টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো যারা পেপারপত্রিকা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের কারো অজানা থাকার কথা না। কয়েকদিন আগেও দেশের শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলোয় এই নিয়ে অনেক খবর ছাপা হয়েছে। সম্পাদকীয়তে বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন। এর ক্ষতিকারক দিক গুলো তুলে ধরেছেন। এর সমাধান বা দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। যখন এর ক্ষতির দিক গুলো জানলাম,একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমার মনেও টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে এক ধরনের বিতৃষ্ণা জন্মে।
আমি সাংবাদিক নই কিংবা কোন বিশেষজ্ঞও নই। আমার সাধারন চোখ যা দেখছে তাই তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বিগত কয়েক দিনের প্রথম আলোর কার্যকলাপ সন্ধেহজনক,টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে খবর আসে শেষের পাতায়। তেমন কোন আশার কথা সেখানে থাকে না। সরকারের লোকজন যেন ঠিক ভারত যা চাইছে তাই বলছে। টিপাইমুখ বাঁধ হবেই বিষয়টা তাঁরা মেনে নিয়েছে।
কিন্তু এত দিনের প্রতিবাদ,গবেষণা আর এর উপর লিখালিখি গুলো কি সব বিফলে যাবে? প্রথম আলোর কণ্ঠস্বর কি সরকার বন্ধ করেছে নাকি এরাও সরকারের মতই ভারতের প্রতি দুর্বল? আমরা কি আরও একটা ফারাক্কার মুখোমুখি হতে চলেছি? আরও একটা ফারাক্কা চাই না। টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ হোক।
শ্রদ্ধেয় ব্লগাররা এগিয়ে আসুন। আমারদের কি কিছুই করার নাই? চোখ বন্ধ করে কি সব কিছু মেনে নিতে হবে?
আমি নতুন ব্লগার। লিখার অভ্যাস আমার খুবই কম। কিন্তু দুইটা বাক্য না লিখে পারলাম না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


