somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জামদানীর জন্য সমবেদনা......!!

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শাড়ি... সকল বাঙালি নারীর প্রথম ও প্রধান পছন্দের পোশাক খুব স্বাভাবিক ভাবেই। তাতে শাড়ি কেউ পড়ুক বা নাই পড়ুক। কেউ কিনে সুখ পায়, কেউ পড়ে আর সেজেগুজে, কেউ-কেউ আবার শাড়ি কিনে জমিয়ে দেখে-দেখে আত্নসুখে বিলীন হয়! আর আজকাল কেউ কেউ শাড়ি কিনে আর তার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেই আনন্দে আত্নহারা হয়! এসব ছাড়াও শাড়িতে একজনকে যতটা সুন্দর লাগে, আর কোন পোশাকেই অতটা সুন্দর কাউকে লাগেনা, অন্তত আমাদের বাঙালিদের কাছে তো নয়ই।

ঋতু এমনই একজন সাধারণ বাঙালি মেয়ে। শাড়ি ও সাঁজ যার প্রথম পছন্দ। না কাউকে দেখানোর জন্য বা কারো আকর্ষণের জন্য সে সাঁজ বা শাড়ি পড়েনা। শাড়ি ও সাঁজ তার একান্ত ভালোলাগা, ভালোথাকা আর নিজের জন্য নিজের অনুপ্রেরণার উৎস। ওর নিজের কাছে নিজের ভালো লাগে, এসব করতে, এভাবে থাকতে আর নিজের কাছে নিজেকে সুন্দর রাখতে। আর দেশে প্রচলিত সকল শাড়ির মধ্যে তার প্রথম ও প্রধান পছন্দ জামদানী। রঙ-বেরঙের জামদানী সংগ্রহ তার ভীষণ সখ! বিশেষ করে অফ হোয়াইট জামদানী তার বিশেষ পছন্দর।

কিন্তু ঋতুর এই শাড়ি, সাঁজ, নিজেকে সুন্দর করে রাখা ও থাকাটা তার পরিবারের কাছে খুব একটা সমর্থন পায়নি কখনো। কারণ সেই হাজার বছর পুরনো রক্ষণশীল মানসিকতা, ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গী, সামাজিক অসঙ্গতি আর সর্বোপরি যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখার আপ্রাণ প্রয়াস। যেটা সকল মেয়ের বাবা-মায়েরই শত বছরের পুরনো রেওয়াজ। আর ঋতু ডাকসাইটে সুন্দরী না হলেও, অসুন্দর নয় মোটেই! বেশ আকর্ষণীয় কিছু একটা আছে ওর মধ্যে, যে কারণে খুব সহজেই বিপরীত লিঙ্গ তো আছেই সম লিঙ্গের মানুষজনও ওর প্রতি আকর্ষিত হয়! তাই শাড়ি ও সাঁজের প্রতি পরিবারের বাঁধাটা আরও বেশী করে পায় ঋতু!

এ নিয়ে ঋতুর মনে তেমন কোন আক্ষেপ নেই। কারণ ও জানে এবং বোঝে যে ওর পরিবার ওর এবং পরিবারের মঙ্গলের কথা চিন্তা করেই এই বাঁধাটুকু দিয়ে থাকে। এ ছাড়া, পড়াশুনা, বন্ধু-বান্ধব, সিনেমা দেখা, আড্ডা, বান্ধবীদের বাসায় যাওয়া, ওর বাসায় দুই-একজন বন্ধু বান্ধবের আসা-যাওয়ায় কখনো কোন বাঁধা ছিলনা আর নেইও। কারণ ওর বাবা-মা অতটা রক্ষণশীল নয়, বেশ কিছুটা আধুনিকতার ছাপ তাদের আছে। শিক্ষিত ও চাকুরীজীবী হওয়ার কারণে। এই কারণে সবদিক ভেবে ঋতু তার শাড়ি ও সাঁজের বাঁধা নিয়ে তেমন একটা মন খারাপ করেনা।

তবে যখনই একটু সুযোগ পায়, মানে বাবা-মা অফিসের কাজে বাইরে কোথাও গেছে দুই-একদিনের জন্য। বা ওদের সকল ভাইবোনদের রেখে কোন আত্মীয়র বাড়িতে গেছে, ব্যাস এইবার ঋতুকে আর পায় কে! সে সাঁজে, শাড়ি পড়ে, গান গায়, কখনো-সখনো পায়ে ঘুঙুরও লাগায়! পায়ে আলতা, নখে নেইল পলিশ, হাতে মেহেদী, কপালে টিপ! বেশ বড়-সড় কালো বা লাল। অথবা ম্যাচিং করে শাড়ির সাথে।

ঋতু এবার ঋতুর নিজস্ব পৃথিবীটা সাঁজায় একেবারেই নিজের মত করে। আনন্দে হাসে, সুখে ভাসে আর কোন এক অজানা সঙ্গীর কল্পনায় ছবি আঁকে! অন্তত যে তাকে তার এই নিজস্ব পৃথিবীটাকে নিজের মত করে সাঁজাতে বাঁধা দেবেনা। বাঁধা দেবেনা ঋতুর শাড়ি-সাঁজ-টিপ বা মেহেদীতে। এমন কারো কল্পনায় আগামীর রঙিন ছবি আঁকে সে মনে-মনে।

