somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শেখ এম উদ্‌দীন
আমার ব্লগ আমার বাসার ড্রয়িং রুমের মত, আমি এখানে যেকোনো কিছু দিয়ে সাজাতে পারি আপনার পছন্দ না হলে বলতে পারেন আমার কোন আসবাবটির অবস্থান বা ডিজাইন আপনার পছন্দ হয় নি এবং কেন হয় নি। তবে তা অবশ্যই ভদ্র ভাষাতে। ভাষার ব্যবহার করতে জানা অনেক বড় একটি গুন

তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, ওর মত হওয়ার চেষ্টা কর

০৩ রা জুন, ২০১৫ ভোর ৬:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানব শিশু সকল মেরুদণ্ডী এবং অমেরুদণ্ডী প্রানিদের মধ্যে সবচেয়ে অসহায় হয়ে জন্ম গ্রহণ করে। জন্মের পর হতে প্রতিটি ক্ষেত্রে তার অন্যের সহযোগিতা নিয়ে নিজের পায়ে দাড়াতে হয়। স্বাভাবিক ভাবেই জন্মের পর থেকে একটি শিশুকে সম্ভব্য সকল আদর, যত্ন এবং ভালবাসা দেয় শিশুটির পিতা মাতা এবং নিকটজনেরা। একটি মানব শিশুর একজন মানুষে রূপান্তরিত হতে এই পিতামাতাই অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। এই শিশুটি ছোট বেলা হতেই দেখে যে তার যেকোনো সমস্যা কিংবা অসুবিধাতে পিতামাতা তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ান। শিশুটিকে সাহস দিয়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যান। এর ফলে পিতামাতার প্রতি শিশুটির এক ধরণের নির্ভরতা এবং ভালোলাগা তৈরি হয়। মানুষ তার মনের সকল দুঃখ কষ্ট পিতামাতার সাথে শেয়ার করে তা লাঘবের চেষ্টা করে। সমস্যা হয়ে যায় তখনই যখন এই ছেলে/ মেয়েটি কোন পাবলিক পরিক্ষাতে সর্বোচ্চ কিংবা তাঁদের আশানুরূপ কোন ফলাফল করতে না পারে। যে পিতামাতা এই ছেলে/ মেয়ে টির এক বেলা একটু কম খাওয়া নিয়ে চিন্তা করে নিজেদের নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে দেন তারাই এই শিক্ষার্থী কে যেকোনো ধরণের কথা শুনাতে পিছপা হন না। হঠাৎ করে পিতা মাতার এই আচরণের পরিবর্তন এই শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যের উপর যে কত নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে তা তাঁদের মনে থাকে না। সচরাচর পিতামাতাগণ বাসার পাশের বা ক্লাসের অন্য একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ ধরে নেন। একই সাথে “তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, ওর মত হওয়ার চেষ্টা কর” এই কথা টি সকাল সন্ধ্যা সাঁঝে তাঁদের সন্তান কে নিয়মিত শুনাতে থাকেন।

যেকোনো খাদ্যের একটি লিমিট থাকে যার বেশি খেলে পেট খারাপ হতে বাধ্য, সন্তানের খাবারের চাহিদা মা ছাড়া কে বেশি ভালো জানে? সেই মা ই যদি অন্য “ভাবিরা” কি করছে তা বিবেচনা করতে গিয়ে নিজের সন্তানের বদহজম হওয়ার পরিমাণ বিদ্যা গ্রহনে তাকে বাধ্য করেন তাহলে সেই সন্তানের অনাগত ভবিষ্যৎ ধংসের জন্য আপনার দায় কীভাবে এড়াবেন? এত সব করার পরে যখন এই ছেলেটি হয়ত গোল্ডেন “এ+” (এটা আসলে এমন কিছু অভিভাবকদের সৃষ্টি গোল্ডেন বলতে কোন মাণ দণ্ড নেই) মিস করল বা তুলনামূলক খারাপ ফলাফল করলেই আপনি তাকে কত টাকার কোচিং করিয়েছেন তার হিসাব করতে বলেন। কোন কোন “ভাবি” এসে আপনাকে বলল “এ কি করল পুলক, এই ফলাফল নিয়ে বুয়েট, মেডিক্যাল, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্ভব না” (এই ভাবি হয়ত এই সকল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কীভাবে হয় তাও তিনি জানে না)। এই কথা শুনেই আপনি আপনার সন্তানকে ডায়লগ দিয়ে ফেললেন কি হবে তোকে দিয়ে কি হবে?

পরিপূর্ণ লেখাটি এই অনলাইন পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে। ণিচে লিঙ্ক এ আছে
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুগল এ.আই. - প্রফেশনাল সার্টিফিকেট পেয়ে গেলাম

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৫


বিগত কয়েক বছর ধরেই অনলাইনে কোর্সেরাতে টুকটাক কোর্স করছি, মাঝে মধ্যেই সার্টিফিকেট পাচ্ছি। তবে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স কখনো করা হয় নি। বলে রাখা ভালো কোর্সেরা ফ্রি নয়, এখানে আপনাকে পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৮



২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে প্রয়াত লেখক, গবেষক ও বাম রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরকে দেশের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। ষাটের দশকে যিনি ‘সাম্প্রদায়িকতা’ নামে আস্ত একটা বই... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন বেগম রোকেয়া, একজন মাদাম কুরী এবং একজন আএলিটা

লিখেছেন নাজনীন১, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০



মঙ্গল গ্রহের রাণী আএলিটা।



রাশিয়ান বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর একটি চরিত্র। ১৯২৪ সালের সাদা কালো ম্যুভিটি বানানো হয়েছে,সায়েন্সফিকশন উপন্যাসটি লিখেছিলেন এলেক্সে নিকোলেভিস টলস্টয়, ১৯২৩।


বাংলাদেশে এক সময়ে বিজ্ঞানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহ পর্ব-২

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯



এবার জিন্নাহর পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বিতর্কিত বক্তব্যে আসা যাক। জিন্নাহ জন্মসূত্রে গুজরাটি ছিলেন এবং কেবল ইংরেজি ও গুজরাটি ভাষা জানতেন। তিনি উর্দু বলতে পারতেন না। সেক্যুলারিস্ট জিন্নাহ যেহেতু ব্যক্তিজীবনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের জ্ঞানদীপ : যুক্তির আরব্য-ফারসী নবযাত্রা প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য -৩য় পর্ব

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৭
×