এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই !!!!
বিজয় দিবসের গানের এই কথাগুলো নিয়ে একটু ভাবলাম। বাংলাদেশে এখন কোন কথা বলাই বিপদ যদি হাসিনাকে নিয়ে কিছু বলি তাহলে পড়ে যাই BNP তে আর যদি খালেদাকে নিয়ে কিছু বলি তাহলে হয়ে যাই AWMELEAGUE। অনেকটা automatic process এর মতন। যতই সত্য কথা বলিনা কেন সেটা মানুষ এখন আর সাধারনভাবে নেয় না, সবকিছুই কেমন যেন রাজনৈতিক হয়ে যাচ্ছে।
কারো বাসায় একদিন-দুদিন চুরি হলে বাসার সবাই এটিকে নিতান্তই দুর্ঘটনা বলে ধরে নেন, কিন্তু প্রতিনিয়ত এরকম ঘটতে থাকলে এটি অবশ্যই সবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে দেয় এবং এরকম যাতে আর না হয় সবাই সেই উপায় খুজতে থাকে। বাংলাদেশের অপরিষ্কার ময়লা রাজনীতি বাংলাদেশ এবং এর মানুষদের সাধারন চিন্তা ভাবনা এবং উন্মুক্ত মতবাদকে খুব বাজে ভাবে প্রভাবিত করে। বলা হয়ে থাকে ৩০ লক্ষ্য শহীদের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই বাংলাদেশ। এটা কখনই সম্ভব নয় কম্পিউটারে খেলা গেমসের মত একাই একটি দেশ স্বাধীন করে ফেলা। প্রতিটি খেলাতেই অধিনায়ক থাকে এবং তার সাথে আরও অনেক খেলোয়াড় ও থাকে। একা ওঁই অধিনায়কের পক্ষে ওঁই খেলা জেতানো সম্ভব নয় যদি না বাকি খেলোয়াড়রা ভাল অবদান রাখেন। লাখো মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেয় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে, কিন্তু তারপরও কেন বার বার এক জনের নাম নেয়া হবে। কারো হারিয়েছে হাত, কারো পা, কারো চোখ, কারো বাব, কারো মা অথবা ভাইবোন, হাজারো মা বোন হারিয়েছে তাদের সম্ভ্রম। কেন তাদের আজ কোন হিসাবে রাখা হয় না? যুদ্ধ কি শেখ মুজিব একা করেছেন? একাই ছিনিয়ে এনেছেন স্বাধীনতা? শেখ মুজিব একজন উচুমানের নেতা ছিলেন, আমি তাকে অনেক পছন্দ করি। কিন্তু যদি তিনি এই সময়ে বেচে থাকতেন তাহলে তিনি নিজেও মনে হয় এমন্তি হতে দিতেন না। ৭ই মার্চের ভাষণ অবশ্যই গায়ে শিহরণ জাগানোর মত মুহূর্ত, তিনি উদ্ভুদ্দ করেছেন বাঙালি জাতিকে। কিন্তু যুদ্ধ চলা কালীন পুরো সময় তিনি আটক ছিলেন পাকিস্তানে। যুদ্ধ করেছেন হাজারো লাখো বাঙালি। তবে কেন আজ শুধু মুজিবুর রাহমানের নামে বাংলাদেশের সব কিছু, তাহলে কি অবজ্ঞা করা হচ্ছে সেই অকুতোভয় বাংলা সেনাদের? প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে টাকার গায়ে পর্যন্ত শুধু একটি ই মানুষ শেখ মুজিবুর রাহমান , কেন?
যদি অবজ্ঞাই করা না হয়, ১৬ ই ডিসেম্বরে মুক্তি যোদ্ধাদের সম্মাননা দেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যেই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় সেটিতে বহু মুক্তিযুদ্ধা বাইরে কিছু পেন্ডেলের ভিতরে দাড়িয়ে থাকেন, কারন ওঁই অনুষ্ঠান আয়োজকদের VIP অতিথিদের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা করে বসার আর কোন জায়গা ছিল না যদিও অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যই করা। আজও অনেক মুক্তিযোদ্ধা তাদের সনদ পাননি। শত কোটি টাকা খরচ করে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে তৈরি হচ্ছে নানা প্রতিষ্ঠান, অথচ এরকম হাজারো মুক্তিযোদ্ধা দিনের পর দিন না খেয়ে কাটাচ্ছেন। ১৬ ই ডিসেম্বর, ২৬ শে মার্চ, এসব দিনগুলো এলে চারপাশে একটি নাম শেখ মুজিব।
আমি শেখ মুজিবুর রাহমানকে অনেক শ্রদ্ধা করি, কিন্তু আমার কথা হচ্ছে শুধু একজনকে নিয়ে এত গুঞ্জন কেন? কারণ তিনি রাজনীতি করতেন বলে? তার মানে কি যারা রাজনীতি করবেন না তারা দেশের জন্য আরও বড় ত্যাগ করলেও সেটি প্রশংসাতুল্য হবে না?
