আমিও বাংলাদেশী, বাপের ক্ষমতা থাকলে তাড়ান : দাঙ্গাবাজ মোদীকে মমতা
০৬ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশীদের বিতাড়ন করার হুঙ্কার দিয়ে বারবার বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী যেভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন তার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোদীকে গ্র্রেপ্তার করে জেলে পুরার দাবি জানিয়েছেন। তবে এবার মমতার পর ভারতের রেলপ্রতিমন্ত্রী ও কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সভাপতি অধীর চৌধুরীও মোদীর দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছেন, আমি নিজেও তো বাংলাদেশী। আপনার বাপের ক্ষমতা থাকলে আমাকে তাড়ান দেখি। মেদিনীপুরের খড়গপুরে কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে আয়োজিত এক জনসভায় অধীর চৌধুরী বলেন, আওয়াজ তোলা হচ্ছে বাংলাদেশীদের তাড়াতে। আমিও তো বাংলাদেশী, আমাকেও তাড়িয়ে দেখুন। আমি আপনাকে ইনভাইট করছি, আপনার বাবার যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাংলাদেশে তাড়িয়ে দেখুন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই রেলপ্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী আরও বলেছেন, বাংলাদেশ তাড়াবেন। এসব বাহাদুরি এখানে (রাজ্যে) দেখাবেন না। তিনি বলেনে, আওয়াজ তোলা হচ্ছে, ১৯৪৭ সালের পর যারা এসেছেন তাদের বাক্স-প্যাটরা নিয়ে খেদিয়ে দেয়া হবে। তাহলে তো প্রথমেই বিজেপির প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আদভানিকে খেদাতে হয়। তিনি তো ভারতের স্বাধীনতার পর এদেশে এসেছেন পাকিস্তান থেকে। আদভানিকে খেদানোর ক্ষমতা আপনার কী আছে ? মোদীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনার কথায় যদি বাংলাদেশী তাড়াতে হয়, তাহলে আগামী দিনে বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের খেদানোর কথা বলতে পারে সংশ্লিষ্ট দেশ। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এখন বাংলাদেশী ইস্যু নিয়ে চ্যালেঞ্জ আর পাল্টা চ্যালেঞ্জের রাজনীতি চলছে। মোদী গত কয়েকদিনে যে কটি সভা করেছেন রাজ্যে সব জায়গাতেই বাংলাদেশী ইস্যুকে খুঁচিয়ে তুলেছেন। তবে রাজ্যের বিভিন্ন দলের নেতারা এজন্য মোদীকে পাল্টা জবাব দিতেও ছাড়ছেন না। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তো মোদীকে তুই তোকারি করে সম্বোধন করার পাশাপাশি কখনো মূর্খ কখনো দাঙ্গাবাবু বলে বিদ্রƒপও করেছেন। রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিপিআইএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যও মোদী সম্পর্কে মানুষকে সচেতন থাকার পাশাপাশি দাঙ্গাবাজ বলে তাকে অভিহিত করেছেন। বিজেপি অবশ্য চুপ করে বসে নেই। মোদীকে গ্রেপ্তার করার কথা বলে মমতা বিধিভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন রাজ্যেও বিজেপি নেতারা। আবার পুরনো তথ্য ঘেঁটে বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন, ২০০৫ সালে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লোকসভায় বিষয়টি তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অনুমতি না পেয়ে মমতা ফাইল ও চাদর লোকসভার ডেপুটি স্পিকারের দিকে ছুড়ে মেনেছিলেন। বিজেপির আরও অভিযোগ মমতাই একসময় জিগির তুলেছিলেন যে, বাংলাদেশীদের ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করছে সিপিআইএম।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০
আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।
শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।
আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১

শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।
ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ।
স্নিগ্ধ বাতাস দোলা...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬

এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই...
...বাকিটুকু পড়ুন