somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওয়াহ্যাবি মতবাদ কি ও কারা ?

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেখকঃহযরত আল্লামা শাঃ আহমদ শফী (দাঃ বাঃ)/ মাসিক মইনুল ইসলাম/ নভেম্বর- ২০০৮ }

আমাদের দেশে প্রায় শোনা যায় ওয়াহ্যাবি(ওয়াহাবি) মুসলমানের কথা।আমাদের দেশের বিশেষ এক শ্রেণীর কওমী আলেমদেরকে এক শ্রেণীর আলেম ও তাদের অনুসারী সাধারন মুসলমানরা ওয়াহাবী বলে।আর এক শ্রেনীর আলেম নিজেদেরকে সুন্নি বলে পরিচয় দেয়।প্রথমে আমরা জানার চেষটা করি সুন্নি কথাটার অর্থ কি।সাধারন ভাবে বলতে গেলে যারা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিপূর্ণ সুন্নত মেনে চলেন তারাই সুন্নি।

আসল ওয়াহাবি কে এবং কারা?
মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহ্যাব নজদী তেরশ শতাব্দিতে আরবের নজদ নামক প্রদেশে আত্তপ্রকাশ করে।সে ভ্রান্ত আকিদায় বিশ্বাসী ছিল ।সে আহলুসসুন্নাত ওয়াল জামাতের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত থাকত এবং তার নিজ আকিদা ছাড়া অন্য আকিদার মুসলমানদের কাফের হিসাবে আখ্যায়িত করত। ভিন্ন আকিদার মুসলমানদের মাল ধন সম্পদ জোর করে ছিনিয়ে নেওয়াকে হালাল ও তাদের হত্যা করাকে পূণ্যের কাজ বলে ফতো্যা দিত।এই ওয়াহাবীরা তৎকালীন আমলে দলে এত ভারী ছিল যে তাদের হাতে হাজার হাজার খাটি মুসলমান শহিদ হয়েছিল।তাদের অত্যাচারে তৎকালীন সময়ে মক্কা মদিনার অনেক মুসলমান পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।সেই থেকে আরব দেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে ওয়াহাবী ও তার অনুসারীদের কঠোর সমালোচনা করা হয় ও ঘৃনা চোখে দেখা হয়।
ওয়াহাবীদের আকিদা বা মুলনীতি।

১/ওয়াহাবীরা এই আকিদা পোষন করে যে নবী রসুল গনের জীবন শুধু মাত্র ইহকাল পর্যন্ত সীমিত মৃত্যুর পর ওনারা অন্যান্য সাধারন মুসলমানদের মত কবরে বিলীন হয়ে যায়।(নাউযুবিল্লাহ)
তারা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলে যা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।

২/ওরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজেদের সমকক্ষ মনে করে।নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুধু মাত্র তাবলীগের কাজে পাঠানো হয়েছে।(নাউযুবিল্লাহ)

৩/নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারক জিয়ারত করাকে বিদাআত ও হারাম বলে মনে করে।

৪/ এরা রাসুল করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গায়েবী সালাম আস্সালাতু আস্সালামু আলাইকা বলা কে শিরক ও হারাম মনে করে।

৫/এরা মনে করে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কেবল শরিয়তী ইলম জানা ছিল বাতেনী ইলম জানতেন না।নাউযুবিল্লাহ।

৬/আত্তসুদ্ধি, সুফিয়াকেরামদের নিয়ম নীতি ,মুরাকাবা, পীর মুরিদিকে নাজায়েজ ও হারাম বলে।

৭/এরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দুরুদ সালাম দালায়েলুল, কাছিদাবুরদা পাঠানো অপছন্দনীয় কাজ বলে মনে করে।

