somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আইডিপি সমাচার:পর্ব - ০১

১৮ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৭৯ সালে রাশিয়া কতৃক আফগানিস্তান দখলের পর শুরু হয় আফগানদের প্রতিরোধ যুদ্ধ যাকে অনেক ইসলামী পণ্ডিতই ইসলামী জিহাদ বলে আখ্যা দেন। সে যুদ্ধে অনেক বাংলাদেশীও আফগানদের পাশে দাড়ায় ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে। আফগান যুদ্ধ সমাপ্তির পর এ সমস্ত যোদ্ধা (তাদের ভাষায় মুজাহিদ) দেশে ফেরত আসেন এবং দেশের ভিতরেও তাদের কর্মতৎপরতা শুরু করেন যার মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় রাজনীতির মূলধারায় নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করে নিজেদের মতাদর্শ প্রচারের জন্য একটি নিরাপদ ক্ষেত্র তৈরি করা। এই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতার সর্বশেষ ফলাফল হচ্ছে ইসলামিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টি(আইডিপি)। গত ১৮ মে, ২০০৮ ইং তারিখে নির্বাচন কমিশন বরাবর নিবন্ধনের আবেদন করার মাধ্যমে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করে দলটি। আফগান ফেরত বাংলাদেশী যোদ্ধাদের সংগঠন 'হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ' সংক্ষেপে হুজি থেকে উদ্ভুত হওয়ায় এবং দেশের বিভিন্ন নাশকতামূলক কার্যক্রমের সাথে হুজির নাম জড়িত হয়ে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দেশে-বিদেশে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক আলোচিত দল সম্ভবত এটিই। ফেসবুকে দলের নামে গ্রুপ ও পেজ সৃষ্টি, নিজস্ব ব্লগসাইটের মাধ্যমে অনলাইনেও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছে আইডিপি। সামহোয়ারইনে "মনসুর আহমদ" ও "আব্দুল্লাহ ঢািব" সরাসরি আইডিপিতে যোগদানের আহবান জানিয়ে পোস্টও দিয়েছে সম্প্রতি। ইন্টারনেটে 'Islamic Democratic Party(IDP) + Bangladesh' লিখে সার্চ দিলেই আইডিপি সংক্রান্ত খবর, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, গবেষণামূলক প্রতিবেদন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সংবলিত ভারত, আমেরিকাসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সংস্থার অসংখ্য লিংক পাওয়া যায়। বহুল আলোচিত এই দলের ইতিহাস, নাশকতামূলক কার্যক্রমে তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ ও এ ব্যাপারে তাদের বক্তব্য, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও বর্তমান অবস্থা, জনগণের নিকট জঙ্গিতৎপরতার অভিযোগে অভিযুক্ত এই দলের গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদি বিষয় পাঠকদের নিকট তোলে ধরার চেষ্টা করা হবে এই ধারাবাহিক অনুসন্ধানী পোস্টে।

আজ প্রথম পর্বে দেয়া হল আইডিপির পিতৃসংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর পরিচিতি, আইডিপি নেতৃবৃন্দের দাবী অনুযায়ী যে সংগঠনকে তারা ১৯৯৮ সালে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।

চলুন দেখা যাক কি ছিল এতে:



"হরকাতুল জিহাদ আলইসলামী বাংলাদেশ
পরিচিতি


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম আলহামদুলিল্লাহি ওয়া কাফা ওয়া সালামুন আলা ইবাদিহিল্লাযিনাস তোফা

হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ

ওমা লাকুম লা তুক্বাতিলুনা ফি সাবীলিল্লাহি ওয়াল মুসতাদ আফিনা মিনার রিজালি ওয়াননিসায়ি ওয়াল বিলদানিল্লাযিনা ইয়াক্বুলুনা রাব্বানা আখরিযনা সিন হাযিহিল ক্বারইয়াতিয যোয়ালিমি আহলুহা, ওয়াজআল্লানা মিল্লাদুনকা ওয়ালিইইয়াও ওয়াজআল্লানা মিল্লাদুনকা নাসিরা।

অর্থ: আর তোমাদের কি হয়েছে তোমরা জিহাদ করছ না আল্লাহর পথে দুর্বল সেই পুরুষ, অসহায় নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদরকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে অত্যাচারী। আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য কাউকে অভিভাবক কর এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।-(সূরা নিসা, আয়াত-৭৫)

সাধীনতাপ্রিয় বিপূল সংখ্যক মুসলিম জনতার মাতৃভূমি চির দুর্জয় মুক্ত স্বাধীন আফগানিস্তানে যেদিন সাম্রাজ্যবাদী কাফের শক্তি থাবা বিস্তার করে, ১৯৭৯-র ২৭ ডিসেম্বর যে আঁধার কালো রাতটিতে সে দেশের পবিত্র মাটিতে প্রবেশ করে নাস্তিক্যবাদী অভিশপ্ত রুশ শ্বেত ভল্লুকের দল, সোভিয়েত ইউনিয়নের খোদাদ্রোহী কমিউনিষ্টদের লেলিয়ে দেয়া দখলদার বাহিনী যখন আফগানিস্তানের নিরস্ত্র জনতার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হিংস্র হায়েনার মতো, আলেম সমাজ, ইমাম ও মুসুল্লী ছাড়াও নির্মমভাবে হত্যা করে পনের লক্ষাধিক নিষ্পাপ আফগান জনতাকে: মুসলিম আফগানের অসূর্যশ্পর্শা মা, বোন আর কুলবধুদের সম্ভ্রম নিয়ে মেতে উঠ তারা পাশবিকতার উন্মত্ত খেলায়, এমনি দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে জেগে উঠেন আফগান জনগণ, গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ান ঐতিহ্যবাহী বিপ্লবী আলেম সমাজ, শুরু হয় প্রতিরোধ লড়াই। সর্বগ্রাসী এক স্বাধীনতা সংগ্রামের আগুন-যুদ্ধে মেতে উঠে গোটা আফগানিস্তান।

