somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানিম মাহবীর ফাহাদ
আমি প্রচলিত অর্থে কোন লেখক নই তবে লেখালেখিটাকে অন্তর থেকে ভালোবাসি। তাই ভালোবাসার টানেই মাঝে মাঝে সমাজ, সংস্কৃতি এবং প্রযু্ক্তি নিয়ে দু’এক লাইন লেখার চেষ্টা করি।

কান ধরার সংস্কৃতি অপসংস্কৃতি :: ন্যায় অন্যায় যেখানে বিবেচনার বাহিরে!

২২ শে মে, ২০১৬ সকাল ৯:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি কান ধরার এই ঘটনায় মোটামুটি ভালোই অবাক হয়েছি! শ্যামল কান্তির কান ধরায় না, যারা এর প্রতিবাদে কান ধরেছে তাদের জন্য। আমার কাছে শিক্ষক মানে হলো পথপ্রদর্শক। যিনি তার ছাত্রদেরকে সত্য ও ন্যায়ের কথা শিক্ষা দিবে। তাদেরকে ভালো ছাত্র হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ গড়তে সহযোগিতা করবে। কিন্তু কোন শিক্ষক যদি স্বীয় কাজ না করে ছাত্রদের মধ্যে সংঘাত, ধর্মীয় বৈষম্য, কটূক্তি ইত্যাদি শিক্ষা দেয় তাহলে তাকে শিক্ষক নামক সম্মানিত পদবী দিতে আমি নারাজ। ইসলাম ধর্মে আছে, ‍“তোমরা অন্য কোন ধর্মকে কিংবা তাদের ঈশ্বরকে গালি দিও না, তাহলে তারা তোমার সৃষ্টিকর্তাকেও না বুঝে গালি দিবে”। আমি কখনোই কোন ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের কিংবা আমার কোন শিক্ষককে অন্য ধর্মকে অবমাননা করতে দেখিনি। কিন্তু শ্যামল কান্তি আল্লাহ্‌ কে অবমাননা করেছে। এর ফলে একজন প্রকৃত শিক্ষকের যে মর্যাদা তা থেকে সে বিচ্যুত হয়ে গেছে। তার শাস্তি হিসাবে কান ধরাটাকে আমার কাছে নিতান্তই ছোট ব্যাপার মনে হয়।

আজকাল ইসলাম ধর্মকে, আল্লাহ্‌ কে, নবীকে গালি দেওয়াটাকে প্রগতিশীলতা, মুক্তমনা, আধুনিকতাবাদ বলে প্রচারিত হচ্ছে। যার চর্চা করে মজা লুটছে অনেক ইসলাম বিদ্বেষী। আসলে ধর্ম নিরপেক্ষতা, মুক্তমনা, নাস্তিক্যবাদ বলে কিছু নেই। সবই ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড। আর এসব কর্মকাণ্ডকে বুঝে না বুঝে চর্চা করছে কিছু হুজুগে আবাল, যারা যেকোনো ইস্যুতে একটা সেলফি কিংবা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জন্য যেকোনো কিছু করতে পারে। কাল যদি কোন ব্যক্তিকে গু খাওয়ানো হয় তাহলে তার পরদিন দেখা যাবে কিছু মানুষ গু খাওয়ার সেলফি তুলে ফেসবুকে ছবি আপলোড দিছে।

আমার কাছে হিন্দু মুসলিম কোন বড় ব্যাপার না। শ্যামল হিন্দু বলেই যে তার প্রতি আমার বিদ্বেষ এমনটা না। হিন্দু ধর্মেও অন্য ধর্মকে সমীহ করার কথা উল্লেখ থাকার কথা। যে কেউ কারও ধর্মীও অনুভূতিতে আঘাত দিলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

বিঃদ্রঃ আপনি প্রকৃত ঈমানদার কিনা সেটা তখনি বুঝতে পারবেন যখন আপনার নিজেকে কেউ গালি দিলে যতোটা খারাপ লাগবে তারচেয়ে আল্লাহ্‌ কে গালি দিলে বেশি খারাপ লাগবে। নিজের ঈমানটা নিজেই একবার পরীক্ষা করুন, শেষ বিচারের দিন শেষ পরীক্ষা হওয়ার আগেই।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০১৬ সকাল ৯:৪৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোরআন , হাদিস ও ফিকাহ মতে ইসলামে সঠিক পথ অনুসরণ প্রসঙ্গ কথামালা ( সাময়িক পোস্ট)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:১৫


“আল্লাহ অভিন্ন ফিকাহ মানার কথা বললে রাসূল (সা.) কোরআন ও হাদিসের মানার কথা কিভাবে বললেন? “ এই শিরোনামে গতকাল সামুতে প্রকাশিত ব্লগার মহাজাগতিকচিন্তার একটি বিশালাকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বাসী মানব মনের উপর বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে ক্বোরান পাঠের ঐশ্বরিক প্রভাব

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

আমি গত প্রায় ১৮ বছর যাবত আমার বর্তমান এলাকায় বসবাস করছি। স্থানীয় মাসজিদটি আমার বাসা থেকে প্রায় চার মিনিটের মত হাঁটা পথে অবস্থিত বিধায় চেষ্টা থাকে দিনে যতবার সম্ভব, মাসজিদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেঁচে আছি, বেঁচে আছি!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩



নতুন জেনারেশনের জ্ঞানগরিমায় যুগপৎ মুগ্ধ ও বিস্মিত হয়ে নিজেকে মনে হয় নিতান্তই জেনারেল!
তাহারা কতকিছু যে জানে, জানে না তাহারা যে জানে! তাবৎ দুনিয়ার খবর তাহাদের তালুর চিপায় নিদ্রামগ্ন!... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ ২০২৪: অস্থিরতার অন্তরালে কী ছিল? লেখকীয় বিশ্লেষণ | সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩৫

ছবি

বাংলাদেশে ২০২৪: ক্ষমতার পালাবদল নাকি গোপন সমন্বিত পরিকল্পনা?

২০২৪ সালের আগস্ট- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অস্থির ও বিতর্কিত অধ্যায়। ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে অনেকের কাছে এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি র‍্যাপ সং কীভাবে সপ্তম শ্রেণীর বইয়ের কবিতা হলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২৭


আজকে জুলাই আন্দোলনের একটা কবিতা পাঠ করলাম যেটা পড়ে মাথা হ্যাং হয়ে গেছে। এই কবিতা নাকি সপ্তম শ্রেণীর ‘সপ্তবর্ণা’ বইতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কবিতার নাম ‘সিঁথি’, লেখক হাসান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×