
বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন, ছিনতাই, ধর্ষণ এবং দুর্নীতির যেন এক মহোৎসব চলছে এই দেশে, সর্বত্র বিরাজ করছে ভীতিকর পরিস্থিতি। দেশের সংবাদ পত্রগুলো যেন আজ হরর ম্যাগাজিনে পরিণত হয়েছে।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অবস্থা হচ্ছে বিদ্যুতের। যেখানে বিদ্যুৎবিহীন একটি সভ্যতার কথা কল্পনাই করা যায় না সেখানে পুরো বাংলাদেশ যেন এক বিদ্যুৎবিহীন সভ্যতার দিকে ঝুঁকছে। শুধুমাত্র বিদ্যুতের অভাবে আজ দেশের হাজার হাজার কলকারখানা, গার্মেন্টস, ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, লক্ষ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ছে- ফলশ্রুতিতে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলছে। দেশের বেকার যুবকরা আজ ভাগ্যের সন্ধানে ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে সলিল সমাধি হচ্ছে। এ জন্যই কি আমরা দুই হাজার চব্বিশ সালে বুকের রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলাম!!! যদি দেশ স্বাধীনই করে থাকি তাহলে কেন আজ নিজের জীবন বাজি রেখে ইউরোপে গিয়ে সাদা চামড়ার লোকদের থালাবাটি মাজতে হবে, কেন আজ আমাদের সৌদি আরবের শেখদের গাড়ি মুছে সংসার চালাতে হবে???
বাংলাদেশ কি কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ? বাংলাদেশ কি সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়ার পর্যায়ে নেমে গেলো? সোনার বাংলার আজ এ কী হাল!!
আমি ভেবেছিলাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবার পর দেশ শনৈঃ শনৈঃ উন্নতি করবে, সমস্ত প্রবাসীরা দেশে ফেরত এসে দেশের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। একদল স্মার্ট ফেরেশতারা দেশ পরিচালনা করবে, দেশের গরিব মানুষ সব জাদুঘরে চলে যাবে, থাকবে না কোনো দুর্নীতি এবং ধনী-গরিবের ব্যবধান। কিন্তু হায় এখন আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পারছি আসলে আমাকে ভালো ভালো কথার ফুলঝুরি দিয়ে ব্রেনওয়াশ করা হয়েছিল। সবই আসলে ভোট কামানো এবং নিজের পকেট ভারী করার ধান্দা। আফসোস...! আমি চিরকাল গবেট বাঙালিই রয়ে গেলাম, মানুষ হতে পারলাম না আজ পর্যন্ত।
পোস্ট'টি এআই এর সাহায্যে লিখা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



