somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রোকসানা লেইস
স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

সংবাদ শিরোনাম শুনতে শুনতে

২৩ শে জুন, ২০২৩ দুপুর ১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আঠারো জুন সকাল থেকে ছুটছিলাম। এক রাস্তায় ঘুরে আসতে হলো দুবার তিনবার করে। কয়েকটা এ্যাপয়েনমেন্ট পাশাপাশি। আবার কোথাও পৌঁছে যাচ্ছিলাম সময়ের আগে কোথাও যাওয়ার জন্য দুই এ্যাপয়নমেন্টর সময়ে টানাটানি লেগে যাচ্ছিল।
সকাল থেকে চলতে চলতে রেডিও শুনছিলাম অনেকদিন পর। রাস্তা হাতের রেখার মতন পরিচিত। তাই জিপিএসের দরকার নাই।রেডিও শোনার আগ্রহ ছিল শহরের ভোটের খবর জানার জন্য। ইদানিং এই বিষয়ে বেশি মন দিতে ইচ্ছা করে না। তারপরও জানার ইচ্ছা, কে হচ্ছে শহরের মেয়র আপটু ডেট থাকার জন্য।
রাজনীতি করা, দল করা লোকজনের কাণ্ড কারখানা অদ্ভুত। কখন যে মন বদলে যায় ঠিক নাই। যিনি আগের মেয়র ছিলেন। তার বেশ সুনাম ছিল। চৌদ্দ সাল থেকে জনপ্রতিনিধি আছেন।বাঁধাহীন জিতে আসছেন। পরেরবারও হয়তো জনগন উনাকে প্রতিনিধি বানাত।
কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে হঠাৎ ঘোষনা দিলেন তিনি মেয়রের পদ ছেড়ে দিচ্ছেন। বিষয়টা উনার ব্যাক্তিগত। তিনি এখন পরিবারের সাথে সময় কাটাতে চান।
কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের জীবনের ব্যাক্তিগত কিছুই আর গোপন থাকে না। তাই জানা হলো উনি অফিসের একজন প্রাক্তন কর্মচারীর সাথে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে তার অফিস থেকে সরে দাঁড়াবেন।কলিগের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন।
এই অবস্থায় নিজেই তিনি এখন নিজেকে যোগ্য মনে করছেন না। আর ঝড়ঝাপটা যা ঘরে আসছে তা সমলানোর দ্বায়িত্ব নিয়ে তিনি নিজের মুখ লুকাতে চাইছেন জনগনের থেকে।
এত ভালোমানুষ যার কাজ নিয়ে তেমন অভিযোগ ছিল না। ৬৮ বছর বয়সী মেয়র এবং ছেল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরেে প্রেমের বিবাহিত জীবনযাপন করছেন। তিনি জড়িয়ে গেলেন পরকীয়ায় একত্রিশ বছর বয়সী প্রাক্তন কর্মচারীর সাথে । সম্পর্ক শুরু হয়েছিল যখন তিনি মহিলার বস ছিলেন এবং তিনি নিজেই এটিকে "গুরুতর" অপরাধ বলে অভিহিত করেন।
তিনি নিজের জীবনের বেগতিক অবস্থা করে, নির্বাচনের নয় মাস আগে মধ্যবর্তি সময়ে শহরের মেয়র নির্বচনের জন্য এক বিশাল ব্যয় চাপিয়ে দিয়ে সরে গেলেন।ভিুলের মাশুল নিয়ে।
সেই নির্বাচনের অগ্রীম ভোট হচ্ছে তার খবর শুনছিলাম। এর মধ্যে শুনতে পেলাম একটা হেলিকাপ্টার ক্র্যাশ করে রাতের বেলা নদীতে পরে গেছে। চারজন যাত্রী ছিলেন দুজনকে মৃত পাওয়া গেছে আর দুজন সামান্য আঘাত পেয়েছেন তাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। এরা সবাই ছিলেন এয়াফোর্সের সদস্য।

