somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমরাই যখন হন্তারক!!!!!!!!

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরাই পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য লড়াই করেছি, প্রাণ দিয়েছি। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন আমাদের সকল প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে। আমাদেরেক মুক্তির পথ প্রদর্শন করেছে। তাই মাতৃভাষা বাংলা আমাদের কাছে এক অন্যতম আবেগীয় সত্ত্বার নাম, এক অন্যরকম ভালোবাসার আশ্রয়। আমরা গর্ব করে বলি আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, এই মাতৃভাষার সাথে জড়িয়ে আছে আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, গর্ব। কিন্তু আমাদের অতি গর্বের ধন বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ কতটুকু!!!!! আমাদের দেশে এখন নানামুখি শিক্ষাব্যবস্থা। উচ্চবিত্ত এবং উচ্চমধ্যবিত্তদের ছেলে-মেয়েরা এখন আর বাংলা মাধ্যমে লেখাপড়া করে না। তারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করে। ইংরেজি মাধ্যমের দাপট এখন ঢাকা শহর থেকে ছড়িয়ে পড়েছে জেলা শহর এমন কি উপজেলা পর্যন্ত। উঠতি মধ্যবিত্তরা এখন ছেলে-মেয়েদের বাংলা মাধ্যমে পড়ালেও তাদের মন আনচান করে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর জন্য। অপরদিকেে একেবারে নিম্নবিত্তদের অধিকাংশের ছেলে-মেয়েদের ঠাঁই হয় মাদ্রাসায়। তারা সেখানে আরবীতেই বেশিরভাগ অংশ পড়ে। এই দুই অংশের মধ্যবর্তী অংশ বাংলা মাধ্যমে লেখাপড়া করে। এটা গেল একটা দিক। এবার আসি উচ্চ শিক্ষা প্রসঙ্গে। উচ্চ শিক্ষায় আগে থেকে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার এই দুই জায়গায় ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো হতো। এখন মোটামুটি সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হয়ে গেছে এবং সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হওয়ার সাথে সাথে ইংরেজি মাধ্যমও চালু হয়ে গেছে। এরপর দেখা যাবে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র বাংলা বিষয়ে অনার্স পড়বে তারাই শুধু বাংলা পড়বে এবং বাংলা চর্চা করবে। এভাবে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলা ভাষা বিতাড়িত হয়ে শুধুমাত্র মানুষের মুখের ভাষায় পরিণত হবে। বাংলা ভাষা হয়ে পড়বে নিজভূমেই পরবাসী। পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজি ও হিন্দীর দাপটে বাংলা ভাষা নিঃশেষ হওয়ার পথে। আর তাই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘ভবিষ্যতে ঢাকা হবে বাংলা ভাষার প্রাণ কেন্দ্র।’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই আশাবাদও আজকে দুরাশায় পরিণত হওয়ার পথে। হাইকোর্ট নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও ঢাকা শহরের অধিকাংশ বিলবোর্ড, হোর্ডিং ইংরেজিতে লেখা। একটা দেশ কত উন্নত সেটা বোঝা যায় তাদের ভাষার অবস্থান দেখে। যেমন আমরা সারা বিশ্বেই ইংরেজির দাপট দেখতে পাই কিন্তু ইংল্যান্ড বাদে ইউরোপের আর কোনো দেশে ইংরেজির দৃশ্যমান ব্যবহার নেই। ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ইত্যাদি দেশ তাদের ভাষার মাধ্যমে জাত্যভিমানকে বজায় রেখেছে। আমাদের এশিয়ার দেশগুলি বিশেষ করে জাপান, দক্ষিন কোরিয়া, চীন আজ অর্থনৈতিক ভাবে উন্নতির শিখরে অবস্থান করছে কিন্তু সেসব দেশে তারা ইংরেজিকে ঢুকতে দেয়নি। তারা তাদের মতো করে তাদের নিজের ভাষায় জ্ঞান চর্চা করে। আর বিদেশী ভাষা যেটুকু দরকার সেটুকু তারা আত্মস্থ করছে এবং বিদেশীদের সাথে কাজ চালানোর জন্য প্রশিক্ষিত বাহিনী তৈরি করছে। তারা উন্নতি করছে কিন্তু নিজস্ব ঐতিহ্য আর স্বকীয়তাকে বিসর্জন দিয়ে। আর আমরা উন্নতি করতে চাচ্ছি কিন্তু নিজেদের ঐতিহ্য আর স্বকীয়তাকে পদদলিত করে! রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ব্যাপারটিকে অস্বীকার করেন নি কিন্তু তিনি বলেছিলেন, ‘আগে মাতৃভাষার গাঁথুনিটা শক্ত হওয়া চাই, তারপর অন্যভাষা।’ কিন্তু আমরা উল্টো মাতৃভাষার গাঁথুনিটাকে অস্বীকার করেে ইংরেজি ভাষায় সৌধ নির্মান করতে চাচ্ছি। অনেকে বলে থাকেন, বাংলা ভাষায় ভালো বই নেই কিংবা অনুবাদ করলে সঠিক ভাবটি প্রকাশ করা যায়না একথা কতটুকু ঠিক কিনা জানি না, তবে অনুবাদ ঠিকমতো করতে পারলে সেটি যে হৃদয়ঙ্গম করা অনেক সহজ হয়ে ওঠে সেটি বুঝেছি রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা পড়তে গিয়ে,
For we are bound where mariner has
not yet dare to go,
And we will risk the ship, ourselves and all.
