলো,কোন পুলায় কুন মাইয়ার লগে কথা কইতো এইগুলা আরকি।স্কুলের শ্যেষ প্রান্তে ক্যান্টিনের সামনের দেয়ালেকে বা কাহারা ই+এস আরো বিভিন্ন ছন্দ ল্যাখছে আর সেই দোশ পরছে আমার ঘারে।ক্লাসে ঢুইকাই কট দিল আমারে অতঃপর নিলডাওনে থাকলাম পুরা ক্লাসটাইম।ঐ ঘটনার পরে তার নাম কোন একটা কারনে বাইতান স্যার কইছিলাম।তারপর যা হওয়ার তাই হইলো,এক কান দুই কান করতে করতে পুরা ক্লাসেই তিনি আমাদের বাইতান স্যার! :D
ফাপর কিং:ক্লাসে ঢুইকা কোন না কুনুভাবে তার অনট্র‍্যাকে ফিরতেনই তা যেকোনভাবেই হোক।তার অমুক ছাত্র ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট,অমুক ছাত্র ডাক্তার,অমুক ছাত্র মস্ত ব্যাবসায়ি।এবং অইসব ছাত্রের সাথে হঠাৎ অমুক তমুক যায়গায় দেখা হয়ে গেছিল।বাসায় নিয়ে কি কি খাওয়াইছিল তার লম্বা ফিরিস্তি।শ্যাষ্ম্যাস এমন হইলো যে তার সব কাহিনিই আমাদের মুখস্ত হয়েগেছিল।পরে শুনেছিলাম তার সব ব্যাচের সব স্টুডেন্টরাই তার অইসব কাহিনি জানে।যাইহোক ক্যামনে ক্যামনে জানি তার নাম স্কুলে ফাপর কিং হয়েগেছিল। :-B
ডোন্ট ট্যাক ইট আদার ওয়ে:স্যার হিসেবে ম্যাথ স্যার ছিল অসম্ভব ভাল।তয় ইংলিশ উচ্চারনে এট্টু ঝামেলা আছিলো।অনেকটা আজকের অনন্ত জইল্লার মত।স্যার তার বিভিন্ন কথার ফাকে ফাকে মোডা গলায় বলতো "ডোন্ট ট্যাক ইট আদার ওয়ে"।আর পুলাপানো চামে তার নাম দিয়া দিল ডোন্ট ট্যাক ইট আদার ওয়ে। :D
ডন:শহরে একাউন্টিং এ যে কয়ডা মাস্টারপিছ আছিল তার মইধ্যে বোধ করি অনুপ স্যার সেরা। ফিটনেস গ্রায়েম স্মিথ আর টাক পিটবুলের মত।আমাগো যে বন্ধুরা ওনার কাছে প্রাইভেট পড়তো অরাই আদর কইরা প্রথমে স্যাররে 'ডন 'কইতো পরবর্তিতে আমরাও কইতাম। ;)
মালেকা হামিরা:মহিলার যন্ত্রনায় পুলাপাইন অতিস্ট থাকতো।যত ভাল কইরাই উত্তর দিক ভুল সে ধরবেই,সাথে অপমান ফ্রি।আর অপমান কি যেনতেন,গুস্টি উদ্ধার কইরা দ্যায়। :(
বিজ্ঞানি:আকতার মিয়া ওরফে বিজ্ঞানি।কলেজের ক্যারানি আছিল।নতুনরা ভর্তি হইতে গিয়া মাঝে সাঝে স্যার সম্বোধন করতো।তয় পার্ট নেয়ার বেলায় স্যারদের চেয়ে উনি আরো একধাপ আগাইয়া ছিল :D ।চামে চিকুনে পুলাপাইনরে খালি জ্ঞান দিতো।তুহিন স্যার মজা করে তারে বিজ্ঞানি ডাকতো।অতঃপর পুলাপাইনো ডাকতো বিজ্ঞানি মামা। :D

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে এর কোনো বিকল্প নেই।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৩৫

সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে এর কোনো বিকল্প নেই।
যারা ভাবছেন ঘরে বসে থাকলেই সবকিছু আপনাআপনি হয়ে যাবে, তারা ভুল ভাবছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।... ...বাকিটুকু পড়ুন

Out of the frying pan into the fire- কড়াই থেকে অগ্নিকুণ্ডে!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:৫২



Out of the frying pan into the fire- কড়াই থেকে অগ্নিকুণ্ডে!

ইংরেজি প্রবাদ “Out of the frying pan into the fire”- অর্থাৎ এক বিপদ থেকে বাঁচতে গিয়ে আরও বড় বিপদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিঠির সঙ্গে আমার এক অন্যরকম সম্পর্ক

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:৫৩



চিঠির সঙ্গে আমার এক অন্যরকম সম্পর্ক

উনি আমাদের ভবেরচর পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার। অত্যন্ত ভালো মনের একজন মানুষ। তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয়টা শুধু পোস্ট অফিসের প্রয়োজনের কারণে নয়; বরং দীর্ঘদিনের এক আন্তরিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীরব আত্মপক্ষ।

লিখেছেন রাজা সরকার, ২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০

নীরব আত্মপক্ষ।

স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র আন্দোলনের মাসুল বাঙালি হিন্দুকে গুণে গুণে দিতে হয়েছিল ব্রিটিশকে । বাকিটা মুসলিম লীগ ও নেহেরুইয়ান কংগ্রেস মিলে যা করার করে গেছে। এবং পরবর্তীকাল থেকে মুসলিম... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই সমাজ- ৭২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৩



দেশের সরকার অযোগ্য অদক্ষ হলে, জনগনের শান্তি থাকে না।
দেশের জনগন সারাদিন কাম কাজ করে। অফিসে নানান রকম যন্ত্রনা পোহায়। নানান জক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। অফিসে থাকে না... ...বাকিটুকু পড়ুন

×