১৬ ই ডিসেম্বর তাদের জন্যই খুশির দিন হওয়ার কথা যারা ণীজ হাঁতে দেশকে স্বাধীন করেছেন, যেমনটা বলা হয়ে থাকে ইসলাম ধর্মে যে – “যারা রমজান মাসে ৩০ টি রোজা রাখে ঈদের আনন্দ তাদের জন্যই”, অথচ সেই মুক্তিযোদ্ধাদের অবজ্ঞা করে সমগ্র দেশে নানা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয় বড় বড় ব্যাবসায়ীরা এমনকি সামনের কাতারের আসনের ভাগ্য পর্যন্ত জোটে না ঐ সাহসী ত্যাগী সম্মানের আসল দাবীদার বাংলার মুক্তিযোদ্ধাদের। আজ যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার নিয়ে অনেকেই অনেক বক্তব্য বেক্তো করেন যে- “এই রাজাকারদের জন্য অজস্র মুক্তিযোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছে এদের বিচার হওয়া উচিৎ”, আমিও চাই সঠিক বিচার হোক, কিন্তু যেই মুক্তিযোদ্ধারা আজ বেচে আছেন তাদের নিয়ে টিভি চ্যানেলে, সমাবেশে, রেডিওতে বক্তৃতা দেয়া সেই মানুষগুলো কতটা ভাবছেন?
শুরুতে বলেছিলাম একটি গানের লাইন “এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই”, এত ত্যাগ করে যেই মানুষগুলো এই বাংলাদেশকে রূপ দিয়েছেন, দিয়েছেন প্রাণ আজ তারাই তাদের হাঁতে জন্ম নেয়া বাংলাদেশে সবচেয়ে অবহেলিত, অশ্রু নিজ থেকেই গড়িয়ে পরবে নিথর সেই চোখ থেকে, যেই অশ্রু হয়তো হতে পারতো আনন্দের বহিঃপ্রকাশ আজ সেই অশ্রু শুধুই নিরব কষ্টের ভাষা মাত্র।
এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই !!!!
বিজয় দিবসের গানের এই কথাগুলো নিয়ে একটু ভাবলাম। বাংলাদেশে এখন কোন কথা বলাই বিপদ যদি হাসিনাকে নিয়ে কিছু বলি তাহলে পড়ে যাই BNP তে আর যদি খালেদাকে নিয়ে কিছু বলি তাহলে হয়ে যাই AWMELEAGUE। অনেকটা automatic process এর মতন। যতই সত্য কথা বলিনা কেন সেটা মানুষ এখন আর সাধারনভাবে নেয় না, সবকিছুই কেমন যেন রাজনৈতিক হয়ে যাচ্ছে।
কারো বাসায় একদিন-দুদিন চুরি হলে বাসার সবাই এটিকে নিতান্তই দুর্ঘটনা বলে ধরে নেন, কিন্তু প্রতিনিয়ত এরকম ঘটতে থাকলে এটি অবশ্যই সবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে দেয় এবং এরকম যাতে আর না হয় সবাই সেই উপায় খুজতে থাকে। বাংলাদেশের অপরিষ্কার ময়লা রাজনীতি বাংলাদেশ এবং এর মানুষদের সাধারন চিন্তা ভাবনা এবং উন্মুক্ত মতবাদকে খুব বাজে ভাবে প্রভাবিত করে। বলা হয়ে থাকে ৩০ লক্ষ্য শহীদের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই বাংলাদেশ। এটা কখনই সম্ভব নয় কম্পিউটারে খেলা গেমসের মত একাই একটি দেশ স্বাধীন করে ফেলা। প্রতিটি খেলাতেই অধিনায়ক থাকে এবং তার সাথে আরও অনেক খেলোয়াড় ও থাকে। একা ওঁই অধিনায়কের পক্ষে ওঁই খেলা জেতানো সম্ভব নয় যদি না বাকি খেলোয়াড়রা ভাল অবদান রাখেন। লাখো মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেয় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে, কিন্তু তারপরও কেন বার বার এক জনের নাম নেয়া হবে। কারো হারিয়েছে হাত, কারো পা, কারো চোখ, কারো বাব, কারো মা অথবা ভাইবোন, হাজারো মা বোন হারিয়েছে তাদের সম্ভ্রম। কেন তাদের আজ কোন হিসাবে রাখা হয় না? যুদ্ধ কি শেখ মুজিব একা করেছেন? একাই ছিনিয়ে এনেছেন স্বাধীনতা? শেখ মুজিব একজন উচুমানের নেতা ছিলেন, আমি তাকে অনেক পছন্দ করি। কিন্তু যদি তিনি এই সময়ে বেচে থাকতেন তাহলে তিনি নিজেও মনে হয় এমন্তি হতে দিতেন না। ৭ই মার্চের ভাষণ অবশ্যই গায়ে শিহরণ জাগানোর মত মুহূর্ত, তিনি উদ্ভুদ্দ করেছেন বাঙালি জাতিকে। কিন্তু যুদ্ধ চলা কালীন পুরো সময় তিনি আটক ছিলেন পাকিস্তানে। যুদ্ধ করেছেন হাজারো লাখো বাঙালি। তবে কেন আজ শুধু মুজিবুর রাহমানের নামে বাংলাদেশের সব কিছু, তাহলে কি অবজ্ঞা করা হচ্ছে সেই অকুতোভয় বাংলা সেনাদের? প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে টাকার গায়ে পর্যন্ত শুধু একটি ই মানুষ শেখ মুজিবুর রাহমান , কেন?