আমরা যাব যেখানে কোনো
যায় নি নেয়ে সাহস করি,
ডুবি যদি তো ডুবি না কেন
ডুবুক সবই, ডুবুক তরী।
মাতৃভাষা যদি আমরা ঠিক ভাবে চর্চা না করি, আমাদের শিক্ষার বাহন না করি তাহলে ভবিষ্যতে একটা শেকড়বিহীন প্রজন্ম গড়ে উঠবে। তাই আজ সময় এসেছে, আমাদের মাতৃভাষাকে নিয়ে ভাববার, মাতৃভাষার ভবিষ্যতকে সুদৃঢ় করার। আমরা যদি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই তাহলে আমাদের মাতৃভাষাকে পদদলিত করে আমরা সেই অবস্থানে যেতে পারব না বরং আমাদের মাতৃভাষাকে ঠিকভাবে লালন-পালন করলেই বরং সেখানে সহজে পৌঁছাতে পারব । আবারও মুনীর চৌধুরীর সুরে সুর মিলিয়ে বলি, “ ভাষার স্বভাবই হলো অস্পষ্ট থাকা, অন্তরাল সৃষ্টি করা, হরবোলার কৌতুকে মেতে ওঠা। ভাষা খেলা করে জিবের ডোগায়, ঘোষিত হয় গলার মধ্য দিয়ে, প্রাণ লাভ করে ফুসফুস থেকে, এ ও বাইরের সত্য। আসলে ওর জন্ম বুকের মধ্যে, উৎস মানুষের মন। মন কি কখনো নিয়মের বশ হতে চায়? একই ভাষা একজনের কাছে মধু, অন্যজনের মুখে বিষ। সকাল বেলায় কলহের হাতিয়ার, দুপুরে কর্মের বাহন, অপরাহ্নে শ্রান্তির, সনধ্যায় স্বপ্নের।

আমরা ভাষার জন্য লড়াই করেছি, প্রাণ দিয়েছি, আমরা গর্ব করে বলি আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, এই মাতৃভাষার সাথে জড়িয়ে আছে আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, গর্ব। কিন্তু আমাদের অতি গর্বের ধন বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ কতটুকু!!!!! আমাদের দেশে এখন নানামুখি শিক্ষাব্যবস্থা। উচ্চবিত্ত এবং উচ্চমধ্যবিত্তদের ছেলে-মেয়েরা এখন আর বাংলা মাধ্যমে লেখাপড়া করে না। তারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করে। ইংরেজি মাধ্যমের দাপট এখন ঢাকা শহর থেকে ছড়িয়ে পড়েছে জেলা শহর এমন কি উপজেলা পর্যন্ত। উঠতি মধ্যবিত্তরা এখন ছেলে-মেয়েদের বাংলা মাধ্যমে পড়ালেও তাদের মন আনচান করে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর জন্য। অপরদিকেে একেবারে নিম্নবিত্তদের অধিকাংশের ছেলে-মেয়েদের ঠাঁই হয় মাদ্রাসায়। তারা সেখানে আরবীতেই বেশিরভাগ অংশ পড়ে। এই দুই অংশের মধ্যবর্তী অংশ বাংলা মাধ্যমে লেখাপড়া করে। এটা গেল একটা দিক। এবার আসি উচ্চ শিক্ষা প্রসঙ্গে। উচ্চ শিক্ষায় আগে থেকে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার এই দুই জায়গায় ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো হতো। এখন মোটামুটি সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হয়ে গেছে এবং সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হওয়ার সাথে সাথে ইংরেজি মাধ্যমও চালু হয়ে গেছে। এরপর দেখা যাবে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র বাংলা বিষয়ে অনার্স পড়বে তারাই শুধু বাংলা পড়বে এবং বাংলা চর্চা করবে। এভাবে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলা ভাষা বিতাড়িত হয়ে শুধুমাত্র মানুষের মুখের ভাষায় পরিণত হবে। বাংলা ভাষা হয়ে পড়বে নিজভূমেই পরবাসী। পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজি ও হিন্দীর দাপটে বাংলা ভাষা নিঃশেষ হওয়ার পথে। আর তাই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘ভবিষ্যতে ঢাকা হবে বাংলা ভাষার প্রাণ কেন্দ্র।’