
অমর একুশে বইমেলা-২০২০ এ হরিৎপত্র প্রকাশন থেকে প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ "ধুম্রজাল" বইটি নিয়ে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ-এর বাংলা তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তুষার মাহমুদ গ্রন্থ সমালোচনা করেছেন। ফেসবুক পোষ্ট থেকে তার গ্রন্থ সমালোচনা হুবাহু তুলে ধরলাম।
"ধুম্রজাল
লেখকঃ সোহাগ তানভীর সাকিব
প্রচ্ছদঃ আহসান রাব্বি
বইটি প্রকাশ হওয়ার কয়েকদিন পরে, একজন বিশেষ ব্যক্তির মারফথে আমার হাতে এসে পৌছালো। খুব সুন্দর রং -তুলিতে আঁকা একটি প্রচ্ছদ। প্রচ্ছদটি মোটামুটি ভালো হয়েছে।
বইয়ের প্রথম গল্পটি ধুম্রজাল। গল্প আগত নায়ক চরিত্রটি গল্পকথক নিজে হলেও মূলত এখানে নায়িকা চরিত্রটি বেশি প্রাধান্য। এখানে গল্পটিতে আপাদমস্তক বাস্তবতার মাধুরী মিশারে এক কল্পনার চিত্রপট আঁকা হয়েছে। গল্পটিতে অতি নাটকীয়তা নেই। খুব বেশি শব্দের খেলাও দেখা যায় না। ক্লাসিক সাহিত্যর নিয়ম-নীতি ও খুব বেশি অনুসরণ করা হয়নি। তবুও আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই সোহাগ তানভীর সাকিব বাস্তবতার মাধুরীতে যে মৌমিতা কে তিনি তুলে ধরেছেন সত্যিই অসাধারণ। প্রকৃতিতে প্রতিদিনই কেউ না কেউ মৌমিতার মত ফ্রেমবন্দি হচ্ছে। কেউ হয়তো দেওয়ালের চিত্রপটে। কেউ হয়তো খবরের কাগজে। কেউবা আবার ইলেকট্রিক মিডিয়ায়। বাস্তবতার করুন সত্যকে পুঁজি করে লেখক যে চিত্রপট এঁকেছেন সত্যিই তা অসাধারণ।
" মৌমিতা এখন ফ্রেমে বাঁধানো স্মৃতি ছাড়া আর কিছুই নয়"
( ধুম্রজাল,সোহাগ তানভীর সাকিব,পৃষ্ঠা ১০)
ধুম্রজালের আপদমস্তক ৭টি গল্পে লেখক সহজ,সরল এবং সাবলীল ভাষায় ঘটমান ঘটনার অত্যন্ত নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করেছেন। আধুনিক রোমান্টিক প্রেমের একটা ছাঁচ স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন তার "অব্যক্ত ভালোবাসা" গল্পটিতে।
তবে একটা বিশেষ ব্যাপার হল প্রথমে তুলনায় শেষের দিকের গল্পগুলো বেশ প্রাকৃতিক। সব মিলিয়ে অনেক ভালো লাগছে। তবে,আমি একজন ক্ষুদ্র পাঠক হিসেবে আমার কাছে এই বইয়ের কিছু অসঙ্গতি লক্ষ্য করেছি। তবুও বলতে বাধ্য হচ্ছি।
" সোহাগ তানভীর সাকিব ভাই খুব ভালো লিখেছেন"
তুষার মাহমুদ
বিকেল ৪টা ২০ মিনিট।
০৪/০২/২০২০
ডিগ্রিবটতলা, পাবনা"
বিঃদ্রঃ "ধুম্রজাল" গল্পগ্রন্থ অমর একুশে বইমেলা-২০২০ এ ২০৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






