
ফেসবুকে প্রায় প্রতিনিয়ত দেখা যায়, রেস্টুরেন্টে বসে অনেকেই খাবারের ছবি তুলে পোষ্ট করে অথবা খাবারের সাথে সেলফি তুলে পোষ্ট করে। অনেকেই আবার বাসায় রান্না করে খাবারের ছবি ফেসবুক বা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ে। বাসায় তৈরি খাবার ফেসবুকে ছাড়ার প্রবণতা মেয়েদের বেশি। যারা এই কাজ করে তাদের সম্পর্কে আমার ধারণা দুইটি।
১. তাদের ধারণা তারা ছাড়া আর কেউ রেস্টুরেন্টে খায় না কিংবা বাসায় ভালো কিছু রান্না করে না।
অথবা
২. জীবনের প্রথম রেস্টুরেন্টে খেল কিংবা বাড়িতে ভালো কিছু রান্না হলো, যেটা ফেসবুকে না দিলেই নয়। তাই ফেসবুকে দেয়।
তবে আমি খেয়াল করে দেখেছি, যারা হঠাৎ একদিন কিংবা অনেক দিন পরে একদিন রেস্টুরেন্টে খায় কিংবা বাসায় ভালো কিছু রান্না করে মূলত তারাই বেশি ফেসবুকে খাবারের ছবি তুলে পোষ্ট করে।
এখন যদি কেউ বলে, আমার আইডি দিয়ে আমার বন্ধুদের সাথে যা খুশি তাই করবো। তাতে অসুবিধা কিসের?
আচ্ছা ধরুন, আপনি ভালো বা উন্নত খাবার কিনেছেন কিংবা রান্না করেছেন। সেই খাবার আপনার বন্ধুকে না দিয়ে তাকে দেখিয়ে খেতে পারবেন? কিংবা শুধুমাত্র লোকদের দেখানোর উদ্দেশ্যে খাবারটা রাস্তায় রেখে ব্যানার বা প্লেকার্ডে "মেড বাই মি" ক্যাপশন লিখে টানিয়ে দিতে পারবেন?
যদি সেটা না পারেন তাহলে ফেসবুকে কেন?
তবে হ্যাঁ, পিকনিক বা বনভোজনের কথা আলাদা।
খাবারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার যৌক্তিকতা যতটুকু আমার জানা নাই। রেস্টুরেন্টে বসে খাবারের সাথে ছবি তুলে অথবা বাসায় খাবার রান্না করে ফেসবুকে শেয়ার করে লোক দেখানো এটা কোন ধরণের সামাজিকতা আমার বুঝে আসে না।
- সোহাগ তানভীর সাকিব
কবি ও গল্পকার
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