যদি অবজ্ঞাই করা না হয়, ১৬ ই ডিসেম্বরে মুক্তি যোদ্ধাদের সম্মাননা দেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যেই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় সেটিতে বহু মুক্তিযুদ্ধা বাইরে কিছু পেন্ডেলের ভিতরে দাড়িয়ে থাকেন, কারন ওঁই অনুষ্ঠান আয়োজকদের VIP অতিথিদের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা করে বসার আর কোন জায়গা ছিল না যদিও অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যই করা। আজও অনেক মুক্তিযোদ্ধা তাদের সনদ পাননি। শত কোটি টাকা খরচ করে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে তৈরি হচ্ছে নানা প্রতিষ্ঠান, অথচ এরকম হাজারো মুক্তিযোদ্ধা দিনের পর দিন না খেয়ে কাটাচ্ছেন। ১৬ ই ডিসেম্বর, ২৬ শে মার্চ, এসব দিনগুলো এলে চারপাশে একটি নাম শেখ মুজিব।
আমি শেখ মুজিবুর রাহমানকে অনেক শ্রদ্ধা করি, কিন্তু আমার কথা হচ্ছে শুধু একজনকে নিয়ে এত গুঞ্জন কেন? কারণ তিনি রাজনীতি করতেন বলে? তার মানে কি যারা রাজনীতি করবেন না তারা দেশের জন্য আরও বড় ত্যাগ করলেও সেটি প্রশংসাতুল্য হবে না?
১৬ ই ডিসেম্বর তাদের জন্যই খুশির দিন হওয়ার কথা যারা ণীজ হাঁতে দেশকে স্বাধীন করেছেন, যেমনটা বলা হয়ে থাকে ইসলাম ধর্মে যে – “যারা রমজান মাসে ৩০ টি রোজা রাখে ঈদের আনন্দ তাদের জন্যই”, অথচ সেই মুক্তিযোদ্ধাদের অবজ্ঞা করে সমগ্র দেশে নানা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয় বড় বড় ব্যাবসায়ীরা এমনকি সামনের কাতারের আসনের ভাগ্য পর্যন্ত জোটে না ঐ সাহসী ত্যাগী সম্মানের আসল দাবীদার বাংলার মুক্তিযোদ্ধাদের। আজ যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার নিয়ে অনেকেই অনেক বক্তব্য বেক্তো করেন যে- “এই রাজাকারদের জন্য অজস্র মুক্তিযোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছে এদের বিচার হওয়া উচিৎ”, আমিও চাই সঠিক বিচার হোক, কিন্তু যেই মুক্তিযোদ্ধারা আজ বেচে আছেন তাদের নিয়ে টিভি চ্যানেলে, সমাবেশে, রেডিওতে বক্তৃতা দেয়া সেই মানুষগুলো কতটা ভাবছেন?
শুরুতে বলেছিলাম একটি গানের লাইন “এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই”, এত ত্যাগ করে যেই মানুষগুলো এই বাংলাদেশকে রূপ দিয়েছেন, দিয়েছেন প্রাণ আজ তারাই তাদের হাঁতে জন্ম নেয়া বাংলাদেশে সবচেয়ে অবহেলিত, অশ্রু নিজ থেকেই গড়িয়ে পরবে নিথর সেই চোখ থেকে, যেই অশ্রু হয়তো হতে পারতো আনন্দের বহিঃপ্রকাশ আজ সেই অশ্রু শুধুই নিরব কষ্টের ভাষা মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


