somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিক সংকট উত্তোরনের আলোচিত ফমূলা

৩০ শে মার্চ, ২০১৫ দুপুর ২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিক সংকট উত্তোরনের আলোচিত ফমূলা হয়তো হতে পারে,আমার উত্থাপিত এই ফমূলা। পাঠক আপনারাও আওয়াজ দিবেন,যদি আমার এই ফমূলা বিন্দু মাত্র যোক্তিক হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র সংকট হল :
একটি দল চাইছে নির্বাচন না করে,জোর করে জনগনের ম্যন্ডেট ছাড়া ক্ষমতায় থাকতে। আর অন্যদিকে একটি দল চাইছে তত্বাবধায়ক ছাড়া আমরা ইলেকশনে যাব না। তারা বলছে আমরা এই সরকারকে বিশ্বাস করি না।
বর্তমানে যে সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অসীন তাদের যুক্তি হল তত্বাবধায়ক সরকার অসাংবিধানিক,এটা কোর্ট কর্তৃক বাতিলকৃত তাই পুনরায় এটা আনয়ন করা সম্ভব নয়।
সরকারের যুক্তিটার ফলাফল তাহলে কি দাঁড়াল? দাঁড়াল এই যে,আমরা অবশ্যই জনগনের ভোটে ক্ষমতায় যেতে চাই। তবে তত্বাবধায়ক নামক সরকার কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে নয়। আমরা যেহেতু পূর্বের নির্বাচিত তাই আমাদের অধীনেই ইলেকশন হবে।
বিএনপি জোট এটা মানল না এবং ইলেকশনেও গেল না।
তারপর ইতিহাস সবার জানা।
এবার আসুন সংকট উত্তোরনের ফমূলার কথায়-
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই বিএনপি ইলেকশনে যাবে । এটা হলে তো সরকারের কোন সমস্যা নাই। এই পর্যায়ে বিএনপিকে কৌশলগত কারনে ছাড় দিতে হবে। সেই ছাড় হল এই সরকারের অধীনে ইলেকশনে অংশগ্রহন করা।
বিএনপি এবার ডিমান্ড দিবে বা দাবী দিবে আমি (বিএনপি) অবশ্যই তোমার (আওয়ামী লীগ) অধীনে ইলেকশনে যাব তবে তুমি (সরকার) পরিস্কার করে বল নির্বাচন কালীন সময় তোমারা (সরকার) কি কি ক্ষমতা প্রেকটিচ/প্রয়োগ করবে।
এবং এটা সরকারকে অবশ্যই কাগজে কলমে বলতে হবে। সরকার যে যে ক্ষমতা গুলো ত্যাগ করবে বিএনপির দাবী অনুযায়ী, সেই সেই ক্ষমতা গুলো দেওয়া হবে নির্বাচন কমিশনারের কাছে বা অন্যন্য স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানের কাছে।
নির্বাচনকালীন সরকারে শেখ হাসিনা থাকতে পারে। তবে পাঁচজন উপদ্ষ্টো বিএনপি পক্ষ থেকে নেওয়া হবে এবং বাদী পাচজন উপদেষ্টা আওয়ামী লীগ থেকে নেওয়া হবে। শেখ হাসিনার হাতে নির্বাচন কালীন সময়ে কি কি ক্ষমতা থাকবে তা অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে।
আর এই ফমূলা প্রয়োগের প্রস্ত্বাব দিয়েই বিএনপি তার বল সরকারের কোর্টে ছেড়ে দিতে পারে। আর নির্বচনকালীন সময়ে শেখ হাসিনাকে দেওয়া ক্ষমতা (নির্ধারিত) গুলো মনিটর করার দায়িত্বে জাতিসংঘের দুইজন প্রতিনিধি নিয়োগ দিতে হবে।
সরকার কোন যুক্তিই পাবে না বিএনপি এই প্রস্তাবকে বাদ দেওয়ার। সরকার যদি এই প্রস্তবে রাজী না হয় তাহলে জনগনের কাছে ১০০% ধরা খাবে। জনগন তখন বলতে শুরু করবে আপনারা কেন সব ক্ষমতা নিজের কাছে রেখে ইরললকশন করতে চান, ভোট চুরি করার জন্যই ? জনগন বলাবলি করবে ,নির্বাচনকালীন সময় আপনার এত ক্ষমতা দরকারই বা কি?
আমার মতে বিএনপিকে অবশ্যই এমন প্রস্তাব অনতিবিলম্বে দেওয়া উচিত। এবং তা সিটি ইলেকশনের পর পরই দেওয়া উচিত।
সরকার তখন একটা কথাই বলবে ,তা হল একবার ইলেকশন হইছে সুতারং পাঁচ বছর পর হবে পরবর্তী ইলেকশন। একবার ইলেকশন করতে কোটি কোটি টাকা লাগে। কিন্তু এই যুক্তি তাদের টিকবে না।
কারন ইলেকশন না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী গেল হরতাল অবরোধে দেশের ৭৫ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। একটা ইলেকশন করতে তো এত টাকা লাগতো না। সুতারং ইলেকশন না দিলে যেহেতু এত ক্ষতি হচ্ছে তাই তাদের(সরকার) ইলেকশন দিতেই হবে। কারন জনগন তাদের কোন ভোট দেয় নাই। পাঁচ বছর তো দূরের কথা পাচ দিনেরও ম্যান্ডেট নাই্ এই সরকারের । সুতারং ইলেকশন না দেওয়ার পক্ষে এই সরকারের কোন যুক্তিই কাজে অঅসবে না। বিএনপির পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব উত্তাপনের পর দিন থেকই নেড়ি কুত্তার মত সরকার ক্ষমতায় যে কয়দিন পারে টিকে থাকব। তবে সেটা বেশি দিন পারবে না।
আসুন দেশকে ভালবাসি । যে গনতন্ত্রের জন্য আমাদের অনুজরা যুদ্ধ করেছে সেই গনতন্ত বেঁচে থাকুক আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের প্রয়োজনে। সকল ক্ষমতার মালিক অবশ্যই জনগন।


০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×