
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যের জন্য যা করে গেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলা সাহিত্যের এমন কেউ নেই যে তাঁকে চিনে না। আমরা কম বেশী তাঁর সাহিত্য কর্ম নিয়ে আলাপ আলোচনা করি আবার সমালোচনা ও করি।
তিনি যে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার এর রত্ন ছিলেন তা বুঝি আর বলতে। তেমনি ঠাকুর পরিবার এর আরও অনেকে ছিলেন তার মাঝে তাঁর দাদা দ্বারকানাথের কথা উল্লেখযোগ্য।
তিনি ছয় বছর বয়সী এক জনকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন! এখনকার দিনে হলেতো মামলা খেয়ে বসে থাকতো তাই নয় কি? এ ঠাকুর পরিবার এর আয়ের উৎস নিয়ে কখনো কেউ তেমন কথা বলেনি। জানতে চায়নি কিন্তু আপনি যদি শোনেন এদের আয়ের উৎসের একটা অংশ বেশ্যালয় থেকে আসত। তাহলে হয়তো অবাক হবেন। কি রেগে গেলেন? না, ঘটনা তো ঘটায় দিছে লেখক গোলাম আহমদ মর্তুজা।
রবীন্দ্রনাথের দাদা দ্বারকানাথের কলকাতা নগরীতে ৪৩টা বেশ্যালয় ছিলো। এছাড়া ছিলো মদ আর আফিমের ব্যবসাও।
(সূত্র: এ এক অন্য ইতিহাস, অধ্যায়: অসাধারণ দ্বারকানাথ, লেখক: গোলাম আহমদ মর্তুজা, পৃষ্ঠা: ১৪১)।
এ খবর আনন্দবাজার পত্রিকা ও প্রকাশ করে।
"রবীন্দ্রনাথের দাদা দ্বারকানাথ ছিলেন দেড়শ টাকা বেতনের ইংরেজ ট্রেভর প্লাউডেনের চাকর । দ্বারকানাথ ধনী হয়েছিলেন অনৈতিক ব্যবসার দ্বারা। রবীন্দ্রনাথের দাদা দ্বারকানাথ ঠাকুরের তেতাল্লিশটা বেশ্যালয় ছিল কলকাতাতেই।
( তথ্যসূত্র: কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা,২৮শে কার্তিক,১৪০৬, রঞ্জন
বন্দ্যোপাধ্যায়)"
এখন আমরা জানি বেশ্যালয়ে গেলে নানান রোগব্যাধি হতে পারে। সে আমলে তো আরও হওয়ার সুযোগ ছিল।
এখন যাহা বর্ননা করছি এতে হয়তো আপনারা আমাকে মারতে আসবেন কিন্তু কি করার সত্য যে বেড়িয়ে পড়ে।
১৯২৮ সালে অবতার পত্রিকায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সিফিলিস রোগের খবরটা তেমন গুরুত্ব পায় নি।
(রবীন্দ্রনাথের সিফিলিস হয়েছিলো এর সূত্র: বই-নারী নির্যাতনের রকমফের, লেখক: সরকার সাহাবুদ্দিন আহমদ, পৃষ্ঠা: ৩৪১,)

এই কিতাব থেকে জেনে নিবেন। রকমারি ডট কমে কিতাব টি পাবেন। তাই তো রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন,
" বাংলার বধু বুকে তাহার মধু! "
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