এ প্রতিরোধ লড়াইয়ের চেতনাকে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে দিয়ে গোটা মুসলিম জাতির মনে শাহাদাতের পবিত্র নেশা পুনরায় জাগিয়ে তোলার মহান লক্ষ্যে ময়দানে বের হয়ে আসেন একদল সংগ্রামী আলেম। আল্লাহ তা'আলার চিরন্তন বিধান জিহাদের অপরিহার্যতার অনুভূতি পুনরায় উম্মতের হৃদয়ে জাগ্রত করার মানসে তাঁরা ঝাপিয়ে পড়েন কঠিন সাধনার এক দিগন্ত বিস্তৃত প্রান্তরে। সে সব মুজাহিদ আলেমদের শীর্ষস্থানে ছিলেন হযরত মাওলানা এরশাদ আহমাদ শহীদ(রাহ:), মাওলানা সাইফুল্লাহ আখতার, মাওলানা আব্দুস সামাদ সাইয়াল ও বাংলাদেশের কৃতি সন্তান শহীদ মাওলানা আব্দুর রহমান ফারুকী (রাহ:)


মাওলানা এরশাদ আহমাদকে আমীর মনোনীত করে ১৯৮০ সনে প্রতিষ্ঠিত হয় হয় বিশ্ব ইসলামী জিহাদ আনদোলন 'হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী আল-আলমী'। আফগান মুজাহিদদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগ্রাসী দখলদার বাহিনী এবং দেশীয় কমিউনিষ্ট সরকারের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর জানবাজ মুজাহিদগণ। পাশাপাশি মুসলিম জনসাধারণের মনে জিহাদী প্রেরণা জাগ্রত করে তোলার লক্ষ্যে শরু করেন ব্যাপক প্রচারাভিযান। মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকা আর স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁরা কাজ করতে থাকেন। আফগানিস্তান তথা বিশ্বজুড়ে মুসলিম জাতির বর্তমান দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরে ও পরিস্থিতির সম্মানজনক সমাধান খুঁজে পাওয়ার একক পন্থা হিসেবে তাঁরা উপস্থান করেন জিহাদের কর্মসূচী।

তাঁদের সেই বিপ্লবী আহবানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জিহাদপ্রিয় মানুষের সাথে সাথে বাংলাদেশের অসংখ্য উদ্যমী ছাত্র-যুবক-তরুণও সাড়া দেয়। ছাত্র, শিক্ষক, আলেম, হাফেজ ও সাধারণ মানুষ সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঝাপিয়ে পড়েন মযলুম আফগান মুসলমানদের আযাদীর সংগ্রামে। বাংলাদেশের মুজাহিদরা হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর পতাকাতলে সমবেত হয়ে যখন রণাঙ্গনে ঈমানের অগ্নি পরীক্ষা দিচ্ছিলেন, তখন তাদের উপর যাঁর সুযোগ্য ও গতিশীল নেতৃত্ব সার্বক্ষণিক ছায়া বিস্তার করে থাকতো, তিনিই হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশের সংগঠক শহীদ মাওলানা আব্দুর রহমান ফারুকী(রাহ:)। এ সংগঠনের অকুতোভয় মুজাহিদদের হাতেই ১৯৮৮ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের গণবিরোধী কমিউনিষ্ট সরকারের হৃদপিণ্ড, পাকতিকা প্রদেশের রাজধানী উরুগুন শত্রুমুক্ত হয়। বিজয় সূচিত হয় অসংখ্য রণক্ষেত্রে বিশেষত: আফগানিস্তানের সিংহদুয়ার বলে পরিচিত পূর্বাঞ্চলীয় গ্যারিসন শহর খোস্ত বিজয়ে হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর মুজাহিদ বাহিনীর অগ্রণী ভূমিকা আফগান জিহাদের ইতিহাসে সর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে। সম্মিলিত আফগান মুজাহিদ বাহিনীর কাঁধে কাঁধ রেখে হরকাতের উৎসর্গীকৃতপ্রাণ সৈনিকদের সাহসী অভিযাত্রায় শত্রুমুক্ত হয় অসংখ্য দুর্গ। বিজিত ঘাঁটি ও দুর্গের মধ্যে বাড়িয়ানা, নেক মুহম্মদের দুর্গ, ডিগবাই দুর্গ, আশরাফ দুর্গ, খবরী, শারানা, কেল্লা নাদের শাহ, লীজা, জালালাবাদের সমরখেল এবং কোবা পর্বতমালা উল্লেখযোগ্য। কাবুল, হিরাত, জালালাবাদ, গজনী, পারওয়ান, কুন্দুজ, পাঞ্চশের, ইমাম সাহেব, নংগরহার, কাটাওয়াজ, গারদেজ, শরবত, যারমাত. দুরগঢ় ও জাজীর ময়দান সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে সফল অভিযান চালিয়ে খোদাদ্রোহী দেশী ও বিদেশী অগণিত দুশমনকে মৃত্যূমুখে ঠেলে দিয়েছে আমাদের মুজাহিদরা। অসংখ্য কমিউনিষ্ট সেনা ও তাদের দোসরদের করেছেন বন্দী। সীমাহীন ত্যাগ আর বহুবিধ কুরবানীর চড়া মূল্যে খরিদ করেছে চির দুর্জয় আফগান মাটির পূর্ণ আজাদী। ১৯৮৯ সালে শহীদ কমাণ্ডার আব্দুর রহমান ফারুকী(রাহ:) এর হাতে রোপনকৃত বীজ আজ পত্র-পল্লবে বিকশিত হয়ে এ দেশের জিহাদপ্রিয় মুসলমানদের প্রাণপ্রিয় সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তাঁর শাহাদাতের পর আফগান রণাঙ্গনের শক্ত মাটিতে খাক ও খুনের মাঝে, সাহসী লড়াইয়ে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী তাঁর অন্যতম সহকর্মী মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, মুফতী আব্দুল হাই, শহীদ মনজুর হাসান(রাহ:) এবং মুফতী শফিকুর রহমান প্রমূখ অদম্য উদ্দীপনা আর নি:সীম আবেগাপ্লুত হৃদয় নিয়ে এ দেশে হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর ঝাণ্ডাকে উড্ডীন করে রেখেছেন। তাদের সুযোগ্য নেতৃত্বে এ সংগঠনের সোনালী অগ্রযাত্রা দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে, রচিত হচ্ছে সাফল্যের নতুন নতুন দিগন্ত।


