
ভালোবাসার টানে গতকাল ছুটে গিয়েছিলাম মেলায়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়াতে বইপ্রেমিদের উপচে পরা ভীড়। এ যেন লেখক, প্রকাশক আর পাঠকদের মিলন মেলা। দৃষ্টি নন্দন প্যাভিলিয়ন আর স্টলগুলোতে জ্ঞান পিপাসুদের ভীড় অবাক করার মত। কে বলেছে ফেসবুক আর ইউটিউবের যুগে কাগজের মলাটবদ্ধ বই পড়ে না মানুষ? যারা এসব কথা বলে তাদের চিন্তার পরিবর্তনের জন্য বইমেলায় নিমন্ত্রণ জানাই। নিউইয়র্ক, লন্ডন, প্যারিস, সিডনি, কলকাতাসহ বিশ্বের প্রায় সব বড় বড় শহরে বইমেলা হয়। ঢাকায় অনুষ্ঠিত মাস ব্যাপী অমর একুশে বইমেলা আর কলকাতার বইমেলা সর্ববৃহত এবং দীর্ঘ সময় ধরে চলে।

আপনারা নিশ্চয় জানেন, বইমেলা দুইটি অংশে বিভক্ত। বাংলা একাডেমি অংশ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশ। বাংলা একাডেমি অংশে বাংলা একাডেমি ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, অধিদপ্তর, রাজনৈতিক দল (আওয়ামিলীগ সংশ্লিষ্ট), ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের স্টল বা প্যাভিলিয়ন রয়েছে। আপনি যদি এসব প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট বই কিনতে চান তাহলে বাংলা একাডেমি চত্ত্বরে যেতে হবে। মেলায় আগত দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য বাংলা একাডেমি অংশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাও আছে।

মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে পাবেন বিভিন্ন প্রকাশনীর দৃষ্টি নন্দন প্যাভিলিয়ন ও স্টল। সাথে বাহারি বই। বই দেখলেই পড়তে মন চাইবে।

বইমেলায় যাওয়ার আগে কি কি ধরণের বই কিনবেন আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন। কোন প্যালিয়ন বা স্টল খুঁজে না পেলে হেল্প স্টলে যান।

মেলায় গিয়ে শুধু ঘুরে ফিরে আর সেলফি-ছবি তুলেই চলে আসবেন না। নূন্যতম একটা হলেও বই কিনবেন। কিনে বইটা না পড়লেও বাসায় রেখে দিবেন। যখন আপনার কোন কিছুই ভালো লাগবে না। ফেসবুক আর ইউটিউবকে বিরক্ত মনে হবে। বিষন্নতা যখন আপনাকে ঘিরে ধরবে তখন ঐযে মেলা থেকে কিনে আনা বইটি পড়বেন। দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার বিষন্নতা কেটে যাবে। ভালো লাগবে আপনার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