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই আশাবাদও আজকে দুরাশায় পরিণত হওয়ার পথে। হাইকোর্ট নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও ঢাকা শহরের অধিকাংশ বিলবোর্ড, হোর্ডিং ইংরেজিতে লেখা। একটা দেশ কত উন্নত সেটা বোঝা যায় তাদের ভাষার অবস্থান দেখে। যেমন আমরা সারা বিশ্বেই ইংরেজির দাপট দেখতে পাই কিন্তু ইংল্যান্ড বাদে ইউরোপের আর কোনো দেশে ইংরেজির দৃশ্যমান ব্যবহার নেই। ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ইত্যাদি দেশ তাদের ভাষার মাধ্যমে জাত্যভিমানকে বজায় রেখেছে। আমাদের এশিয়ার দেশগুলি বিশেষ করে জাপান, দক্ষিন কোরিয়া, চীন আজ অর্থনৈতিক ভাবে উন্নতির শিখরে অবস্থান করছে কিন্তু সেসব দেশে তারা ইংরেজিকে ঢুকতে দেয়নি। তারা তাদের মতো করে তাদের নিজের ভাষায় জ্ঞান চর্চা করে। আর বিদেশী ভাষা যেটুকু দরকার সেটুকু তারা আত্মস্থ করছে এবং বিদেশীদের সাথে কাজ চালানোর জন্য প্রশিক্ষিত বাহিনী তৈরি করছে। তারা উন্নতি করছে কিন্তু নিজস্ব ঐতিহ্য আর স্বকীয়তাকে বিসর্জন দিয়ে। আর আমরা উন্নতি করতে চাচ্ছি কিন্তু নিজেদের ঐতিহ্য আর স্বকীয়তাকে পদদলিত করে! রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ব্যাপারটিকে অস্বীকার করেন নি কিন্তু তিনি বলেছিলেন, ‘আগে মাতৃভাষার গাঁথুনিটা শক্ত হওয়া চাই, তারপর অন্যভাষা।’ কিন্তু আমরা উল্টো মাতৃভাষার গাঁথুনিটাকে অস্বীকার করেে ইংরেজি ভাষায় সৌধ নির্মান করতে চাচ্ছি। অনেকে বলে থাকেন, বাংলা ভাষায় ভালো বই নেই কিংবা অনুবাদ করলে সঠিক ভাবটি প্রকাশ করা যায়না একথা কতটুকু ঠিক কিনা জানি না, তবে অনুবাদ ঠিকমতো করতে পারলে সেটি যে হৃদয়ঙ্গম করা অনেক সহজ হয়ে ওঠে সেটি বুঝেছি রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা পড়তে গিয়ে,
For we are bound where mariner has
not yet dare to go,
And we will risk the ship, ourselves and all.
আমরা যাব যেখানে কোনো
যায় নি নেয়ে সাহস করি,
ডুবি যদি তো ডুবি না কেন
ডুবুক সবই, ডুবুক তরী।
মাতৃভাষা যদি আমরা ঠিক ভাবে চর্চা না করি, আমাদের শিক্ষার বাহন না করি তাহলে ভবিষ্যতে একটা শেকড়বিহীন প্রজন্ম গড়ে উঠবে। তাই আজ সময় এসেছে, আমাদের মাতৃভাষাকে নিয়ে ভাববার, মাতৃভাষার ভবিষ্যতকে সুদৃঢ় করার। আমরা যদি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই তাহলে আমাদের মাতৃভাষাকে পদদলিত করে আমরা সেই অবস্থানে যেতে পারব না বরং আমাদের মাতৃভাষাকে ঠিকভাবে লালন-পালন করলেই বরং সেখানে সহজে পৌঁছাতে পারব । আবারও মুনীর চৌধুরীর সুরে সুর মিলিয়ে বলি, “ ভাষার স্বভাবই হলো অস্পষ্ট থাকা, অন্তরাল সৃষ্টি করা, হরবোলার কৌতুকে মেতে ওঠা। ভাষা খেলা করে জিবের ডোগায়, ঘোষিত হয় গলার মধ্য দিয়ে, প্রাণ লাভ করে ফুসফুস থেকে, এ ও বাইরের সত্য। আসলে ওর জন্ম বুকের মধ্যে, উৎস মানুষের মন। মন কি কখনো নিয়মের বশ হতে চায়? একই ভাষা একজনের কাছে মধু, অন্যজনের মুখে বিষ। সকাল বেলায় কলহের হাতিয়ার, দুপুরে কর্মের বাহন, অপরাহ্নে শ্রান্তির, সনধ্যায় স্বপ্নের।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×