(মরহুম মোঃ নজরুল ইসলাম স্মরণে)
[গত ৩-সেপ্টেম্বর আমার অতি প্রিয় এক জন ব্যক্তিত্ব নজরুল আংকেল (৫০), রাজশাহীর মোহনপুরে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় পরলোকগমন করেছেন। উনি কলেজের প্রফেসর ছিলেন। আমি তাকে নক্ষত্র বলে মানতাম, যার আলোয় নিজেকে বিকশিত করেছি খুব; উপলব্ধি করেছি জীবনের মানে। আমি যে কি রকম মর্মাহত-বিপর্যস্ত সে কথা আমার প্রভু জানে!!!! আমার সামর্থ নেই তাকে ফিরিয়ে আনার নইলে........................!!!???]
আগামী বছর থেকে বছর হবে ৩৬৪ দিনে
৩৬৫ তে হবে লিপইয়ার
বর্ষপঞ্জী থেকে লাল কালির পেনে
সুস্থির কেটে দিলাম তেসরা সেপ্টেম্বর
এই দিনে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা-রাতে
সব নিভে জ্বলবে প্রদীপ বৈশ্বিক শোকে।
এই দিনে নক্ষত্রের মৃত্যু ঘটানো হয়েছিল
যার উদ্ভাসিত প্রজ্বলিত অন্তরাত্মা
বিধাতা তাকে পাঠিয়ে ভুল করেছিল
এ বদ্বীপ অযোগ্য বহন করবার তার সত্ত্বা
বিধাতা কি জানত না? এ দেশের পথঘাট পানিপথে
মৃত্যু-হায়েনা-হাঙ্গর অহর্নিশি হা করে থাকে!
নক্ষত্র থেকে জন্ম নেওয়া ঔরসীয় উপগ্রহ
বিচ্ছিন্ন কিছুর- যেমন আমি
কণ্ঠস্বরে, দুচোখে জেগে ওঠে অসহ্য ব্যাথা ভীষণ দ্রোহ
মৃত্যু ভয়ংকার খেলা কিভাবে মানি?
আমি মানি না নিয়ম-কানন, করব যাচ্ছেতাই
উপগ্রহ থেকে গ্রহ, গ্রহ থেকে অসীম কিছু হতে চাই।
আমাদের হাতে থাক সড়ক-নৌ-আকাশ পথ
মোহনপুরের রাস্তাঘাট, জীয়নকাঠি
যেখানে নক্ষত্রের মৃত্যু হয়েছিল সেই স্থানের শপথ
রঞ্জিত হবে না আর বাংলার পিচঢালা পথ উর্বর মাটি
শপথ, এই ছড়ানো ছিটানো রক্তাত্ত মাংস-হাড়ের
আবারো জন্ম হবে প্রাচীন সেই অর্বাচীন নক্ষত্রের।
(০৫.০৯.২০১৪, জিয়া হল, রা. বি.)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