৮/এরা নবীগন ও আউলিয়াগনের জীবন বৃত্তান্ত আলোচনাকে খারাপ মনে করে

৯/ওয়াহাবীরা নিজেদের আকিদা ছাড়া অন্য আকিদার লোকদের কাফের বলে সম্বোধন করে।

১০/তারা অন্য আকিদার মুসলমানদের মাল সম্পদকে গনিমতের মাল মনে করে এবং তাদের ধন সম্পদ কেড়ে নেওয়াকে হালাল মনে করে।
আমাদের দেশে মাদ্রাসা শিক্ষার দুটি ধারা আছে একটি আলিয়া আরেকটি কওমী।আলিয়া মাদ্রাসা সম্পূর্ণ সরকারি অনুদানে পরিচালিত হয়।ওখানে সরকার নির্দেশিত সিলেবাস অনুযায়ি পড়ানো হয়।আর কওমি মাদ্রাসা সম্পূর্ণ জনগনের সহযোগিতায় পরিচালিত তাই এই মাদ্রাসাগুলি নিজস্ব সিলাবাসে পাঠদান করে।( মাদ্রাসা শিক্ষা দুই ধারা বিভক্ত হওয়ার ইতিহাস আছে তা ইনশাআল্লাহ অন্য সময় আলোচনা করব)।আমাদের দেশের এক শ্রেণীর আলেম এই কওমী আলেমদেরকে ওয়াহাবী বলে সম্বোধন করে।কিন্ত বাস্তবে দেখা যায় এই কওমী আলেমরা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সুন্নত পালন করেন।ওয়াহাবী আকিদার একটি আকিদাও কওমী আলেমদের মাঝে নাই।রাসুল করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালবাসার ব্যাপারে এবং উনার সুন্নত পরিপূর্ণ ভাবে পালনের ব্যাপারে কওমী আলেমগন সবচেয়ে বেশি অগ্রগামী।উনারা শুধু বাহ্যিক গত (পোষাক ,দাড়ি, কথা-বার্তা ইত্যাদি) সুন্নত নয় আভ্যন্তরীন (খাওয়া দাওয়া, ঘর-সংসার, তাহাজ্জুদের নামায ইত্যাদি) সুন্নতের ব্যাপারেও খুবই যত্নবান।কওমী আলেমগন বেশির ভাগই খুব সাধারন জীবন যাপন করেন।তারা রাসুলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন ব্যাপার নিয়ে বাড়াবাড়ি করেন না।ঠিক যতটুকু হাদিসে পাকে আছে ততটুকুই পালন করেন।নিজ হতে কোন কিছু বাড়ানোকে বিদাআত ও কোন কিছু কমানোকে হারাম মনে করেন।
{সুত্রঃ প্রসংগঃওয়াহ্যাবী কারা/ লেখকঃহযরত আল্লামা শাঃ আহমদ শফী (দাঃ বাঃ)/ মাসিক মইনুল ইসলাম/ নভেম্বর- ২০০৮ }আমাদের দেশে প্রায় শোনা যায় ওয়াহ্যাবি(ওয়াহাবি) মুসলমানের কথা।আমাদের দেশের বিশেষ এক শ্রেণীর কওমী আলেমদেরকে এক শ্রেণীর আলেম ও তাদের অনুসারী সাধারন মুসলমানরা ওয়াহাবী বলে।আর এক শ্রেনীর আলেম নিজেদেরকে সুন্নি বলে পরিচয় দেয়।প্রথমে আমরা জানার চেষটা করি সুন্নি কথাটার অর্থ কি।সাধারন ভাবে বলতে গেলে যারা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিপূর্ণ সুন্নত মেনে চলেন তারাই সুন্নি।

আসল ওয়াহাবি কে এবং কারা?
মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহ্যাব নজদী তেরশ শতাব্দিতে আরবের নজদ নামক প্রদেশে আত্তপ্রকাশ করে।সে ভ্রান্ত আকিদায় বিশ্বাসী ছিল ।সে আহলুসসুন্নাত ওয়াল জামাতের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত থাকত এবং তার নিজ আকিদা ছাড়া অন্য আকিদার মুসলমানদের কাফের হিসাবে আখ্যায়িত করত। ভিন্ন আকিদার মুসলমানদের মাল ধন সম্পদ জোর করে ছিনিয়ে নেওয়াকে হালাল ও তাদের হত্যা করাকে পূণ্যের কাজ বলে ফতো্যা দিত।এই ওয়াহাবীরা তৎকালীন আমলে দলে এত ভারী ছিল যে তাদের হাতে হাজার হাজার খাটি মুসলমান শহিদ হয়েছিল।তাদের অত্যাচারে তৎকালীন সময়ে মক্কা মদিনার অনেক মুসলমান পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।সেই থেকে আরব দেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে ওয়াহাবী ও তার অনুসারীদের কঠোর সমালোচনা করা হয় ও ঘৃনা চোখে দেখা হয়।
ওয়াহাবীদের আকিদা বা মুলনীতি।
১/ওয়াহাবীরা এই আকিদা পোষন করে যে নবী রসুল গনের জীবন শুধু মাত্র ইহকাল পর্যন্ত সীমিত মৃত্যুর পর ওনারা অন্যান্য সাধারন মুসলমানদের মত কবরে বিলীন হয়ে যায়।(নাউযুবিল্লাহ)
তারা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলে যা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।
২/ওরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজেদের সমকক্ষ মনে করে।নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুধু মাত্র তাবলীগের কাজে পাঠানো হয়েছে।(নাউযুবিল্লাহ)
৩/নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারক জিয়ারত করাকে বিদাআত ও হারাম বলে মনে করে।
৪/ এরা রাসুল করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গায়েবী সালাম আস্সালাতু আস্সালামু আলাইকা বলা কে শিরক ও হারাম মনে করে।
৫/এরা মনে করে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কেবল শরিয়তী ইলম জানা ছিল বাতেনী ইলম জানতেন না।নাউযুবিল্লাহ।
৬/আত্তসুদ্ধি, সুফিয়াকেরামদের নিয়ম নীতি ,মুরাকাবা, পীর মুরিদিকে নাজায়েজ ও হারাম বলে।
৭/এরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দুরুদ সালাম দালায়েলুল, কাছিদাবুরদা পাঠানো অপছন্দনীয় কাজ বলে মনে করে।
৮/এরা নবীগন ও আউলিয়াগনের জীবন বৃত্তান্ত আলোচনাকে খারাপ মনে করে।

