
কারণ যুদ্ধে জেতার জন্য ভারতীয়দের জন্ম হয়নি। যুদ্ধে জেতার জন্য যে,সাহস যে বুদ্ধি ও আত্মীক শক্তি লাগে সেটা তাদের রক্তে নেই। তারা জন্মেছে,বিশ্বের মানুষকে বিনোদন দেবার জন্যে। যুদ্ধ জেতার জন্য নয়। তাদের, রক্তে আছে,নাটক, সিনামা,নৃত্য। তাই যুদ্ধে জেতার জন্য তারা যতোই হম্ভিতম্ভি করুক না কেন, ফলাফল শূন্য। দুঃখের বিষয় দ্বীপ রাস্ট্র নেপালের সৈন্যরাও ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পেটায় আর সেটা এই ২০২১ সালেই।
এই লেখা পড়ে কেউ আমাকে, ভারতীয় বিদ্ধেষী মনে করবেন না। সকল ভারতীয়দের অপছন্দ করার কোম কারণ নেই। ভারতেও অনেক বড় বড় নেতা জন্মেছেন। তারা মহান চিন্তা ভাবনার অধিকারী ছিলেন।
তবুও ভাগ্যের জোড়ে তারা যে একটা রাস্ট্র পেয়েছে সেটার স্বাধীনতা বজায় রাখাই এখন তাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আর এ বিষয়েও বাংলাদেশের ভূমিকা অসীম। লেখার শেষাংশে সেটা বলছি।
বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি,৭১রে পাকিস্তান - বাংলাদেশ যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী সকল মুক্তিযোদ্ধাসহ শ্রীমতি ইন্দীরা গান্ধীকে। কারণ তার সহায়তা ও সহযোগিতায় বাংলাদেশের জয় তরাম্বিত হয়েছে। অবশ্য লোকে বলে,এখানেও তাদের বিশাল স্বাথ ছিলো। অবশ্য স্বার্থ ছাড়া দুনিয়ায় কে ই বা কার জন্য কি করে।
তাই, একাত্তরে বাংলাদেশ - পাকিস্তান যুদ্ধ জেতার জয়ের যে ইতিহাস নিজেদের জয় বলে মনে করে যে তৃপ্তি তারা পায়। সে তৃপ্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করবেন না। অনেক না পাওয়ার মাঝে ওই প্রাপ্তিটাই তাদের কাছে অনেক কিছু।
বাংলাদেশের জয়কে নিজেদের জয় ভেবে,বাংলাদেশের যুদ্ধকে নিজেদের যুদ্ধু ভেবে ভারতের জনগন যদি কিছুটা হলেও তৃপ্তি পায় তাহলে বাংলাদেশের প্রাপ্তি বা জয়ের কোন কমতি হবে না।
বর্তমান ভারতীয়দের অপছন্দে তালিকায় বাংলাদেশের নাম সবার আগে। বিশেষ করে পশ্চিম বঙ্গের কষ্টে ক্লেশে থাকা বাঙ্গালীদের কাছে। একদিকে নিজেদের দারিদ্র্যতা অন্য দিকে একই ভাষাভাষী বাংলাদেশীদের উন্নত জীবন। এটাই হচ্ছে,ভারতের জনগনের বাংলাদেশের মানুষের প্রতি বিরুপ আচরণের মূল কারণ হচ্ছে, বাংলাদেশের উন্নতি ও উন্নয়ন। প্রতিবেশি উন্নত জীবন কারইবা ভাল লাগে বলুন।
তবুও ভারতের রেমিট্যান্স এক তৃতীয়াং যায় বাংলাদেশ থেকে। অথাৎ এদেশে এসে ফায়ফরমায়েশ খেটে তারা উন্নত জীবনের কিছুটা হলেও স্বাদ পায়। কিন্তু এটা তারা স্বীকার করতে চায় না, কারণ তাহলে তারা ইজ্জতে ছোট হয়ে যাবার ভয় করে। এটা তাদের মানুষিক দৈন্যতা। অথচ বাংলাদেশীদের মতো তাদের ও বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার কথা ছিলো। কারণ শেখ হাসিনার কল্যানে ভারতের ভূখণ্ড যে,এখনো অক্ষুণ্ণ আছে,সে ইতিহাসটাও তারা জানে, কারণ শেখ হাসিনা, যদি ভারতকে করিডোর না দিতেন তাহলে বহু আগেই ভারত ভেঙ্গে অন্তত আরো তিনটি স্বাধীন রাস্ট্র তৈরি হতো।
তাই তো ছোট্র একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেও, শেখ হাসিনার মান, সন্মান,শিক্ষা ও যোগ্যতা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে ও বিশ্ব রাজনীতিতে বহু বহু উপড়ে। এসব ই ভারতের কট্টর বাদীরা স্বীকার করতে চায় না। তাই ১৬ ডিসেম্বর এলেই তারা এটা ও টা লিখে নিজেদের বড় করে দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পরে।
ভাবতে দিন, অক্ষমতা ও বঞ্চিতের অনেক কষ্ট থাকে সেটা ধরতে হয় না।
সাখাওয়াত বাবনের বগ্লাংশ
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ১২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



