
একাত্তরে লাখো শহীদের প্রানের বিনিময়ে, লাখো মায়ের সম্ভ্রমের দামে বাংলাদেশ নামের দেশটির জন্ম। স্বাধীন দেশের স্বপ্নে যাঁরা পাকি হানাদারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছেলেন, সেই মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের সূর্য সন্তান। বাঙালী, বাঙলাদেশী হিসেবে আমরা সবাই তাঁদের সর্বোচ্চ সন্মান জানাতে শিখেছি। আমাদের আড্ডায়, আমাদের মহল্লায়, আমাদের বন্ধুমহলে, আমাদের পরিবারে একজনও মুক্তিযোদ্ধা থাকলে, সেটা আমাদের গর্বের বিষয়। একজন মুক্তিযোদ্ধার সান্নিধ্য পাওয়া আমাদের কাছে অনেক কিছু; একজন মুক্তিযোদ্ধার স্থান আমাদের কাছে অনেক উপরে; তিনি/তাঁরা অনেক সন্মানের, ভালোবাসার।
অনলাইন, ব্লগ, সোশাল মিডিয়া এসব জায়গায় চাইলে কেউ (মোটামুটি) শতভাগ এনোনিমিটি মেনেটেন করতে পারে। এখানে চাইলে রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে, ঠিক যেমন করে বেকার রাজা হতে পারে, ছেলে মেয়ে সাঁজতে পারে, ১৫ বছরের কিশোর ৩৫ বছরের যুবকের বেশ ধরতে পারে। এখানে চাইলে বাঙলাদেশে রামপুরার টেলিভিশন ভবনের পাশের ৬ তলা বাড়িটার ছাদে বসে বলতে পারে আমি আমেরিকার হামট্রামিক থেকে ব্লগিং করছি! ব্লগে আমি যা না তার বেশ ধরা কঠিন কিছু নয়!
আচ্ছা, ব্লগে যদি বলি আমি মুক্তিযোদ্ধা, আপনি কীভাবে প্রমান করবেন আমি নই?
নোটঃ
১. জুল ভার্ন, আলী সহ অনেক মু্ক্তিযোদ্ধা ব্লগার সামহোয়ারইনে লেখেন। এটা আমাদের সবার জন্য সন্মানের। তাঁরা কখনোই “আমি মুক্তিযোদ্ধা” এই ঠোলটা পেটাননা, পেটাতে দেখিনি। তাঁদের লেখা, মন্তব্য, প্রতিমন্তব্য, অন্য ব্লগারদের সাথে ইন্টারাকশন, অন্য মানুষের প্রতি, অন্য মানুষের মতের প্রতি সন্মানবোধ অতুলনীয়। আমার মনে কখনোই প্রশ্ন জাগেনা আসলেই কি তাঁরা মুক্তিযোদ্ধা! কারণ তাঁদের মানবিক গুনাবলীই বলে দেয় সন্দেহের বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই; হ্যাঁ, তাঁরা সর্বোচ্চ সন্মানের জায়গাটা পাওয়ার উপযুক্ত মানুষই বটে
২. দু’ একটা মাথামোটা গর্থব পোস্টের মর্মকথা বুঝতে নাও পারে। না বোঝার দায় আমার নয়। তবে হ্যা, পোস্টে কোনভাবেই বলা হয়নি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে কতৃপক্ষ বা ব্লগার কারো কাছে প্রমান করতে তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর কর্ম, ব্যবহার, ব্যক্তিত্ব এমনিতেই জানান দেবে যে তিনি জাতীর সূর্যসন্তানদের একজন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