তারপর পরই টাইটানিক দেখতে যাওয়া সাবমেরিন টাইটানের খবর। টাইটানিক দেখতে গেছেন টাইটানে করে পাঁচজন যাত্রী। এদের একদিনের অক্সিজেন আছে তার মধ্যে যদি উদ্ধার করা যায় তাহলে হয়তো বেঁচে যাবে মানুষগুলো। তবে সমুদ্রের এত তলে ডুবে গেছে সাবমেরিনটির সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
আজ জানা গেল সাবমেরিনটি বিস্ফোরিত হয়েছে, রোবট পাঁচটি টুকরা খুঁজে পেয়েছে সাবমেরিনের।

কানাডায় টাইটানিক মিউজিয়াম: টাইটানিক ভক্তদের জন্য একটি অবশ্যই দেখার বিষয়। কানাডার টাইটানিক মিউজিয়াম নোভা স্কটিয়ার হ্যালিফ্যাক্সে অবস্থিত। জাদুঘরটি টাইটানিক জাহাজ এবং এর যাত্রী এবং ক্রুদের স্মৃতিতে উত্সর্গীকৃত। জাদুঘরে টাইটানিকের গ্র্যান্ড সিঁড়ির একটি প্রতিরূপ, সেইসাথে জাহাজের নির্মাণ, ডুবে যাওয়া এবং উদ্ধারের প্রদর্শনী রয়েছে। অনেক যুদ্ধ জাহাজ মিউজিয়াম দেখলেও হেলিফেক্সে খুব কাছ দিয়ে ঘুরে ফিরে বেড়ালেও টাইটানিক মিউজিয়ামে যাওয়ার ইচ্ছা আমার হয়নি। গল্পটাকেই নিজের মধ্যে ধারন করে রেখেছি।
এমন অদ্ভুত সব দূর্ঘটনার খবর শুনতে শুনতে ছুটছিলাম আমি সেদিন। একটার পর একটা কাজ সেরে ফেলার জন্য এদিক থেকে ওদিকে।
সাগরের জলের নিচে অদ্ভুত রহস্য আছে। এই রহস্য আমাকে খুব টানে। কয়েকবার স্কুবা করেছি । সাবমেরিনে চড়ে জলের গভীরে সমুদ্রের জলের নিচে, সমুদ্রের তলদেশ দেখতে আমিও একবার গিয়েছিলাম, ভাবছিলাম পরিবারের সবাই মিলে আমরা বেশ মজা করে ঘুরে এসেছিলাম। সাবমেরিনে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন ভাবনা মনে আসেনি।
টাইটানিকের কাছে কি রহস্য ঘটে গেলো। টাইটান কি ডুবো আইসবার্গে বাড়ি খেলো নাকি খুদ টাইটানিকের সাথেই।



সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০২৩ দুপুর ১:৪১
১২টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমুদ

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৯

আমুদ
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

সে এক রাজ্যে রাজার রাজকন্যা
তাঁর রূপ, লাবণ্য, গড়নে মুগ্ধ!
সে বিকশিত গুণবতী
তাকে দেখে জাগে মনে প্রীতি!

তাঁর খুব রাগ কিন্তু মায়াবতী
তাকে দেখলে উদ্ভূত হয় প্রেম রাতারাতি।
সে উড়ে নীল আকাশে
আমি কাতর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি দাঁড়ানো সম্ভব নয়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৫


ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত যখন মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলা শুরু করলেন , তখন তার চোখে রাগ ছিল না, ছিল এক ধরনের ক্লান্ত অভিমান। একটা মুসলিম দেশ, কোটি কোটি মুসলিম মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) বিভিন্ন মতের অনুমোদন সংক্রান্ত হাদিস বাতিল হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৭



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।
ইউনূস ক্ষমতা দখল ছিল লুটের উদ্দেশ্যে। কেন শিশুদের টিকা দেয়া হয় নাই? তাদের দায়িত্ব ছিল টিকা পৌঁছে দেওয়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×