আমার আর কিছুই মনে নেই;
তোর হাতে হাত রেখে চলা রেল লাইন,
ক্যান্ডিতে খাওয়া ফুচকা,
সিরিষতলায় পাশাপাশি উষ্ণ রোমন্থন!
আমার আর কিছুই মনে নেই;
ডিঙ্গী নৌকায় কর্ণফুলীর ডেউয়ের সাথে খেলা,
পাহাড়ি টং-এ তোর সাথে খুঁনসুটির বেলা,
কিংবা শীতের রাতে শ্যামলীর হাতলহীন সিটে জড়োসড়ো দীর্ঘ দূরত্ব পার!

আমি ভুলে গেছি:
চারতলা ফ্ল্যাটে কি ভালবাসাই না ছিল!
কিংবা টিনশেড চার দেয়ালে,
আমার মাটির ঘর,কংক্রিটের স্তূপ,বাঁশের ফালির ছাদ
সবখানে তোর পিঠের কোমল পরশ!
আমি বারং বার ভুলে যেতে চাই তোর মতই...,
শুধু:
স্বাক্ষীরা সব জীবন্ত হয়ে উঠে মনের পর্দায়,
রেল লাইন কি মুছে যাবে?
না সিরিষতলায় আর কোন দিনের আলো গড়াবে না?!
কর্ণফুলীর স্রোত কি মরে যাবে?
পাহাড়ি টংগুলা ফিনিক্স পাখির মতই রূপ নিয়ে জন্মাবে আজন্মকাল!
শ্যামলীর হাতলহীন সিটে হয়তো হাত রেখে দূরত্ব ঘোচাবে অন্যকেউ!
শীত আবারও নামবে কাপ্তাইয়ের পাহাড়ি পথে,
কুমিল্লার আকাশে সূর্য অস্ত যাবে সেদিনের মতই,
সবকিছু এ মন ধরে রাখে না,
সবকিছু এ মন ভুলেও না:
যদি পারতাম স্বাক্ষীগুলা নিরবে মুছে দিতে!
------
স্মৃতির ডায়েরী (সম্ভব্য প্রকাশিতব্য কাব্যগ্রন্থ)
শাহেদ শাহরিয়ার-২৯-০৬-২০১৭ইং।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০১৭ দুপুর ১২:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




