somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

না লিখা রচনা

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ অনেক দিন পর হিমু তার রচনার দেখা পেলো। সেই কবে থেকে রচনাকে দেখার জন্য তার মনটা ব্যাকুল ছিলো।
যদিও দেখা পেলো তবুও তার মনটা খারাপ। প্রথমত আজকে তার ক্লাসটেস্টটা খুব খারাপ গেছে। বায়োলজি। সাবজেক্টটা তার পছন্দের কিন্তু পরীক্ষার আগে পড়তে পারেনি অবশ্য ইচ্ছাও ছিলোনা। সে আর তার খুব কাছের বন্ধু রাতুল এক সাথেই কলেজের গেটে দাঁড়িয়েছিলো তাদের ছোট্ট গ্যাংয়ের আরেক সদস্য নাফির জন্য। উফ নাফিটা বেড় হচ্ছেই না।

হটাৎ করেই হিমুর চোখ পড়লো রচনার ওপর। সে খুশিতে গদগদ করতে করতে রাতুলকে নিয়ে ছুটলো তার রচনার পিছনে। কিন্তু হায় নিয়তির খেলা, রচনাকে ভীরের মধ্যে হারিয়ে ফেললো তারা। মন মেজাজ বিগড়ে গেলো হিমুর। রাতুলকে নিয়ে হাটতে শুরু করলো ওভার ব্রিজের দিকে। নাফির উপর খুব রাগ উঠলো। নিজেকেও অকর্মণ মনে হচ্ছে তার।

তবু একটুখানি ভালো লাগছে হিমুর। তার রচনা তাকে দেখেছে, একটু মুচকি হেসেছেও বটে। এখন আর খুব একটা খারাপ লাগছে না।

ওভার ব্রিজে উঠার পরেই নাফির সাথে দেখা। নাফি হিমু আর রাতুলের খোঁজে কলেজের দিকেই আসছিলো। আসলে ওদের তিন জনের বন্ধুত্ব দিন দিন গভীর থেকে গভীরতম হচ্ছে। ঠিক যেন 'ওরা তিন জন'। রাতুল নাফিকে রচনার দেখা পাওয়ার কথা বলল। নাফি গাধার মতো বলে উঠলো - " তাহলে চল ওর পিছনে পিছনে যেয়ে কথা বলি"। রাতুল আর হিমু একে অপরের দিকে চেয়ে বলল এই ছেলের আর উন্নতি সম্ভব নাহ্।

বাকিটা সময় রাতুল আর নাফির সাথে কাটানোর পর বাসায় এসে হিমু মাগরিবের নামাযটা পড়ে বিছানায় শুয়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে তার অসম্ভব প্রিয় গানটা শুনছে। গানটা শিল্পী নাহিদের গাওয়া। গানের শেষের দিকের কথাগুলো হিমুর খুব বেশি ভালো লাগে,-
" বড় বেশি মনে পড়ে
বিকেল বেলা নদীর তীরে,
সেই নদীর জল বড় নীল;
বড় বেশি মনে পড়ে
একলা ঘরে গোপনে, গোপনে...

হটাৎ করে হিমুর মনে পড়ে গেলো তিন মাস আগের কথা। দিনটা ছিলো শনিবার। কলেজে প্রথম প্র্যাকটিকাল ক্লাস। তাড়াহুড়ো করে কলেজে গেলো হিমু। ক্লাস শুরু সাড়ে এগারোটায়। এই টাইমে আবার মর্নিং শিফট্ এর মেয়েদের ছুটি হয়। অনেক কলেজের ছেলে পেলে এই টাইমে কলেজের গেটের আসে পাশে ভিড় জমায়। হিমুর ওই দিকে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। মানে না ভিড়ের প্রতি না মেয়েদের প্রতি। কলেজের গেটে ঢুকবে ঢুকবে এমন সময় একটা মেয়ে চোখের সামনে পড়লো। মেয়েটার চোখে নীল চশমা, চুলগুলো অদ্ভুত সুন্দর করে বাঁধা। পরিপাটি, শান্ত একটা মেয়ে। কিছুটা বিচলিত। তার চাহনিতে বুঝা যাচ্ছে তার গারডিয়ানকেই খুঁজছে।

