গানের লিরিকে মৃত্যুচিন্তা/ শেখ জলিল
মরণচিন্তা সব মানুষকেই কম বা বেশি ভাবিত করে। নিকট আত্মীয় কেউ হঠাৎ মারা গেলে মৃত্যুচিন্তা মানুষকে তাড়া করে। এর প্রকাশ ঘটে তাদের আচরণে, কথায় বা লেখায়। সাধক বাউল, সুফিরা তাঁদের আধ্যাত্মিক গানের কথায় বলে যান মরণ রহস্যের অনেক কথা। কবিরা তাঁদের লেখা কবিতায় অনেকবার বলেন মৃত্যচিন্তার কথা। কারণ জন্ম যেমন সত্য মৃত্যুও তেমনি। এ পৃথিবীর মায়া সবাইকে ত্যাগ করতে হবেই। তাইতো মরণের পর কেউ হতে চান প্রকৃতির, কেউ প্রেমের আবার কেউ আল্লাহ আ ঈশ্বরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গানের লিরিকে মৃত্যচিন্তা আমারও এসেছিলো এভাবে-
১.
তাজমহলের ঐ পাথরেতে লেখা নাম মুছবেই
নশ্বর পৃথিবীতে অবিনশ্বর বলে কিছু নেই।।
০২.০৩.৮৯
২.
না-পাওয়ার দুঃখগুলো গান করে লিখে গেলাম
আমর এ জীবনে আজ তোমাকে জড়িয়ে নিলাম।।
১০.০৬.৮৮
৩.
আর কিছু নাই, এ আমার একটি চাওয়াই
মরণের পর যেন বাংলার রূপ আমি দেখতে পাই।।
১৮.১১.৮৯
৪.
মরণ রে তুই যখন আসিস
মায়ের মতোন শুধু ভালোবাসিস।।
১৫.০২.৯০
৫.
কান্দে রে-
ভবের মানুষ কান্দে।
পরাণ পাখি উইড়া গেলে
সাধের জীবন যায় যে চলে
পইড়া গিয়া ফান্দে।।
২৩.১১.৯২
৬.
ভবের মাঝে আপিস কইরা করলি সময় পার
একদিন ছুটি নিতে হইবো ডাকলে পরপার।
সময় থাকবো নাকো আর
কবর হইবো কারাগার।।
১৩.০৪.২০০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






