
পপেয়া বিলেজঃ এই অনিন্দ্য সুন্দর গ্রামটি মাল্টার Mediterranean island এ অবস্থিত। এ গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়িই হচ্ছে কাঠের তৈরি এবং বাড়িগুলোর ডিজাইনও নজরকাড়া!

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট অ্যাকুরিয়াম। অনন্যসাধারণ এই অ্যাকুরিয়ামটি তৈরি করেছেন রাশিয়ার আনাতালি কনেনকো। এর দৈর্ঘ্য ২৪ মিলিমিটার, প্রস্থ ৩০ মিলিমিটার এবং উচ্চতা ১৪ মিলিমিটার। অ্যাকুরিয়ামটি ভরতে হলে আপনার প্রয়োজন হবে দুই চা-চামচ পানি!

যুক্তরাষ্ট্রের সিইসি ক্যান্ডিজ ললিপপ ফ্যাক্টরির তৈরী এই ললিপপ কে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ললিপপ স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস কর্তৃপক্ষ। এর ওজন প্রায় তিন হাজার ১৭৬ কেজি। এটি চকলেট ফ্লেভার দিয়ে তৈরি।

প্রতিনিয়ত রং পাল্টায় এই হ্রদগুলোর। অবিশ্বাস্য হলেও পাশাপাশি তিন-তিনটা হ্রদ গিরগিটির মতো রং পাল্টাতে পারে। এই তিনটা হ্রদ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার মনি শহরের কেলিমুটু আগ্নেয়গিরির চূড়ায়। একটি হ্রদ চূড়ার একদম পশ্চিম অংশে অবস্থিত, বাকি দুটি পাশাপাশি। একটি পাথরের দেয়াল তাদের আলাদা করেছে। তিনটি হ্রদের পানি নীল, লাল ও সবুজ রঙের। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে যখন তখন ইচ্ছেমতো পানির রং পাল্টে ফেলে এই তিনটা হ্রদ। তুমি হয়তো সকালে নীল দেখে এলে, দুপুরে গিয়ে দেখবে লাল হয়ে গেছে হ্রদের জল। সাদা, কালো, বাদামি, লাল- এমন নানা রঙে নিজেদের রাঙায় বিস্ময়কর হ্রদগুলো। এছাড়া আগ্নেয়গিরির চূড়া কোনো কারণ ছাড়া হঠাৎ করেই ঢেকে যায় কুয়াশায়।

আমরা কেউ-ই হয়তো চাইবো না নিজেকে কয়েক টন ওজনের একটি হাতির পায়ের নিচে দেখতে। আর হাতির পা দিয়ে নিজের শরীর ম্যাসেজ করিয়ে নেওয়ার কথা তো কল্পনারও বাইরে। কিন্তু থাইল্যান্ডের একটি পর্যটন কেন্দ্রে এমনই অদ্ভূত এক ব্যবস্থা রয়েছে। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বাচ্চা হাতি একজন মহিলা পর্যটককে তার পা দিয়ে ম্যাসেজ করে দিচ্ছে। অবাক করার মতো ব্যাপার হলো, হাতিটি নিজেই এই ম্যাসেজ দিচ্ছে, এজন্য কেউ তাকে দিক নির্দেশনাও দিচ্ছে না।
* এ ধরনের আরও অনেক অনেক ছবির সংগ্রহ রয়েছে এই লিংকে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।