somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্প্যানকড
স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

বাঁচতে হলে কঠোর হোন !

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট ।

সরকার মুভমেন্ট পাস দিলেন। তা কতজন পেলেন?শপিংমল খুলে দিচ্ছেন লকডাউন ! মানে আদম তুমি সব খাইও ঐ গন্দম গাছের ধারে কাছে যাইও না। ব্যাপারটা এমন হলো কি ?

একবার হাসপাতাল করলেন খরচ করলেন ৩১ কোটি টাকা। রোগী নাই তাই ভাংলেন। গচ্চা গেল কতগুলি টাকা! টাকা কি গাছে ধরে? ভদ্র ভাষায় কইলাম।

এখন বর্ডার থেকে আলু, পেঁয়াজ আসছে। ভ্যাক্সিন আসছে কবে ? করোনা অদৃশ্য শত্রু। জামাত, বি এন পি, হেফাজত না। ধরলেন খোয়াড়ে ভরলেন!

এখনো সময় আছে শক্ত হোন। নইলে সব ছারখার হয়ে যাবে। এমনিতে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উঠে আসছি। মেট্রোতে চড়ার স্বপ্ন বুনি। সব লাটে উঠার আগে কোমড় টাইট করেন।

জানি, এ দেশের হাজারো লাখ সমস্যা। বুড়া মাইনষের দশা। হাঁচি কাশি দিলে হাগা মোতা এসে পড়ে। তবুও তো আছে একটা স্ট্রাকচার। জান গেলে আসে না ফেরত। যার যায় সে জানে কতটা বিষাদে কাটে হালত !

যতদুর জানলাম লিকুইড অক্সিজেন দেশে অত মজুদ নেই। তবুও স্বাস্থ্য মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন মজুদ আছে।তারপর ও বলা আগে ভাগে বাইরের দেশের সাথে কথা বলে রাখেন। যে সব ফ্যাক্টরী লিকুইড অক্সিজেন ব্যবহার করে এদের কে সাবধানী হতে বলেন। বড় বিপদে যেন পাশে থাকে।

মানুষ কে আরও সতর্ক করেন। গরীব অসহায় দের দিকে নজর দিবেন।এমন ও বিত্তশালী লোকজন আছে যাদের কয়জনের টাকায় দেশের বাজেট হয়ে যায়। তাদের এগিয়ে আসার সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করুন।

আর একটা বিষয় জরুরি, কোন সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট লাগিয়ে যেন মানুষ মারার চিন্তা কেউ না করে সেদিকে সুনজর দিবেন।

প্রতি মহল্লার গরীব অসহায়দের মাঝে পর্যাপ্ত খাবার পানি দিয়া লকডাউন দিবেন। যাতে এরা বাইরে না আসে। আসলেও মুখে যেন মাস্ক থাকে। দূরত্ব বজায় রেখে চলে।

কঠোর হোন।সবাই কে বুঝাতে সক্ষম হোন।হেলা করার সুযোগ নেই যেহেতু পাশের রাষ্ট্রের অবস্থা নাজুক। সেই উহান এক শহর থেকে যার জন্ম। সে এখন বিশ্বের কোথায় নেই একটু ভাবেন?

খালি যদি করোনা আক্রান্ত কেউ বর্ডার এলাকায় আইসা খুক কইরা একটা কাশি বা হাঁচি দেয় তাইলে গেছে ! কারণ করোনায় আক্রান্ত রোগী একটা জ্যান্ত জীবাণু বোম ! একটু ভুলে সব হারাবেন মনে রাইখেন ।

আল্লাহ উত্তম হেফাজতকারী ও পালনকর্তা। সে আশায় চোখ বুজি আর খুলি ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৩৮
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×