somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্প্যানকড
স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

ছোবল !

০৫ ই মে, ২০২১ রাত ৯:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট ।


মানব জীবন এর সবচেয়ে বড় বিপদজনক কাল বা অধ্যায় হচ্ছে কিশোর কাল বা বয় সন্ধি কাল।সে সময়কার গাইড লাইনটা সবচেয়ে জরুরি বিষয়।আসেন তেমন একখান গল্প শুনি।

আসিফ ওর বয়স সবেমাত্র ১৪।ওর ক্রাশ হচ্ছে পাশের বাসার দিদি। নাম রিভা। দোষ ওর না।শরীরে ছুটছে নতুন নতুন হরমোন। নারী শরীর দেখলেই কেমন জানি করে।

বন্ধুদের সাথে তর্ক চলছে রমজান ভংগের কারণ কি।যথারীতি ও বলল, খাওয়া যাবে না মোট কথা সমস্ত ধরনের পানাহার হারাম।
ওর বন্ধুরা হাসতে লাগল।কিছু বন্ধু থাকে না যারা ঐ সময়ে নারী পুরুষের মিলনের ব্যাপারটা পুরা না হলে ও ভাসাভাসা জানে।সেরকম এক বন্ধু নাম সোহেল।বলে ফেলল " আরে তুই মেইন কারণ একটা জানছ না। সর্বপ্রথম কারণ যেইটা সেইটা। "
আসিফ বোকার মতন বলে ফেলল কোনটা বাদ গেল?সবাই হেসে বলে দিল " স্বামী স্ত্রী দিনের বেলায় সেক্স করলে রোজা শেষ।এর কাফফারা দিতে হয় কঠিন "।

আসিফ এর মাথায় ঢুকছে না সেক্স কি খাওয়া বা কোন কিছু পানের মধ্যে পড়ে?
যাক সেসব কথা।আসিফ দ্রুত এর উত্তর খোঁজতে আরেক বন্ধুকে নক করল।বাবা, মাকে তো আর জিজ্ঞেস করা যাবে না এসব।
নকিব শুনে প্রথমে হাসল পরে বলল, কাল বাসায় একলা আছি।আব্বা, আম্মা দুজন কাজে চলে গেলে এসে পড়িছ ধর দশটা নাগাদ।তোরে বলছি সব।

আসিফ এর রাতে উত্তেজনায় ঘুম হইল না ভালো।সকাল দশ টায় নকিব এর বাসায় এলো।নকিব ওরে জলদি ওর ঘরে নিয়ে গেল।বাসা ফাঁকা।কেউ নাই।তারপর বলল, দাঁড়া একটু আসছি।

আসিফ অস্থির হয়ে পড়ছে।এমন সময় দেখে নকিবের হাতে কয়টা বই।নকিব বই গুলি দিয়ে বলল, পড়। 

আসিফ ফ্রন্ট কাভারে দেখল অর্ধনগ্ন এক নারীর ছবি।জীবনে প্রথম কোন নারীর এমন ছবি দেখছে।ভেতর এর পাতায় কিছু গল্প সাথে সেক্স পজিশন এর নানান কালারফুল ছবি।

আসিফ দেখছে আর ভাবছে অন্য জগতে চলে গেল।ওর পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে উঠছে।তখন আসিফ আন্ডার ওয়ার পড়ত না।যার ফলে স্পষ্ট ওর শক্ত পুরুষাঙ্গটি দেখা যায়।

নকিব দেখে হাসল আর বলল, " কিরে মজা পাচ্ছিস! " আরো মজা পাবি যা বাথরুমে যেয়ে কাজ করে আয়। "

আসিফ লজ্জা পেল।বোকার মতন আবার বলল, কি?
নকিব এর আবারও হাসি।পুরো ব্যাপারটা খুলে বলল আসিফ ও যেন ওর কথামতো তাই করতে লাগল।

এক সময় আসিফ পুরা চটিবাজ হয়ে গেল।অনেকটা নেশাখোর দের মতন।অনেক খিস্তি খেউড় জেনে গেল।পুরা ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে গেল।কিন্তু তবুও যেন নিজের ভেতর অশান্তি চলতে লাগল। এদিকে ওর রিভাকে দেখে ছুঁতে ইচ্ছে করে।ওরে নিয়ে নানান সেক্স পজিশন চিন্তা করা শুরু করল।লেখাপড়ার অবস্থা খারাপ হতে লাগল।শ্রেনীতে নম্বর পাঁচের ছাত্র এখন কুড়ির ধারে কাছে নেই।

বহুবার তওবা করে কিন্তু কাজ হয় না।দুই দিন পর সেই আবার।একদিন ওর মায়ের হাতে ধরা পড়ে গেল হাতেনাতে।ওর মা সমস্ত চটি বই নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দিল।কড়া মাইর দিল সাথে বকাঝকা করলেন৷
ও লজ্জায় বাথরুমে যেয়ে হার পিক গলায় ঢেলে দিল।ওর মা অনেকক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করে যখন দেখে আসিফ দরজা খুলছে না।সবশেষে দরজা ভেংগে দেখে আসিফ আর নাই!

আজ আসিফ এর পনেরতম মৃত্যু বার্ষিকী।রিভার বিয়ে হয়ে গেছে এক বাচ্চা আমেরিকা থাকে।বন্ধুরা যে যার মতন ব্যস্ত! বুড়া বাপ, মা শুধু আফসোস করে আর কাঁদে!

বিদ্র ঃ কেউ মন্দ দৃষ্টি তে নেবেন না। বিষয়টি কিন্তু সিরিয়াস।এখন তো আরও সহজ শুধু স্মার্ট ফোন হাতে থাকলেই চলে!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ৯:৫৬
৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৬)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০১



সূরাঃ ১৬ নাহল, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক উম্মাত (একজাতি) করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×