১৯৮৯ সালে খোস্ত নগরীর উপকণ্ঠে লিজা নামক স্থানে মাইন অপসারণকালে শাহাদাত বরণ করেন বাংলাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একজন, আমাদের নেতা, আমাদের ভাই শহীদ আব্দুর রহমান ফারুকী(রাহ:)। তাঁর শাহাদাতের মধ্যে নওজোয়ানদের জন্য রয়েছে এক মহান আদর্শ। তাঁর আত্মদান সূচনা করেছে ইসলামী দাওয়া ও রেনেসার ইতিহাসে স্বর্ণোজ্জল অধ্যায়ের। বহন করেছে ইসলামের অত্যুজ্জল ভবিষ্যতের সুসংবাদ। ( আল্লাহ তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন ও জান্নাতে স্থান দান করুন)

একে একে আরো ৩২ জন বাংলাদেশী আলেম শাহাদাতের রক্ত দিয়ে সিঞ্চিত করেন আফগান রণাঙ্গনে ইসলামী শক্তির বিজয় কানন। আহত ও পঙ্গু হয়ে বেঁচে রয়েছেন আরো অসংখ্য মুজাহিদ। এ ছাড়া বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন রণাঙ্গনে জিহাদরত আছেন হরকাতের হাজারো সদস্য, শুধু নিজেরাই নয় বরং গোটা মুসলিম জাতিকে টেনে নিতে চায় সেই পিছনে ফেলে আসা জিহাদের ময়দানে। শুধু আফগানে নয়, জিহাদী কার্যক্রম পরিচালিত করতে চায় পূর্ব থেকে পশ্চিমে। একে একে মুক্ত করতে চায় মুসলমানদের হৃত সাম্রাজ্যের খন্ডিত অংশগুলো। আবার বিজয় পতাকা উড্ডীন করতে আরাকান, চেচনিয়া, কাশ্মীর, ফিলিস্তিন সহ গোটা পৃথিবীর মযলুম মুসলমানদের প্রতিটি আবাসস্থলে। হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশের এটাই স্বপ্ন। এই তার সাধনা।


হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী আদর্শ, উদ্দেশ্য ও চিন্তাধারা:

আমাদের বিশ্বাস:
০১. আল্লাহ আমাদের রব, ইসলাম আমাদের ধর্ম ও জীবনাদর্শ, মুহাম্মদ (সা:) আমাদের আখেরী নবী ও পথপ্রদর্শক, কুরআন আমাদের কিতাব, কা'বা আমাদের কিবলাহ, সাহাবায়ে কিরাম(রাদিআল্লাহু আনহুম) আমাদের অনুসরণীয়, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত হক ও সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত, শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) এর শিক্ষা আমাদের চেতনা, সাইয়্যেদ আহমাদ শহীদ(রাহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর জীবন চরিত আমাদের জীবনের প্রেরণা, সত্য ও ন্যায়ের পথে শাহাদাত বরণ আমাদের মূল লক্ষ্য।

আমাদের উদ্দেশ্য:
হুওয়াল্লাযী আরসালা রাসূলাহু বিল হুদা ওয়া দীনিল হাক্কি লিইউযহিরাহু আলাদ্দীনি কুল্লিহি ওয়ালাও কারিহাল মুশরিকুন।

২. এ আয়াতের প্রেক্ষিতে বিশ্বময় ইসলামকে সামগ্রীকভাবে প্রতিষ্ঠিত করাই এ সংগঠনের উদ্দেশ্য।
৩. আমরা দাওয়াত ও জিহাদের মাধ্যমে ইসলামী পুনর্জাগরণ এবং মুসলমানদের হৃত সম্মান ও শক্তি পুনরুদ্ধারে সংকল্পবদ্ধ।

