
আমার ৬০ পাওয়ারের বাতির কাছে
সন্ধ্যাকালে যে পোকাগুলি বোকার মতন
জড়ো হয়
সকালে ওদের মৃত দেহ গুলি তুলে ফেলে দিতে
একটুও কষ্ট হয় না
চোখ জ্বলে না
গলা ধরে আসে না
আমি অনায়াসে কাজটি করে ফেলি।
এই-যে,
এ শতকে নেতাগুলি আমাদের
সেই বনী ইসরায়েলদের মতন গোলাম বানিয়ে রেখেছেন
এ থেকে বের হওয়ার উপায় কি?
মুসা নবী তো আর ফেরত আসবে না !
আমি যখন কোন মিটিং দেখি
বা
কোন নেতার বক্তৃতা শুনি
দীর্ঘদিনের সাথী
পুরনো জিন্সের জিপারে
তখন হাত রাখি
ইচ্ছে করে ওদের মুখে গরম জল ঢালি
অবশ্য
খানকির পুত!
শব্দটি সুপার সনিক যেকোন বিমানের চেয়ে
তীব্র গতিতে বেরিয়ে পড়ে
তাই কারো কাছে ধরা পড়ে না
অত গতি ধরার মগজ ওদের নাই।
একটা দৃশ্য খুব গেঁথে আছে মনে
শীতের রাত্রি গুড়িগুড়ি বৃষ্টি
একটা কুকুর ভিজে চলেছে
কোন আশরাফুল মাখলুকাত ফিরেও দেখেনি
আশ্রয় দিবে কি ?
কুকুরটি হয়তো এতদিনে মরে গেছে
মেলাদিন দেখিনা
বা,
ওর আস্তানা বদলে ফেলেছে
আমার ছোট জানালা দিয়ে যখন
ওর ছোট চোখে চোখ বন্দী হলো
দেখেছি,
কষ্ট কি!
ঘৃনা কি!
যাবার কালে দুই তিনবার কুইকুই শব্দ করে গেল
যার তরজমা করলে হয়তো দাঁড়াবে,
" তোমরা ইনসান!
আমার স্টাইলে দিব্যি মজা লুটে নিচ্ছ
আমি তোমাদের বিরুদ্ধে
কপিরাইট মামলা ঠুকে দিব
মনে রাখবা,
কুত্তা চুদে না কোন জজ উকিল ! "
২৬ ডিসেম্বর ২১।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