কয়েক মুহূর্তের মধ্যে একটা চল্লিশার্ধ লোক পালসার্ বাইক নিয়ে গেটের পাশে দাঁড়ালো। মেয়েটা বাইকে চড়ে বসার পরেই বাইকটি অসমত্বরণে ভিরের মাঝে সামনের দিকে ছুটে চললো। ভিড়ের ধাক্কায় হিমু যেন তার জ্ঞান ফিরে পেলো। কিছুক্ষনের জন্য হিমু একটা ঘোরে চলে গিয়েছিলো। মনের অজান্তেই তার ঠোটের কোণে মুচকি হাসির বক্ররেখা অংকিত হলো। সবকিছু যেন এলোমেলো করে দিলো নীল চশমা পড়া মেয়েটা। নাহ্ মেয়েটাকে খুব মনে ধরেছে ওর। কলেজে ঢুকতে ঢুকতে কিভাবে যে বারোটা বেজে গেল্প বিন্দুমাত্র টের পেলোনা হিমু।

বেশ কিছুদিন ধরে হিমুর রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। রাতে ঘুমুতে যাবার আগে মনে মনে ভাবে শুয়ে আর কি হবে ঘুমাতে তো পারবে না ও। তার ঘুম যে কেড়ে নিয়েছে সেই নীল চশমা পড়া মেয়েটি। হুম, সেই কলেজের গেটে যে মেয়েটাকে দেখেছিলো তার অবাধ্য দুটি চোখ।

আজকে হিমু তার কেমিস্ট্রি স্যারের ব্যাচের টাইম অনিচ্ছা সত্ত্বেও বদলে নিলো, অন্য কোচিং এর সাথে সময়ের সংঘর্ষের কারণেই এই মহৎ কাজ।
এখন থেকে হিমুর কেমিস্ট্রি কোচিং মংগলবার ৭ টায় আর বৃহস্পতিবার ৮ টায়। অবশ্যই রাতে। সপ্তাহ পেরিয়ে মংলবার এলো। অনিচ্ছা সত্ত্বেও মায়ের বকুনির ভয়ে সে কেমিস্ট্রি কোচিং এ গেলো।
হিমুর মেরুদণ্ড দিয়ে ঠান্ডা কিছু একটা বেয়ে গেলো। হাজার শিখায় বাতি জ্বেলে, হাজারো বাগানে ফুল ফুটিয়ে, মরুর দেশে বৃষ্টি ঝরে বহুকাংক্ষিত তবে এই মুহূর্তে অনাকাংক্ষিত এক কাহিণী ঘটে গেলো, এক হিজাব পড়া মেয়ের পাশে সেই নীল চশমা পড়া মেয়েটি হিমুর চোখে ধরা দিলো। এক ভয়ংকর সুখানুভূতি হিমুকে স্পর্শ করে গেলো সংগোপনে। সে বুঝতে পাড়লো মেয়েটি তার ব্যাচেই পড়ে। খুশিতে তার গান গাইতে ইচ্ছে করলেও চুপচাপ তার বন্ধু প্রতীক, পিয়াস আর তন্ময়ের পাশে গিয়ে বসে পড়লো। শুধু যে সে বেঞ্চে বসলো তা কিন্তু নয়। সে মেয়েটির প্রেমেও পা পিছলে পড়ে গেছে। অলিখিত, অনাকাংক্ষিত, অপ্রত্যাশিত এই প্রেম। নিষিদ্ধ তবু অবাধ্য ভালোবাসার অনুভূতিটা হিমুকে গ্রাস করেছে। এখন সপ্তাহে দু'দিন মেয়েটার সাথে দেখা হয়। তবু কেনো যেনো কথা বলাটা হয় না। হিমুর বন্ধুরাতো কোচিং এ এখন হিমু আর নীল চশমা পড়া মেয়েটাকে এক বন্ধনে আবধ্য করায় ব্যস্ত। তারা হিমুকে মেয়েটার সামনে হিরো বানাতে চায়। মেয়েরা আসলে সবকিছু টের পায়। মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা তাদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়টাকে তিক্ষ্ণ করে দিয়েছেন। হিমু মুখে কিছু না বলা সত্ত্বেও মেয়েটা বুঝতে পেরেছে। হিমুর সব পাগালামি কান্ড ও বুঝতে পারে। সারাটা সপ্তাহ সে অপেক্ষায় থাকে কখন সে মেয়েটাকে দেখবে। এরই মধ্যে প্রতীক খুঁজে বের করে মেয়েটির না রচনা। আরেক বন্ধু দীপ খঁজে বের করে মেয়েটির ঠিকানা। সে আরেক চমকপ্রদ গল্প।