এভাবে স্কুল-কলেজ পেরিয়ে ঋতু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এরপর কিছুদিন যেতে না যেতেই বিভিন্ন বিভাগের অনেকের সাথে হয় বন্ধুত্ত। সকল বন্ধুদের মাঝে কারো সাথে একটু বেশী ঘোরাঘুরি আর সময় কাটানো। যেটা একসময় অভ্যেস আর অভ্যেস থেকে নির্ভরতায় রূপ নেয়! তার সাথে পথ চলা, শত-শত কথা বলা, আগামীর স্বপ্ন বোনা! সাঁজ-শাড়ি-টিপ আর মেহেদীর গল্প করা, আর সব রকমের জামদানী কেনার সখের জানান দেয়া। বসন্ত তার সবথেকে কাছের বন্ধু, কথা বলার সঙ্গী, হাটার সহযাত্রী, স্বপ্ন দেখার সারথি, এসব শুনে খুব খুব মজা পায়। আর এক সময় কথা দেয়... ঋতুকে সব রঙের জামদানী কিনে দেবে সে! এর মধ্যে কয়েকটি থাকবে বিভিন্ন রঙের কম্বিনেশন!

ঋতু এ কথা শুনে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া না দেখালেও, মনে মনে সুখ পায়, আনন্দে হারায় কোন এক অজানায়, আর নতুন আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্বপ্ন দেখে একদিন তার সব রঙের জামদানী হবে! এভাবে স্বপ্ন দেখতে দেখতে আর পথ চলতে চলতে বসন্ত আর ঋতু এক সময় এক হয়ে, দুজন দুজনার হয়ে যায়!

বসন্ত তার দেয়া কথা মত আর সাধ্য অনুযায়ী বিভিন্ন ও বিশেষ উপলক্ষ এলে ঋতুকে জামদানী কিনে দেয়। কখনো লাল, কখনো হলুদ, কখনো গোলাপি! আর ঋতু এই জামদানী গুলো পেয়ে এতটাই আপ্লুত হয় যে, পড়লে পুরনো হয়ে যাবে বলে ওগুলোর আর ভাঁজ খোলেনা পর্যন্ত! থাক ওগুলো নতুন হয়েই থাক, ঋতুর একান্ত আনন্দ হয়ে, অনন্ত সুখ হয়ে আর মাঝে মাঝে আলমারি খুলে নতুন বর্ণিল জামদানী দেখার তৃপ্তি হয়ে!

কিন্তু কিন্তু কিন্তু এতো সাধের, এতো সখের আর এতো এতো সাধনার, এতো আবেগ ও আহ্লাদের জামদানীর যে এই হাল হবে কে জানতো? ঋতু নিজেই কি জানতো, নাকি ভাবতে পেরেছিল কোনদিন, যে এই হবে স্বপ্নের আর রঙ-বেরঙের জামদানীর অবস্থান? কি ঘটেছিল সেই স্বপ্নময় আর সুখের জামদানীর সাথে? চলুন শুনি সেই গল্পটা......



ঋতুর ছোট ভাইয়ের বিয়ের পাত্রী ও দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে। বসন্তর কাছে ঋতুর অনেক অনেক দিনের চাওয়া ছোট ভাইয়ের বিয়েতে সে শাড়ি পড়বে আর খুব করে সাঁজবে! ঋতুর সবচেয়ে প্রিয় অফ হোয়াইট জামদানী আর পারসোনার সাঁজ! খোঁপায় বেলি ফুলের মালা, দুহাত ভরে লাগাবে মেহেদী, হাত ভর্তি চুড়ি, আর বড় লাল টিপ! ছবি তুলবে অনেক অনেক। শাড়ি-সাঁজ আর ছবি তোলা, বিভিন্ন ঢঙে, একে-বেঁকে! এই তার চাওয়া আর এই তার সখ।

ঋতু তার বড় বোন আর ছোট ভাই, সাথে সদ্য ঠিক হওয়া ছোট ভাইয়ের বৌ হতে যাওয়া পাত্রীর সাথে বসন্তও আছে। ওরা আজ বউয়ের জন্য বিয়ের বেনারসি কিনবে। সাথে আরও দুই একটি শাড়ি, বিয়ের রেওয়াজ অনুযায়ী। সব শাড়িই ছোট ভাইয়ের বউয়ের আর ঋতুদের দুই বোনের পছন্দ অনুযায়ী দেখা হচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম হলঃ বেনারশি, কাতান, কাঞ্চিবরন, বম্বে বুটিক, আর অবশ্যই দামি জামদানী।