লক্ষ্য ও চিন্তাধারা:

৪. আমরা মুসলিম বিশ্বকে প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের আগ্রাসন থেকে মুক্ত করে একটি স্বাধীন, একক মুসলিম শক্তি গঠনে বাস্তব ও কার্যকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো।

৫. এ সংগঠনের সকল কার্যক্রম ইসলাম অনুমোদিত সীমারেখার মধ্যে সীমিত থাকবে, কোন প্রকার অনৈসলামিক চিন্তাধারা ও পদ্ধতির সাথে এর সংযোগ ও সাযুজ্য থাকবে না।
৬. ওয়া আয়িদ্দু লাহুম মাসতাতোয়া'তুম মিন কুওয়াহ(সুরা আনফাল, আয়াত:৬০)
এ আয়াতের দৃষ্টিতে সর্বদা জিহাদের জন্য প্রস্তুত থাকা অপরিহার্য। এজন্য এমন মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা যা ভবিষ্যত বংশধরদেরকে নির্ভিক দেশপ্রেমিক ও ত্যাগী মুজাহিদ রুপে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

৭. আমরা প্রতিটি মুসলিম দেশের জন্য 'সেকেন্ড ডিফেন্স লাইন' বা দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে কাজ করে যাবো।

৮. আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষান্ত হব না, যতক্ষণ পর্যন্ত সকল মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা জালিম দখলদারদের কব্জা থেকে মুক্ত না হবে এবং ইসলামের চুড়ান্ত বিজয় সূচিত না হবে।

৯. পৃথিবীতে আল্লাহ তা'আলা কতৃক প্রদত্ত ও প্রতিষ্ঠিত পবিত্র বৈশিষ্ট্য ও নিদর্শনগুলোর অস্তিত্ব ও পবিত্রতা যে কোন মূল্যে আমরা অক্ষুণ্ণ রাখব।

১০. ইসলামই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন-বিধান, যার মধ্যে রয়েছে আমাদের জীবনের যাবতীয় সমস্যার সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাধান এবং সামাজিক ইনসাফ ও সাম্যের উজ্জল নমুনা।




হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ-এর বিভিন্ন কার্যক্রম:

এ আন্দোলনের কার্যক্রম মৌলিকভাবে দু'টি শাখায় বিভক্ত। যথা: ০১. জিহাদ ০২. দাওয়াত ও ইরশাদ


জিহাদ: এটি হচ্ছে এ সংগঠনের প্রত্যক্ষ জিহাদের শাখা।

(ক) আন্দোলনের কর্মসূচী অনুযায়ী যে সব স্থানে ইসলামী জিহাদ সংঘটিত হচ্ছে বা মুসলিম জাতি স্বীয় ধর্ম ও ঈমানের হিফাজতের তাগিদে লড়াই করে চলেছেন এবং তাঁদের যে কোন ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা প্রকট হয়ে উঠবে-এ আন্দোলন শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ইসলামী ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের তাগিদে, শরীয়তের গুরু দায়িত্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে ঐ সকল মুজাহিদদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জিহাদে অংশগ্রহণ করবে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ।

(খ)এ শাখার অধীনে জিহাদের বাস্তব প্রশিক্ষণের নিমিত্তে কেন্দ্র স্থাপন এবং যাবতীয় আসবাবপত্রের আশু ব্যবস্থা করার দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

দাওয়াত ও ইরশাদ:

এ শাখাটি হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মনস্তাত্বিক জিহাদের শাখা। এ শাখার দায়িত্ব হল:
* ইসলামের শত্রুদের পক্ষ থেকে ইসলাম বিরোধী, ধর্মহীনতা ও নাস্তিকতামূলক আক্রমণের মুকাবিলায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এ উদ্দেশ্যে সফলতা অর্জনে এবং চিন্তার বিকাশকল্পে লিফলেট, পুস্তিকা ও গ্রন্থাদি রচনা করে সেগুলো প্রচারের ব্যবস্থা করা।

* মুসলিম সমাজে জিহাদের প্রেরণা সৃষ্টি করা এবং জিহাদে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রচারাভিযান চালানো এবং এ উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান, সেমিনার ও সম্মেলনের আয়োজন করা।

* প্রত্যেক ভুখণ্ডে মুসলিম নওজোয়ানদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে তাদের এই পদ্ধতিতে শিক্ষা ও দীক্ষা দানের ব্যবস্থা করা যাতে তাদের জীবন রাসূলে কারীম(সা)-এর মহান আদর্শে ও সাহাবাগণের(রা) জীবনের আলোকে গড়ে উঠে এবং দীনের জন্য সব রকমের ত্যাগ স্বীকার করতে সদা প্রস্তুত থাকে।

*এমন ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তৈরি করা এবং মাদ্রাসা ও কেন্দ্র স্থাপন করা যেখান থেকে যুবকগণ দীনের সঠিক জ্ঞান, জিহাদের জযবা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের শত্রুদের মুকাবিলা করার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জনে সক্ষম হয়।


মযলুম ও সংখ্যালঘু মুসলিম জনসাধারণের সার্বিক কল্যাণের লক্ষ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক তৎপরতা অব্যাহত রাখা এবং তাদেরকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা।

জনসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অনাথ, বিধবা, মুহাজির, শহীদ পরিবার এবং অসহায় মুসলমানদের সাহায্য করা। বিশেষত: ইসলামের শত্রুদের মুকাবিলায় সশস্ত্র জিহাদের অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদের জন্য রসদ, খাদ্য, পোষাক, তাঁবু, ঔষধ-পত্র এবং অন্যান্য জরুরী আসবাবপত্র সরবরাহ করার জন্য দ্বীন দরদী নিষ্ঠাবান লোকদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করত: তাদের নিকট তা পৌঁছিয়ে দেয়া।

হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর বিশ্বব্যাপী কর্মসূচী এই যে, হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বিশ্বকে ইসলামী ভ্রাতৃত্বের মজবুত বন্ধনে আবদ্ধ করে শত্রুদের মুকাবিলায় সীসাঢালা প্রাচীরসম দুর্গ গড়ে তুলবে।
হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর সকল বিষয় ইসলামী মাশওয়ারার নীতি অনুসারে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। মুসলিম উম্মাহর জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বেলায় অন্যান্য বিজ্ঞ উলামায়ে কিরাম ও মুফতীগণের সাহায্য নেয়া হয়ে থাকে।


* হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীতে নিবেদিতপ্রাণ এমন একদল লোক রয়েছেন, যাঁরা তাঁদের গোটা জীবন জিহাদের জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছেন। তাঁদের জীবন নির্বাহের ব্যয়ভার সংগঠন বহন করে থাকে। এই সংহঠন বহু আন্তর্জাতিক ইসলামী সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞ পীর-মাশায়িখ ও আলিমগণের পৃষ্ঠপোষকতা সাদরে গ্রহণ করে থাকে। এ আন্দোলন আরব বিশ্বসহ বহু দেশের ইসলামী চিন্তাবিদগণের আন্তরিক সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতা পেয়ে আসছে।

হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় নিবেদিত দেশ ও বিদেশের শীর্ষস্থানীয় আলিম-বুদ্ধিজিবীগণের অভিমত:

মাওলানা ওবায়দুল হক(র)
খতীব, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ:
হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী এমন একটি যুবকদের সংগঠন, যারা ইসলামের জন্য জীবন উৎসর্গ দানে এবং সারা বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের সাহায্যে সদা প্রস্তুত। বর্তমানে আরাকানের মজলুম মুসলমানদের সহযোগিতায় এদের তৎপরতা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য্ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ও সংগঠনকে সার্বিক সহযোগিতা করা আমি অত্যন্ত জরুরী মনে করি। আমি আশা করি, আমার এই আহবানে সাড়া দিয়ে সকলে এই সংগঠনের সহযোগিতায় নির্দ্বিধায় এগিয়ে আসবেন।



বিশ্ব বিখ্যাত ইসলামী বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী চট্টগ্রাম-এর মুহতামিম হযরত মাওলানা আহমাদ শফী:
হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বিগত আট বৎসর যাবত উম্মাতে মুহাম্মাদীয়ার উপর অর্পিত জিহাদের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি এই সংস্থাকে আন্তরিকভাবে সমর্থন করি। বাইতুল মুকাদ্দাস, কাশ্মীর, বার্মা ও ফিলিপাইনসহ বিশ্বের মুসলমানদের পবিত্র স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলি ও নির্যাতিত মুসলমানদেরকে জালিমের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর পতাকা তলে সমবেত হওয়া প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য।

আমি সর্বস্তরের মুসলমানদেরকে সার্বিকভাবে এই সংগঠনকে সহযোগিতা করার আহবান জানাচ্ছি এবং দুয়া করি, আল্লাহ পাক যেন এই সংগঠনের উপর তাঁর গায়েবী মদদের হাত সর্বদা সম্প্রসারিত রাখেন।


বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মহাপরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ হারুন ইসলামাবাদী:
হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ এদেশের প্রখ্যাত পীর মাশায়িখ ও আলিমগণের সুপরামর্শে পরিচালিত একটি দাওয়াতী ও জিহাদী সংগঠন। মজলুম মুসলমানদের সংকট সমাধান ও জিহাদের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দ্বীন প্রতিষ্ঠা এ সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মজলুম মুসলমানদের মুক্তির জন্য এ সংগঠনের অসংখ্য জানবাজ মুজাহিদ জিহাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আরাকান, কাশ্মীর, তাজিকিস্তান, চেচনিয়াসহ বিভিন্ন রক্তাক্ত এলাকা এসব মুজাহিদদের পদচারণায় মুখরিত, জুলুমের ধ্বজাধারীরা এদের নামে প্রকম্পিত।

সাম্রাজ্যবাদী ও ইসলাম বিদ্বেষী বিশ্ব চক্রের চক্রান্ত থেকে মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এ সংগঠনের কর্মীরা বিভিন্ন প্রচার কর্ম এবং বুদ্ধিবৃত্তিক জিহাদেও জোর কদমে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি এ সংগঠনের কর্মতৎপরতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত এবং এ কর্মতৎপরতাকে মুসলিম বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। সাথে সাথে সর্বান্তকরণে এ সংগঠনের কর্মসূচীকে সমর্থন করি এবং সর্বস্তরের মুসলমানদের একে সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা করার আহবান জানাচ্ছি।


উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত শাইখুল হাদীছ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আজীজুল হক:
এই সংস্থাটির নামই ইহার কার্যধারাকে প্রকাশ করিয়া দেয়। এই কার্যধারা যে ইসলামের একটি ফরজ তাহা প্রমাণিত। এই ফরজ কেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে- তাহাও হাদীস শরীফে স্পষ্টরুপে উল্লেখ রহিয়াছে।

এই ফরজের আন্দোলনে ও প্রশিক্ষণে সংস্থাটি অত্যন্ত ইখলাস ও দিয়ানতদারীর সহিত নজীরবিহীন কুরবানী দিয়া যাইতেছে। সরেজমীনে স্বচক্ষে দেখিয়া এবং ভালভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া আমি এই অভিমত প্রকাশ করিলাম। এই আন্দোলন আল্লাহ সফল করুন এবং ইহার কর্মীদেরকে ইখলাসের নেয়ামতের উপরে স্থায়ী রাখুন। আমীন, ছুম্মা আমীন।


বাংলাদেশের শ্রষ্ঠ ইসলামী ব্যক্তিত্ব চরমোনাইর পীর হযরত মাওলানা মুহাম্মদ সৈয়দ ফজলুল করিম:
"হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ"-এই দেশের প্রখ্যাত পীর-মাশায়িখ ও আলিমগণের সুপরামর্শে পরিচালিত একটি সংগঠন। এই সংগঠন নির্যাতিত মজলুম মুসলমানদেরকে জালিমের কবল থেকে মুক্ত করার কাজে সর্বশক্তি নিয়োগ করিতেছে। আমি এই সংগঠনকে ভালভাবে জানি এবং সমর্থন করি। দেশের হক্কানী ওলামা ও তালেবে-ইলমদেরকে এবং সর্বস্তরের জনগণকে এই কাজের সহযোগিতা করার জন্য আহবান জানাইতেছি।


সুবিখ্যাত বুজুর্গ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল করিম( শায়খে কৌড়িয়া-সিলেট):
পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে মুসলমানদের উপর অর্পিত জিহাদের মত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ একটি ব্যতিক্রমধর্মী সংগঠন। ইহার সাথে আমি সার্বিকভাবে সম্পৃক্ত।

সমস্ত মুসলমানদের নিকট আমার আবেদন, বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের এই দুর্দিনে জান ও মাল দ্বারা আপন ফরজিয়াত আদায়ের জন্য এই সংগঠনের পতাকা তলে সমবেত হওয়ার ব্যাপারে কেহ অনীহা প্রকাশ না করি-যাহা আমাদের পরকালে আল্লাহর বড় নেয়ামত থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। আল্লাহ এ কাজে সবাইকে সহযোগিতা করার তৌফিক দান করুন।


দারুল উলুম খাদেমুল ইসলাম গরহরডাঙ্গার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান:
‘হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ’ মজলুম ও নির্যাতিত মুসলমানদের পাশে জান-মাল তথা সর্বস্ব নিয়ে দাঁড়াবার সংগঠন। এই জামাতে যোগদান করা, ইহার সাহায্য সহযোগিতা করা আমি অত্যন্ত জরুরী মনে করি।

আল্লাহ পাক এই জামাতকে কবুল করে নিন ও কামিয়াবী দান করুন এবং ইহার কর্মীদেরকে ইখলাসের নেয়ামতের উপর স্থায়ী রাখুন।


মুফতী মুহাম্মদ ইযহারুল ইসলাম
মুহতামিম, জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া,
লালখান বাজার, চট্টগ্রাম:
হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী ইসলামী দাওয়াত ও জিহাদের পতাকাবাহী একটি সহীহ দ্বীনি সংগঠন। এ সংগঠন কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মৃতপ্রায় ইসলামী ফরীজা-জিহাদী কার্যক্রম নিয়ে অগ্রসর হয়েছে। আমি নিজেও এ সংগঠনের বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজে জড়িত আছি। আমি এ সংগঠনের পরিপূর্ণ কামিয়াবী কামনা করি। এর সাথে সকল মুসলিমের নিকট সঠিক সহযোগিতা সহ স্বশরীরে এ সংগঠনের পতাকা তলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।



প্রখ্যাত আলিম আরবী সাহিত্যিক সম্পাদক ও দারুল মাআরিফের পরিচালক মাওলানা সুলতান যওক নদভী, চট্টগ্রাম:
আমি হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী”র লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সম্পর্কে পরিজ্ঞাত। এ সংস্থার মুজাহিদরা আফগান জিহাদে যে অনন্য সাধারণ অবদান রেখেছেন, তা মুসলিম বিশ্বের প্রশংসা অর্জনে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের মধ্যে অনেকে শাহাদাতের মহান সৌভাগ্যে ধন্য হয়েছেন। সর্বজন বিদিত যে, এ পবিত্র জিহাদে বাংলাদেশী যুবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা ছিল।

বর্তমান “হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ” এর মুজাহিদরা, যারা আফগান জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তারা আরাকানের মজলুম মুসলমানদের পাশে দাড়ানোর জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, যেখানে সংখ্যালঘু মুসলমানরা বার্মার সামরিক বিভিন্ন অত্যাচার-নিপীড়নের ষ্টীম রোলারে নিষ্পেষিত হচ্ছে। এমনকি এ জালিম সরকার এদের নাগরিক অধিকারেও বিশ্বাসী নয় এবং সবসময় স্বদেশ পরিত্যাগে বাধ্য করছে। এই মজলুম মুসলমানদের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসা সকল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নাগরিকদের উপর ফরজ এবং পুরো মুসলিম বিশ্বের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব।
আমি মনে করি, হরকতের মুজাহিদদের এ পদক্ষেপ বাস্তবমুখী ও সময়োপযোগী এবং গোটা মুসলিম বিশ্ব ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য-সহযোগিতার দাবীদার।

আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে ইসলাম ও মুসলমানদের কল্যাণার্থে এগিয়ে আসার তাওফীক দান করুন। আমীন।



যশোরের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস মরহুম হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাসান ( রাহ: ):
হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ এই সংগঠনের বেশী প্রয়োজন। এছাড়া বর্তমান যুগে ইসলামকে জীবন্ত করে রাখার অন্য কোন পথ এখন বুঝে আসছে না। এদেশে বাতিল দলগুলি ক্রমেই তাদের সংগঠনকে এত মজবুত করে তুলছে যে, তাদের মুকাবিলায় এই ধরনের জিহাদী সংগঠন অতীব প্রয়োজন। আমাদের বাংলাদেশের বহু যুবক-মুজাহিদ আফগানিস্তানের জিহাদে শাহাদাত বরণ করেছেন। আমার ছোট ছেলে মুহাম্মদ নুরুল করিমও আফগান জিহাদে শাহাদাত বরণ করেছে। আল্লাহ তাআলার হাজার শোকর যে, খোস্ত ক্যান্টনমেন্টে মাইন তুলতে গিয়ে স্নেহের মুহাম্মদ নুরুল করিম শহীদ হলো; সেই খোস্ত ক্যান্টনমেন্ট এখন আফগান মুজাহিদীনদের পূর্ণ কব্জায় এসে গিয়েছে। সকলের খেদমতে বিশেষ করে আলিমদের খেদমতে আমার আকুল আবেদন এই যে, তাঁরা যেন এই সংগঠনকে সার্বিক সহযোগিতা করেন এবং এই সংগঠনকে আগে বাড়িয়ে নেবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন।



উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র কাসেমুল উলুম জামীল মাদ্রাসার মুহতামিম
মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ নিজামী:
“হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ”-এই নাম থেকেই এই সংস্থার পরিচয় সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সারা বিশ্বে বিশেষ করে বাংলাদেশে ইসলাম আজ যে অবস্থায় নিপতিত হয়েছে এবং মুসলমানগণ আজ বাতিল শক্তি দ্বারা যেভাবে নির্যাতি- নিপীড়িত হচ্ছে,তাতে এ ধরনের একটি সংগঠনের অতীব প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

সমস্ত মুসলমানের উচিত, জান-মাল দিয়ে সর্বাত্মকভাবে এই সংস্থাকে সাহায্য করা। আল্লাহ পাক এই সংস্থাকে কবুল করুন ও কামিয়াবী দান করুন।



আফগানিস্তানের হিজবে ইসলামী ( ইউনুস খালেস)-র চীফ কমাণ্ডার মাওলানা জালালুদ্দীন হক্কানী:
আমি এই মর্মে স্বীকৃতি প্রদান করছি যে, 'হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ' একটি ইসলামী সংগঠন। এর কর্মসূচী হলো, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা এবং ইসলামের দাওয়াত প্রদান। এ সংগঠন খোদাদ্রোহী রুশ কমিউনিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে আফগানীদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জিহাদ করেছে। তাদের মুজাহিদ বাহিনীর রয়েছে হাজার হাজার সদস্য। এ সংগঠন বর্তমানে আরাকানে জিহাদরত রয়েছে। আল্লাহপাক তাদের এ প্রচেষ্টা কবুল করুন। এই সংগঠন আমার নিকট অত্যন্ত বিশ্বস্ত। আমি হরকাতের প্রতি সকলকে সাহায্যের হস্ত প্রসারিত করার আহবান জানাচ্ছি।


পাকিস্তানের প্রধান মুফতী মাওলানা ওলী হাসান:
হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী আফগানিস্তানের জিহাদে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। আমি তাদের সমর্থন করি। আল্লাহ তাআলা তাদের সঠিক সাহায্য করুন।



পাকিস্তানের শরীয়া আদালতের বিচারপতি জনাব মাওলানা তকী উসমানী:
আমি হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামীর মুজাহিদসুলভ উৎসাহ সম্পর্কে ভালভাবে অবগত। এটি ছাত্র-যুবক ও আলিমদের সংগঠন। হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী ঐ সকল সংগঠনের সাহায্যে এগিয়ে আসতে প্রস্তুত, যারা ইখলাসের সাথে উম্মতে মুহাম্মাদী (সা:) এর ইসলাহে বা সঠিক পথে পরিচালনা ও বাহ্যিক পতন রোধ করার জন্য কুরআন, সুন্নাহ ও মহান পূর্বসূরীদের পথকে আঁকড়ে ধরে কর্মরত আছে।

আসুন, ইসলামের পুনর্জাগরণ তথা বিশ্বের নিপীড়িত মুসলমানদের সাহায্যার্থে হরকাতের আহবানে সাড়া দিই।



