
আমরা এ সোসাইটির অনেকেই আছি শুধু এ চিন্তা করছি সব কিছু সরকার করে দিবে। সব কিছু কি সরকার ঠিক করতে পারে? সরকার চেষ্টা করছে কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সহিত বলতে হয় যে, দেশের টিকা পর্যন্ত চুরি হয়ে যাচ্ছে ! ছিঃ! আর কত নীচে গেলে আমরা তল খুঁজে পাব।
৭১ টিভির রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের ৬০ ভাগ মানুষ ঋন করে চলছে আর ১০ ভাগ মানুষ তিন বেলা ঠিকঠাক খেতে পারছে না অথচ আমাদের পরীমনির চিন্তায় ঘুম নেই খাওয়া নেই! হালায় আসলে আমরা আজব একখান জাতি !
এই যে যারা ঋন করছেন কোন আশায় করছেন ? যে এক সময় সব ঠিক হবে আবার ব্যবসা করব বা চাকরি খুঁজে পাব তারপর সব শোধ করে দিব এই আশায় তো কিন্তু জনাব যে দেশে এমনিতেই যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাওয়া স্বপ্নের ব্যাপার সেখানে একবার চাকরি গেলে আবার ফিরে পাওয়া কতদূর সম্ভব আল্লাহ ভালো জানে। আমি জানি বছর চলে যেতে পারে কিচ্ছুই মিলবে না।
তখন এই যে ঋন করছে কিভাবে শোধ হবে? যদি সুদে নিয়ে থাকে তাহলে মরছে। আমার জানামতে গ্রামে বা মফস্বলে অনেকে সুদের কাছেই বেশী যায়। আসলে পেটে খিদা থাকলে ধর্ম কিতাব হাদিস কাম করে না।পেট বড় হারামি চীজ!
যতই আমরা বলি না কেন করোণা এক সময় দমে যাবে কিন্তু বাস্তবে দমার আগে যে ক্ষতি করে যাচ্ছে তা বলে বা লিখে শেষ করা যাবে না।
বড়লোক সম্প্রদায় আরও বড়লোক হবে হচ্ছে মাঝখান দিয়ে গরীব আর মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত করাতকলের নীচে মাথা দিয়ে আল্লাহ আল্লাহ করছে।
মানুষের পেট যখন খালি থাকে পকেট যখন খালি থাকে তখন সে যেকোন কাম করতে পারে।
সরকারের উচিত জলদি একটা ব্যবস্থা করা দ্রব্যমূল্যের দাম ঠিক করা যাতে না খেয়ে কেউ মারা না যায়।
আমরা কেমন জানি হয়ে যাচ্ছি । বিশেষ করে মন মানসিকতার দিক থেকে। দিন কে দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছি।
যেমন আমার কথাই বলছি সমস্ত দিন কি করি এ ঘর ও ঘর টিভি, পুস্তক, গান, ছাদে যাওয়া তারপরে ব্লগে কিচ্ছুক্ষণ ঢু মারা শেষমেশ মাতালের মতন ঘুম!
আজ চেষ্টা করলাম মনের ভেতরকার মেঘ দূর করতে কত কবিতা উপন্যাস নিলাম দুই লাইন পড়ে দূর বাল! বলে ফেলে দিলাম। ইউটিউবে গান শোনার চেষ্টা করলাম সেই একই কাজ আর চ্যানেল ঘুরাতে ঘুরাতে হয়রান। যেখানে যাই ঐ এক ল্যাওড়ার খবর পরীমনির হ্যান পরীমনির ত্যান! রাগ ধরে গেছে।
রাগ কমাতেই এগুলা লিখছি। দিন কে দিন আমি ঠান্ডা মেজাজের মানুষ অল্পতেই ইদানীং কড়া মেজাজ করে চলছি যা খুব ক্ষতিকর । অন্যদের ব্যাপারে জানি না নিজেকে দিয়ে বিচার করছি।
যাদের বাপের মেলা টাকা আছে তারা সুখে আছে ফুর্তিতে আছে আর পলিটিশিয়ানদের ছাওয়াল হলে তো কথাই নাই! এ দুঃখ রইয়া গেল কেন রাজনীতিবিদ হলাম না বা তাদের ঘরে জন্মাইলাম না !
যাক সেসব কথা এত সবের ভীড়ে পুরনো আমার খুব পছন্দের একটা হিন্দি গান এর কিছু অংশ দিয়ে শেষ করছি।
" মুঝে টুকরো মে নেহি জিনা হে
কাতরা কাতরা তো নেহি পিনা হে
আগ সে আগ বুজেগি দিল কি
মুঝে ইয়ে আগ ভি পি লেনে দো
আভি জিন্দা হো তো পি লেনে দো
পি লেনে দো
ভরী বারসাত মে পি লেনে দো। "
ভালো থাকবেন এবং সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন সকলে ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



