কবিতাঃ নারীর কলঙ্ক
বিষাক্ত যে রাতের ছোবলে পুরো পৃথিবী ডুবে যায় অন্ধকারে,
যে রাতে নিস্তব্ধ হয়ে আসে সকল সজীবতা,
শান্ত হয়ে আসে সকল কোলাহল,
যে ভয়ার্ত রাতের ভয়ে থেমে যায় পাখির ডাক,
শিশু বাচ্চাটিও যে রাতের ভয়ে চুপটি মেরে থাকে মায়ের বুকে,
সারাদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম শেষে গাঢ় ঘুমে ডুব দেয় কৃষক,
সেই রাতে শুধু আমার চোখেই ঘুম নেই,
পঞ্চান্ন বছর বয়সে এসেও একটুও ক্লান্তি বোধ করি না,
জীবনের অন্তিম মুহূর্তে এসেও কেমন অক্লান্ত আমি!
নিরবধি ভাবনার সাগরে ডুব মেরে থাকি,
সেই ভাবনাই অশান্ত হৃদয়ে ঝড় তোলে বারংবার,
অমোঘ ঘুমে চোখ বুজে এলেই অনুভব করি পুরুষের স্পর্শ,
চল্লিশ বছর পরও সে স্পর্শ আজও আমার কপোলে ঘাম জমায়।
সেই স্পর্শের পরও আমি পুরুষের স্পর্শ পেয়েছি,
বাবার আদরের স্পর্শ, স্বামীর ভালোবাসার, সন্তানের পরশ,
কিন্তু সেই স্পর্শকে কোন স্পর্শই আড়াল করে না,
আমি আজও কম্পিত হই সেই স্পর্শের অনুভবে,
সেই স্পর্শ লজ্জার, সেই স্পর্শ কলঙ্কের।
তবে এ লজ্জার, এ কলঙ্কেরই ফসল এই স্বাধীনতা।
তাই এ লজ্জাকে গর্বের, সম্মানের দেখে যেতে চাই,
দেখতে চাই সেই সব নরপশুদের কান্না,
যাদের স্পর্শে কান্না থামেনি আমার মতো লাখো বাঙ্গালি নারীর।
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।