একবার হিমু কোচিং এর সিঁড়িতে বন্ধুদের নিয়ে দাঁড়ায়। কারণ একটাই। রচনাকে তার ভালোবাসার কথা জানাবে। কিন্তু গত তিন বারের মতো একবারও ব্যার্থ সে। সাহসে কুলায় না তার। মেয়েটার মা তাকে নিয়ে বাসায় যাচ্চিলো। রিকশা ভাড়া করছিলো। এই দিকে হিমু বাহিনী দাড়িঁয়ে দেখেছিলো। প্রথম রিকশাটি যায়নি। দীপের মাথায় চট করে বুদ্ধি খেলে গেলো। সে গিয়ে রিকশাওয়ালা মামার সাথে খাতির জমিয়ে জিজ্ঞেস করলো - ' ' মামা মাত্র যে নীল জামা পড়া মেয়েটি ভাড়া করছিলো সে কোথায় যেতে চেয়েছিলো?' ' দীপের কাহিনি দেখে এদিকে হিমু আর তার বন্ধুরা হাসতে হাসতে খুন। কিন্তু একি! দীপ বীরের বেশে এসে বললো মামা ভাবীর ঠিকানা পেয়ে গেছি। সবাই অবাক। রচনা বাটা সিগ্নালের একটু সামনে প্রিন্স টাওয়ার এ থাকে। ঠিকানা জানতে পেরে হিমুর সে কি যে ভালো লাগা।

বেশ কিছুদিন কেটে গেলো। হিমুর ভালাবাসা দিন দিন বেড়েই চলেছে। থামছে না আর। রচনাকে কিছু বলতেও পারছেনা সে। এভাবেই গোপনে অভিসারে রচনাকে ভালোবেসেই যাচ্ছে গাধার মতো।

এরই মাঝে হিমু আইসিটি কোচিং শুরু করে। প্রথম দিন সে ক্লাসে গিয়ে বসে। স্যার পড়াচ্ছেন বেশ কিছুক্ষন হবে, কে জানে হয়তো বা মিবিট বিশ এক হয়ে গেছে। এরই মধ্যে ক্লাসের দরজা খুলে কে যেন ভিতরে ঢুকলো। হিমু সেদিকে তাকালো। সামনে দাড়িঁয়ে রচনা। মেয়েটা হিমুকে দেখে ভূত দেখার মতো চমকে উঠলো। মেয়েটা খুব দ্রুত কিভাবে যেন নিজেকে সামলে নিয়ে মেয়েদের সাইডে বসে পড়লো। এর পরের আইসিটি ক্লাসে হিমুর বন্ধু প্রতীক হিমুকে জোর করে ক্লাসের শেষে রচনার সাথে কথা বলার জন্য পাঠায়। রচনা আগে আগে, হিমু পিছে পিছে। হিমু ভেবেছিলো রচনা হয়তো ডানের রাস্তা দিয়ে যাবে। কিন্তু হিমু রচনাকে ফলো করছে বুঝতে পেরে রচনা রাস্তা বদলে অভারব্রিজে হনহন করে উঠতে থাকলাও। হিমুও উঠলো। কি করবে বুঝতে পারছে না সে। নিজেকে বখাটে মনে হচ্ছে তার। তবুও পিছু পিছু যাচ্ছে সে। হঠাত হিমুর ফোন বেজে উঠলো। পিছন থেকে প্রতীক ফোন দিয়েছে। রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে প্রতীক বললো এখনই সময় তোকে বলতেই হবে।

