প্রান আর এফ এল এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ( অব: ) আমজাদ খান চৌধুরীর মৃত্যুতে শোকের বন্যা এবং মিডিয়ার কান্না দেখে তো আমি মর্মাহত হয়ে গেলাম। আহারে কত উদ্যমী একটা লোক মারা গেলেন।
কিন্তু কালক্রমে জানতে পারলাম তিনি রাজাকার, আল বদর, আল সামাস এদের চেয়েও ঘৃণিত কাজে লিপ্ত ছিলেন ১৯৭১ সালের সেই অগ্নিঝরা ৯ মাসে। এই কথা জেনে যত না অবাক হয়েছি তার চেয়ে বেশী অবাক হলাম যে আমাদের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির লোকজন এবং সুশীল গণ এই ব্যাক্তি জীবিত থাকতে বড় সুকৌশলে এই অমানুষটির স্বরূপ লুকিয়ে রেখেছেন। কে জানে হয়ত কারো মুরগির সাপ্লাইয়ের কন্ট্রাক্ট পাইয়ে দিয়েছিলেন তাই কৃতজ্ঞতা স্বরূপ...।।
যেখানে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরউত্তম খেতাব ধারীদের কেও মাঝে মাঝে রণাঙ্গনে না গিয়ে পালিয়ে থাকা বীর সেনানীগণ রাজাকার খেতাব দিতে মুহূর্তকাল বিবেচনা করেন না সেখানে এই রাজাকারের চেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণীটিকে সারাজীবন কত মমতাতে আগলে রাখলেন তাঁরা।
বাংলাদেশের মিডিয়া যে কত পরিমানের হলুদ সাংবাদিকতাতে আসক্ত তা এই কেঁচো খুরে অজগর না বেরোলে টের পেতে আমজনতার অনেক কাঠখড় পোড়াতে হত।
যেই দেশে একজন মুক্তিযোদ্ধা আত্মহননের পথ বেছে নেন সেই দেশেই এক জন রাজাকারে চেয়ে নিকৃষ্ট মানুষের মৃত্যুতে শোকের আবহ নেমে আসে। ওরে সেলুকাস তোর কোন জমজ কিংবা আপন বড় ভাই নাই তোরে দিয়ে যে আমাদের আর চলছে নারে। কি বিচিত্র এই দেশ, সমাজ, মিডিয়া এবং বুদ্ধি ব্যবসায়ীগণ (অথবা চতুরজীবীগণ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


