ভোরের বৃষ্টি শেষে ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লাগতেই মনে পড়লো শীতকালের কথা। আর আকাশের উড়ে যাওয়া পাখি দেখে মনে হয়ে গেল অতিথি পাখির কথা। শীত আসতে আর তিন বা চার মাস বাকি। আর শীত আসলেই কম বেশী আসবে অতিথি পাখি। তখনই আমরা দেখতে পাবো অতিথি পাখি রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন বিজ্জ্ঞাপন, সরকারী নিষেধাজ্ঞা এবং অতিথি পাখি শিকারের শাস্তি।
যে সব শীত প্রধান দেশ থেকে অতিথি পাখিরা আমাদের দেশে আসে ঐ সব দেশে কিন্তু অতিথি পাখি শিকারে কোন সরকারী নিষেধাজ্ঞা বা শাস্তির ব্যবস্থা করা নেই বলে জানি। তাহলে আমাদের জন্য কেন এই আইন? অতিথি পাখি বলেই কি? আসলে অতিথি পাখি আমাদের কেমন অতিথি?
প্রতি বছরই এই অতিথি পাখিরা আমাদের এই মহা গরীব দেশের মূল্যবান মৎস এবং শস্য সম্পদ আহার করে। এমনিতেই দেশের মৎস এবং শস্য সম্পদ সমৃদ্ধশীল তো নয়ই বরং অনেক মানুষের নাগালের বাইরে। তবে আমরা কেন অতিথি পাখিদের শিকার করে মৎস এবং শস্য সম্পদ কিছুটা রক্ষা করছি না? আর এই অতিথি পাখি শিকারের মাধ্যমে আমাদের দেশের গরীব মানুষের কিছুটা আয় হবে আর তার সাথে হতে পারে দু`বেলা পুষ্টিকর একটু ভালো খারার। তা হলে পুষ্টি ঘাটতিও কমবে কিছুটা।
অতিথি পাখিরা যখনই আসে তখনই দেখা যায় `বার্ড-ফ্লু` রোগের প্রাদুর্ভাব। আমরা যদি অতিথি পাখি শিকার করে ভালোভাবে সেদ্ধ করে খেতে পারি তাহলে আমাদের ক্ষতি তো হবেই না বরং রক্ষা পাবে আমাদের হাঁস-মুরগী।
আমরা যারা সচেতন নাগরিক তারা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে চেষ্টা করি। আর চলুন সবাই তৈরি হই অতিথি পাখি শিকারের জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




