somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাখাওয়াত হোসেন  বাবন
ব্লগিং শুরু করি প্রথম আলো ব্লগে "আমার কবিতা নামে" আমি ব্লগিং করি মূলত নিজের ভেতরে জেগে উঠা ব্যর্থতা গুলোকে ঢেকে রাখার জন্য । দুনীতিবাজ, হারামখোর ও ধর্ম ব্যবসায়িদের অপছন্দ করি ।

৭১'রে বাংলাদেশের বিজয় ও ভারতের তৃপ্তি

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ভারত একমাত্র সিনেমা ছাড়া অন্যকোন যুদ্ধে পাকিস্তানের সাথে জিতেনি। শুধু পাকিস্তান কেন,কোন দেশের সাথেই জিতেনি।


কারণ যুদ্ধে জেতার জন্য ভারতীয়দের জন্ম হয়নি। যুদ্ধে জেতার জন্য যে,সাহস যে বুদ্ধি ও আত্মীক শক্তি লাগে সেটা তাদের রক্তে নেই। তারা জন্মেছে,বিশ্বের মানুষকে বিনোদন দেবার জন্যে। যুদ্ধ জেতার জন্য নয়। তাদের, রক্তে আছে,নাটক, সিনামা,নৃত্য। তাই যুদ্ধে জেতার জন্য তারা যতোই হম্ভিতম্ভি করুক না কেন, ফলাফল শূন্য। দুঃখের বিষয় দ্বীপ রাস্ট্র নেপালের সৈন্যরাও ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পেটায় আর সেটা এই ২০২১ সালেই।

এই লেখা পড়ে কেউ আমাকে, ভারতীয় বিদ্ধেষী মনে করবেন না। সকল ভারতীয়দের অপছন্দ করার কোম কারণ নেই। ভারতেও অনেক বড় বড় নেতা জন্মেছেন। তারা মহান চিন্তা ভাবনার অধিকারী ছিলেন।

তবুও ভাগ্যের জোড়ে তারা যে একটা রাস্ট্র পেয়েছে সেটার স্বাধীনতা বজায় রাখাই এখন তাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আর এ বিষয়েও বাংলাদেশের ভূমিকা অসীম। লেখার শেষাংশে সেটা বলছি।

বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি,৭১রে পাকিস্তান - বাংলাদেশ যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী সকল মুক্তিযোদ্ধাসহ শ্রীমতি ইন্দীরা গান্ধীকে। কারণ তার সহায়তা ও সহযোগিতায় বাংলাদেশের জয় তরাম্বিত হয়েছে। অবশ্য লোকে বলে,এখানেও তাদের বিশাল স্বাথ ছিলো। অবশ্য স্বার্থ ছাড়া দুনিয়ায় কে ই বা কার জন্য কি করে।

তাই, একাত্তরে বাংলাদেশ - পাকিস্তান যুদ্ধ জেতার জয়ের যে ইতিহাস নিজেদের জয় বলে মনে করে যে তৃপ্তি তারা পায়। সে তৃপ্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করবেন না। অনেক না পাওয়ার মাঝে ওই প্রাপ্তিটাই তাদের কাছে অনেক কিছু।

বাংলাদেশের জয়কে নিজেদের জয় ভেবে,বাংলাদেশের যুদ্ধকে নিজেদের যুদ্ধু ভেবে ভারতের জনগন যদি কিছুটা হলেও তৃপ্তি পায় তাহলে বাংলাদেশের প্রাপ্তি বা জয়ের কোন কমতি হবে না।

বর্তমান ভারতীয়দের অপছন্দে তালিকায় বাংলাদেশের নাম সবার আগে। বিশেষ করে পশ্চিম বঙ্গের কষ্টে ক্লেশে থাকা বাঙ্গালীদের কাছে। একদিকে নিজেদের দারিদ্র্যতা অন্য দিকে একই ভাষাভাষী বাংলাদেশীদের উন্নত জীবন। এটাই হচ্ছে,ভারতের জনগনের বাংলাদেশের মানুষের প্রতি বিরুপ আচরণের মূল কারণ হচ্ছে, বাংলাদেশের উন্নতি ও উন্নয়ন। প্রতিবেশি উন্নত জীবন কারইবা ভাল লাগে বলুন।

