
"দয়া করে এই ভয়ংকর অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিন"!
ঘটনাটার চাইতে ঘটনা চাপা দেয়ার প্রক্রিয়াটা আরো ভয়ংকর মনে হচ্ছে! এইরকম ঘটনা রাষ্ট্রের প্রতি অনাস্থার জন্ম দেয়!
গুলশানে কার রেসিং-এ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় গাড়িচালক সাবেক এমপি এইচবিএম ইকবালের ভাতিজা ফারিজ আহমেদকে (১৬) বাঁচাতে এক হয়েছে বিআরটিএ ও পুলিশ। ঘটনার দুইদিন পরও মামলা তো হয়ইনি বরং এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলতেও রাজি না।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে কিভাবে গুলশান থানা পুলিশ ফারেজ রহমানকে (১৯৯৬ সালে ঢাকার রমনা-তেজগাঁও আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এইচবিএম ইকবালের ভাতিজা) আদরের সাথে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ঝটপট সরিয়ে ফেলে কয়েকটা দরকারী 'জায়গা মতন' ফোন কলের পর! এইসব ছবি ফাঁস করে দেয়ার পরেও মনে হয় গুলশান থানা পুলিশ দায়িত্বে অবহেলার কথা স্বীকার করবে না।
বিআরটিএ-এর ডাটা (সংরক্ষিত তথ্য) থেকে ইতোমধ্যে গাড়ির মালিকের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। কম্পিউটারে গাড়ির নম্বর (ঢাকা মেট্রো ঘ ১১৮৯৭৬) সার্চ দিলে মালিকের নাম আসে না, আসে শুধু চেসিস নম্বর।
গাড়িতে পাওয়া গিয়েছে মদের বোতল, দেখা যাবে দুইদিন না যেতেই সেটা হয়ে যাবে দুধের বোতল।

এইটা যেন হিন্দি মুভি জলি Jolly LLB 2 এর শুটিং যা নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশে...! (যারা দেখেছেন Jolly LLB তারা বুঝবেন আর যারা দেখেননি একবার দেখে মিলিয়ে নিবেন)
পুলিশ বলেছে কেউ মামলা করেনি তাই কিছু 'করা' সম্ভব হচ্ছে না।
আসলেই কি তাই? তাহলে
- ১৬ বছর বয়সে গাড়ি চালানো কি বৈধ?
- ধরে নিলাম আমরা ক্ষমতার জোরে তাও 'বৈধ', তাহলে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালিয়ে মানুষ চাপা দেয়ার শাস্তি সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার কথা না? এর জন্য কি আহত- নিহতদের মামলা করা লাগবে? ট্রাফিক আইন কি বলে?
- মদের বোতল পাওয়া গিয়েছে গাড়িতে, চালক ১৬ বছরের মাতাল, মাদক দ্রব্য আইনে এর শাস্তি কি?
এইভাবে খুজলে আরো অনেক প্রশ্ন পাওয়া যাবে যার একটারও উত্তর গুলশান থানা পুলিশের কাছে নাই। কারণ দেখতেই পাচ্ছেন যে 'জায়গা মতন' ফোন চলে গিয়েছে। পুলিশের কাজ কাকে রক্ষা করা?
আমাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা কি ঘুমিয়ে পরেছে!
আর মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার প্রমাণ করার দায় এসেছে- তারা মৃত বটে, তবে চল্লিশা এখনো হয় নাই...!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