অনেক অনেক শাড়ি দেখে, নেড়ে-চেড়ে আর উল্টে-পাল্টে কয়েকঘণ্টা কাটিয়ে সবাই মিলে বউয়ের জন্য বিয়ের ও এর পরের দুই একদিনের জন্য প্রয়োজনীয় শাড়ি কিনে ছোট ভাই ও তার বৌকে বিদায় করে দিল। এবার ঋতু ও তার বোনের শাড়ি কেনার পালা। সাথে আছে বসন্ত। বসন্ত জানে ঋতু জামদানী কিনবে। কারণ জামদানীই ঋতুর প্রথম ও সব সময়ের পছন্দ। আর এবার সে অফ হোয়াইট জামদানী কিনবে স্বাভাবিক ভাবেই। বসন্ত এতক্ষণের শাড়ির সমারোহ দেখে মনে মনে দুই-তিনটি জামদানী পছন্দও করে রেখেছে।

ঋতুকে বলবে...... এমন সময় ঋতু জামদানীর ধারে-কাছে না ঘেঁসে সোজা কাতান আর কাঞ্চিবরনের দিকে ঝুঁকে পড়লো! বসন্ত অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলো, তুমি না জামদানী কিনবে? তোমার জন্য অফ হোয়াইট, সবুজ-হলুদ আর পিঁয়াজ কালারের জামদানী পছন্দ করে রেখেছি তো?



ঋতু বসন্তর চেয়েও বেশী অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলো, আমি আমার ছোট ভাইয়ের বিয়েতে কি ওই জামদানী পড়ে যাবো নাকি!
মানে কি, তুমি তো জামদানীতেই বুঁদ ছিলে, হঠাৎ তোমার কি হল? তুমি না বলেছিলে অফ-হোয়াইট জামদানী তোমার সবচেয়ে পছন্দের? তবে তার কি হল? ওই দেখ কত সুন্দর অফ হোয়াইট জামদানী?

হ্যাঁ জামদানী পছন্দ, তার মধ্যে অফ হোয়াইট সবচেয়ে বেশী ভালোলাগার, তাই বলে আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ের উপযুক্ত সেটা নয়! ওটা অন্য নরমাল কোন অকেশনের জন্য! এই প্রোগ্রাম কাতান বা কাঞ্চিবরনই একমাত্র পছন্দ!

বল কি তুমি? তবে তোমার এতো দিনের অফ হোয়াইট জামদানী স্বপ্ন সেটার কি হবে?

সে হবে অন্য কোন ক্ষণ, এখন হয় কাতান নয় তো কাঞ্চিবরন!

মানে কি, জামদানী তোমার কাছে এতো তুচ্ছ হয়ে গেল কবে আর কিভাবে? নাকি ওই ঝলমলে, চোখ জুড়ানো আর মন ভোলানো কাতান-কাঞ্চিবরন দেখে জামদানী আর চোখে লাগছেনা?

হ্যাঁ তাই ওগুলো দেখার পড়ে জামদানীকে আর মনে ধরছেনা, অন্তত এই অনুষ্ঠানের জন্য!

বসন্ত মনে মনে প্রমাদ গুনলো, হায়রে... এতো আদরের, এতো আহ্লাদের, এতো সখের আর এতো এতো আবেগ ও ভালোবাসার জামদানীর আজ এই অবস্থা!

কাতান আর কাঞ্চিবরনের ঝলমলে ঝকঝকানি লোক দেখানো সাময়িক আভিজাত্যের কাছে! জামদানী তো দেখছি তোমার কাছে এখন সুতি শাড়ির অবস্থানে গিয়ে পৌঁছেছে! সুতি শাড়ির যে সামাজিক মর্যাদা ছিল, তুমি দেখছি জামদানীকেও সেই কাতারে নামিয়ে আনলে!
নাহ তা না, শুধু এই অনুষ্ঠানের জন্য!

নাহ তা নয়, তোমার তাচ্ছিল্য, তোমার ধরন, তোমার টোন, তোমার ওভার অল আপ্রোচ জামদানীকে সুতি শাড়ির পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে! কেন জানো?

কেন?

কারণ, তোমার অবস্থান বদলেছে, বদলেছে তোমার সাধ আর সাধ্য, বদলেছে তোমার চিন্তা-চেতনা আর মানসিকতা, তোমার চারপাশের মানুষ-জন, তোমার বন্ধু-বান্ধব, তোমার সহকর্মী আর তোমার সার্বিক পছন্দও, সাথে তোমার আভিজাত্যের ধরন। আর তাই সেই সব বদলের কাছে বদলে গেছে তোমার কাছে জামদানীর অবস্থান, জামদানীর আকর্ষণ, জামদানীর সামাজিক মর্যাদাও!

তবে তা যে এভাবে হুট করে, কোন পূর্বাভাস ছাড়াই বদলে যাবে সেই ভাবনাটা ছিলোনা আদৌ।

চল জামদানী বাদ, তোমাকে কাতান বা কাঞ্চিবরনই কিনে দেই!

আর জামদানী সেকি আর দেবেনা তুমি?

হুহ জামদানী? বসন্ত একটা বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলে মনে মনে বলল......

জামদানীর জন্য সমবেদনা.........!!


সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:৫২
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা কি তাহলে গুহা যুগে ফেরত যাচ্ছি?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫০



বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?
============================================
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশকে যুক্ত করার আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পক্ষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×