তবুও ভারতের রেমিট্যান্স এক তৃতীয়াং যায় বাংলাদেশ থেকে। অথাৎ এদেশে এসে ফায়ফরমায়েশ খেটে তারা উন্নত জীবনের কিছুটা হলেও স্বাদ পায়। কিন্তু এটা তারা স্বীকার কর‍তে চায় না, কারণ তাহলে তারা ইজ্জতে ছোট হয়ে যাবার ভয় করে। এটা তাদের মানুষিক দৈন্যতা। অথচ বাংলাদেশীদের মতো তাদের ও বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার কথা ছিলো। কারণ শেখ হাসিনার কল্যানে ভারতের ভূখণ্ড যে,এখনো অক্ষুণ্ণ আছে,সে ইতিহাসটাও তারা জানে, কারণ শেখ হাসিনা, যদি ভারতকে করিডোর না দিতেন তাহলে বহু আগেই ভারত ভেঙ্গে অন্তত আরো তিনটি স্বাধীন রাস্ট্র তৈরি হতো।

তাই তো ছোট্র একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেও, শেখ হাসিনার মান, সন্মান,শিক্ষা ও যোগ্যতা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে ও বিশ্ব রাজনীতিতে বহু বহু উপড়ে। এসব ই ভারতের কট্টর বাদীরা স্বীকার করতে চায় না। তাই ১৬ ডিসেম্বর এলেই তারা এটা ও টা লিখে নিজেদের বড় করে দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পরে।

ভাবতে দিন, অক্ষমতা ও বঞ্চিতের অনেক কষ্ট থাকে সেটা ধরতে হয় না।

সাখাওয়াত বাবনের বগ্লাংশ
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ১২:২০
১৯টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

উৎসর্গ : জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৩৮



খিচুড়ি

হাঁস ছিল, সজারু, (ব্যাকরণ মানি না),
হয়ে গেল “হাঁসজারু” কেমনে তা জানি না।
বক কহে কচ্ছপে—“বাহবা কি ফুর্তি!
অতি খাসা আমাদের বকচ্ছপ মূর্তি।”
টিয়ামুখো গিরগিটি মনে ভারি শঙ্কা—
পোকা ছেড়ে শেষে কিগো খাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুস্পষ্ট প্রমাণ সহকারে উপদেশ গ্রহণের জন্য আল্লাহ কোরআন সহজ করে দিলেও মুসলমান মতভেদে লিপ্ত হয় কোন কারণে?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:৫২



সূরাঃ ৫৪, কামার ১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭। কোরআন আমরা সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির বড় এবং দৃশ্যমান বিপর্যয় শুরু খালেদা জিয়ার হাত ধরে

লিখেছেন মিশু মিলন, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৪৯



একটা সময় লোকশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল যাত্রাপালা। পালাকাররা সামাজিক, ঐতিহাসিক, পৌরাণিক যাত্রাপালা লিখতেন। বাংলাদেশের শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামে-গঞ্জে মঞ্চস্থ হতো সেইসব যাত্রাপালা, মানুষ সারারাত জেগে দেখতেন। ফলে যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

খালেদা জিয়ার জানাজা

লিখেছেন অপু তানভীর, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:৩৯

আমি যখন ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন আমার নানীর বোন মারা যান। নানীর বোন তখন নানাবাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন। সেইবারই আমি প্রথম কোনো মৃতদেহ সরাসরি দেখেছিলাম। রাতের বেলা যখন লাশ নিয়ে গ্রামের... ...বাকিটুকু পড়ুন

খালেদা জিয়ার জানাজা - নৃতত্ত্ব এবং বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৭


সাধারণ মানুষকে আমরা তার ব্যক্তি চরিত্র দিয়ে বিচার করি, কিন্তু একজন ক্ষমতাশালী রাষ্ট্রপ্রধান বা রাজনীতিবিদকে ব্যক্তিজীবন দিয়ে নয়, বরং তার কর্ম, নীতি, আদর্শ ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×