৯/ওয়াহাবীরা নিজেদের আকিদা ছাড়া অন্য আকিদার লোকদের কাফের বলে সম্বোধন করে।

১০/তারা অন্য আকিদার মুসলমানদের মাল সম্পদকে গনিমতের মাল মনে করে এবং তাদের ধন সম্পদ কেড়ে নেওয়াকে হালাল মনে করে।
আমাদের দেশে মাদ্রাসা শিক্ষার দুটি ধারা আছে একটি আলিয়া আরেকটি কওমী।আলিয়া মাদ্রাসা সম্পূর্ণ সরকারি অনুদানে পরিচালিত হয়।ওখানে সরকার নির্দেশিত সিলেবাস অনুযায়ি পড়ানো হয়।আর কওমি মাদ্রাসা সম্পূর্ণ জনগনের সহযোগিতায় পরিচালিত তাই এই মাদ্রাসাগুলি নিজস্ব সিলাবাসে পাঠদান করে।( মাদ্রাসা শিক্ষা দুই ধারা বিভক্ত হওয়ার ইতিহাস আছে তা ইনশাআল্লাহ অন্য সময় আলোচনা করব)।আমাদের দেশের এক শ্রেণীর আলেম এই কওমী আলেমদেরকে ওয়াহাবী বলে সম্বোধন করে।কিন্ত বাস্তবে দেখা যায় এই কওমী আলেমরা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সুন্নত পালন করেন।ওয়াহাবী আকিদার একটি আকিদাও কওমী আলেমদের মাঝে নাই।রাসুল করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালবাসার ব্যাপারে এবং উনার সুন্নত পরিপূর্ণ ভাবে পালনের ব্যাপারে কওমী আলেমগন সবচেয়ে বেশি অগ্রগামী।উনারা শুধু বাহ্যিক গত (পোষাক ,দাড়ি, কথা-বার্তা ইত্যাদি) সুন্নত নয় আভ্যন্তরীন (খাওয়া দাওয়া, ঘর-সংসার, তাহাজ্জুদের নামায ইত্যাদি) সুন্নতের ব্যাপারেও খুবই যত্নবান।কওমী আলেমগন বেশির ভাগই খুব সাধারন জীবন যাপন করেন।তারা রাসুলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন ব্যাপার নিয়ে বাড়াবাড়ি করেন না।ঠিক যতটুকু হাদিসে পাকে আছে ততটুকুই পালন করেন।নিজ হতে কোন কিছু বাড়ানোকে বিদাআত ও কোন কিছু কমানোকে হারাম মনে করেন।
{সুত্রঃ প্রসংগঃওয়াহ্যাবী কারা/ লেখকঃহযরত আল্লামা শাঃ আহমদ শফী (দাঃ বাঃ)/ মাসিক মইনুল ইসলাম/ নভেম্বর- ২০০৮ }
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে এই 'প্ল্যান'-গুলো আমাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর লিস্টে আছে কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮



আসসালামু আলাইকুম।
দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে নিচের বিষয়গুলোর উপর নজর দেওয়া জরুরী মনে করছি।

প্ল্যান - ১
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রত্যেকটিতে গবেষণার জন্যে ফান্ড দেওয়া দরকার। দেশ - বিদেশ থেকে ফান্ড... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র হজ্জ্ব- ২০২৫ এর মায়াময় স্মৃতি….(৮)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

আমরা ০৯ জিলহজ্জ্ব/০৫ জুন রাত সাড়ে দশটার দিকে মুযদালিফায় পৌঁছলাম। বাস থেকে নেমেই অযু করে একসাথে দুই ইকামায় মাগরিব ও এশার নামায পড়ে নিলাম। নামাযে ইমামতি করেছিলেন আমাদের দলেরই একজন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদের নতুন ধরন - জুলাই মাসে কই ছিলেন?

লিখেছেন সাজিদ উল হক আবির, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬

১।

জুলাই মাসে কই ছিলেন – গত দেড় বছর ধরে অনলাইনে এই এক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি বহুবার। এই প্যাটার্নের প্রশ্ন, অভাগা দেশে বারবার ফিরে আসে। শেষমেশ এই ধরনের প্রশ্নগুলোই নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে এসেছিলেন ইউনুস স্যার!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৪



অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ছেড়ে গেলেও নতুন বাংলাদেশ গড়ার সার্বিক দায়িত্ব আমার, আপনার, আমাদের সবার। দীর্ঘ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন কিরকুট, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

*** জামাত শিবির এর যারা আছেন তারা দয়ে করে প্রবেশ করবেন না ***


বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এখন আর কেবল একটি দলের ভাগ্যের প্রশ্ন নয় এটি রাজনৈতিক ভারসাম্য, গণতান্ত্রিক কাঠামো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×