পবিত্র হেরেম শরীফের শাইখুল হাদীস আল্লামা আব্দুল হাফিজ মক্কী:
"হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশ" একটি দাওয়াতী ও জিহাদী সংগঠন। মজলুম মুসলমানদের সংকট সমাধানের লক্ষ্যে তারা বিভিন্ন রণাঙ্গনে জিহাদী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আরাকান, কাশ্মীর, তাজিকিস্তান, চেচনিয়া সহ বিভিন্ন রণাঙ্গনে এ সংগঠনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুজাহিদ রয়েছে। তাদেরই নেতৃত্বে আরাকানে জিহাদ পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সফরের প্রাক্কালে আমি তাদের তৎপরতা স্বচক্ষে পরিদর্শন করি। জিহাদী তৎপরতার সাথে সাথে তারা এতিম, বিধবা ও শহীদ পরিবারের জন্য সেবামূলক কার্যক্রমও গ্রহণ করেছে। আমি তাদের ব্যাপক সফলতা কামনা করি।


আমি বিশ্ব মুসলিমের নিকট এ সংগঠনকে সার্বিকভাবে সহায়তা করার জন্য উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।


আহবান

আসুন এ মহান উদ্দেশ্যাবলী বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইসলামের পূনর্জাগরণ তথা মুসলিম জাতির সার্বিক মুক্তি ও কল্যাণের লক্ষ্যে, ইসলামের শত্রুদেরকে নির্মূল করনার্থে, মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা বাইতুল মুকাদ্দাসসহ হৃত ভূখণ্ডসমূহ এবং নির্যাতিত মুসলমানদেরকে জালিম কাফেরদের কবল থেকে মুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশের পতাকাতলে সমবেত হই এবং দ্বীনের জন্য আত্মোৎসর্গকারী মুসলমানদের কাতারে সামিল হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করি। আল্লাহ পাক এ মহান দায়িত্ব পালনে আমাদের সবাইকে তাওফীক দান করুন।


আমীন
অমা আলাইনা ইল্লাল বালাগ।


(জিহাদের এই ঝাণ্ডা আমরা চিরদিন উঁচু রাখবো
চির মুজাহিদ সৈনিক মোরা অতন্দ্র নিশি জাগবো)



পরিশিষ্ট:

আফগান জিহাদে বাংলাদেশী শহীদান

নাম: জিলা:
০১. শহীদ কমাণ্ডার আব্দুর রহমান ফারুকী যশোর
০২. শহীদ মাওলানা নুরুল ইসলাম যশোর
০৩. শহীদ হাফেজ মতিউর রহমান গাজীপুর
০৪. শহীদ হাফেজ আব্দুল মোমেন মোমেনশাহী
০৫. শহীদ মাওলানা কামরুজ্জামান যশোর
০৬. শহীদ মাওলানা রায়হান উদ্দীন গাজীপুর
০৭. শহীদ মাওলানা শেখ ইসমাইল গাজীপুর
০৮. শহীদ মাওলানা আব্দুল মতিন ফরিদপুর
০৯. শহীদ বদরুল আলম ফরিদপুর
১০. শহীদ হাফেজ রহমতুল্লাহ ঢাকা
১১. শহীদ মাওলানা আব্দুল হামীদ মোমেনশাহী
১২. শহীদ সাইফুল্লাহ বরিশাল
১৩. শহীদ মোশাররফ হুসাইন কুমিল্লা
১৪. শহীদ রবিউল্লাহ ঢাকা
১৫. শহীদ প্রফেসর রফিকুল্লাহ নোয়াখালী
১৬. শহীদ সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী নোয়াখালী
১৭. শহীদ মুফতী ওবায়দুল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া
১৮. শহীদ নুরুল ইসলাম হুগলী
১৯. শহীদ মোহাম্মদ ফারুক খুলনা
২০. শহীদ আব্দুল্লাহ খুলনা
২১. শহীদ নুরুল ইসলাম বগুড়া
২২. শহীদ ফয়জুল্লাহ নোয়াখালী
২৩. শহীদ আব্দুল গফুর চট্টগ্রাম
২৪. শহীদ মোহাম্মদ আলী বরিশাল
২৫. শহীদ মাওলানা শাহজাহান চট্টগ্রাম
২৬. শহীদ হাফেজ মাওলানা নাছির জামাল খুলনা
২৭. শহীদ সাখাওয়াত কুষ্টিয়া
২৮. শহীদ আবু খালেদ যশোর
২৯. শহীদ আব্দুল কবির চট্টগ্রাম
৩০. শহীদ আব্দুর রহমান হবিগণ্জ
৩১. শহীদ আব্দুল হাসেম আরাকান
৩২. শহীদ শামছুজ্জোহা নোয়াখালী
৩৩. শহীদ ছফিউল্লাহ হবিগণ্জ


কাশ্মীর জিহাদে বাংলাদেশী শহীদান:
শহীদ কমাণ্ডার মনজুর হাসান পিরোজপুর


আফগান জিহাদে হাত, পা, চক্ষুসহ বিভিন্ন অংগ প্রত্যঙ্গ আল্লাহর রাস্তায় উৎসর্গকারী অসংখ্য বাংলাদেশী মুজাহিদীনদের মধ্যে ১৬ জনের তালিকা:
নাম: জিলা:
০১. মাওলানা সাইদুর রহমান ফেনী
০২. এনায়েতুর রহমান পটুয়াখালী
০৩. সাইফুল্লাহ(বাবাজী) ফরিদপুর
০৪. আব
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×