ঝড় আসবে আসবে ভাব। হিমুর বুকে ৩ নম্বর বিপদ সংকেত। অবশেষে ঝড় এসেই পড়লো। হিমু ডাক দিলো - ' 'এক্সকিউজ মি শুনছেন?' '
রচনা কিছুটা অবাক হয়ে পিছু ফিরলো। রচনা কিছু বলার আগেই হিমু বলে উঠলো ভালোবাসি তোমায় বড় ভালোবাসি। নাহ্ এসব কিছু সে বলতে পারেনি। বহু কষ্টে বলে উঠলো কিছু কথা বলবো দু'মিনিট সময় হবে কি? মেয়েটা লজ্জা পেলো একটু। অস্ফুট ভাবে না সূচক মাথা নাড়লো। হিমু বললো ইটস ওকে। বলেই সেও উল্টো দিকে হাঁটা দিলো। তার কেমন জানি লজ্জাবোধ হচ্ছে। কিছুটা খারাপও লাগছে বটে। এর পর কেনো জানি আইসিটি ব্যাচটি ক্যন্সেল হয়ে গেলো।

কিছুদিন পর ক্যামিস্ট্রি স্যার হটাত করেই ব্যাচের টাইম বদলে দিলেন। হিমুর টাইমটেবিলেত সাথে উনার ব্যাচের টাইম মিলানো গেলো না। কোচিং এর বাইরেই হিমুর মা দাড়িঁয়ে ছিলেন। হিমু বললো ব্যাচেত টাইম মিলছে না। পাশেই রচনা তার মায়ের জন্য অপেক্ষা করছিলো। হয়তো শুনতে পেলো। অবশেষে সেই কোচিংটা ছাড়তেই হলো হিমুকে।

ইদানিং হিমুর মন অত্যাধিক খারাপ। রচনার সাথে আর দেখা হয়না। মাঝখানে একবার কলেজে বসে এক বিশাল চিঠি লিখেছিলো রচনাকে দেবে বলে। হিমুর জীবনের প্রথম প্রেম পত্র। লিখতে সাহায্য করছে নাফি। রাতুলটা সেদিন কলেজে যায়নি। চিঠিতে হিমু তার ভালোবাসার কথা লিখে। লিখে রচনাকে নিয়ে তার ভবিশ্যত সপ্ন নিয়ে। চিঠিতে হিমু লিখেছিলো রচনা যেন হিজাব পড়ে। সে লিখেছিলো যে ভবিশ্যতে রচনাকে কোনো চাকরি করতে হবে না। হিমুর কোনো মেয়ে বন্ধু নেই। ছেলে মেয়ের বন্ধুত্ব হিমুর একদ্ম সহ্য হয় না। হিমু ইসলাম ধর্মের প্রতিটা নিয়ম মেনে চলতে চেষ্টা করে। সে চিঠিতে আরো বলেছিলো রচনা যেন কোনো ছেলে বন্ধু না বানায়। কোচিং এর শেষ দিনে সে চিঠিটা রচনা কে দিতে চেয়েছিলো। কিন্তু যদি তার চিন্তাভাবনার সাথে মেয়েটার চিন্তাভাবনা না মিলে, যদি মেয়েটা তাকে চিপ মাইন্ডেড ভাবে, যদি মেয়েটা তাকে ফিরিয়ে দেয় এই ভয়ে চিঠিটা তার প্রাপকের কাছে আর পৌছাতে পারেনি।

চিঠিটা এখন হিমুর আলমিরার ড্রয়ারে স্কুল ম্যাগাজিনের ভিতরে এক কোণায় টাঁই পেয়েছে। তাতে কি! হিমুর হার না মানা ভালোবাসা ঠিকই পৌছেছে রচনার কাছে। এসব কথা মনে করতে করতে চোখদুটো লেগে আসলো হিমুর। হঠাত বাবা এসে বলল - বাবা হিমু আজকে না তোমার ফিজিক্স কোচিং আছে? তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হয়ে নাও। বাবার ডাকে হিমুর ভাবনায় ছেদ পড়লো। আবার সে চলে গেলো ব্যাস্ততার পানে। জীবন তো আর থেমে থাকে না। আর এভাবেই কিছু দু:সাহসী অদম্য না বলা ভালোবাসা লোকচক্ষুর আড়ালে বেঁচে থাকে চিরকাল।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:২৪

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!



একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×