
কঙ্কবতীকে জড়িয়ে ধরে কমলেশ
তীব্র আবেগে।অস্পষ্ট স্বরে বলে-কঙ্কাবতী,
আমার কঙ্কাবতী।কঙ্কাবতী নিশ্চুপ,চোখে তার ফাঁকা দৃস্টি।
দীর্ঘ নয় মাস।ট্রেনিং।বিরহী জ্যোৎস্না রাত
জীবন বাজি রাখা দিন।জীবন বাজি রাখা রাত
একদিন শেষ হয়।ফিরে আসে কমলেশ।
যেদিন ধরা পরে কঙ্কাবতী সেদিন রাত ছিল হিংস্র
জ্যোৎস্নায় ছিলনা কোন স্নিগ্ধতা
প্রথমে একজন।তারপর আর একজন।এভাবে সারা রাত
ক্যাম্পের দিনগুলিতে কঙ্কাবতীর মুখ,যোনীদ্বার,পায়ুপথ কোন কিছু বাদ রাখেনি তারা।
মরে যেতে চেয়েছে বার বার।কিন্তু কমলেশ! আবার বেঁচে থাকার তীব্র ইচ্ছা জেগেছে
কমলেশ চশমাটা খুঁজে টেবিলে।গতরাতের ফুলগুলি ঝরে পড়েছে
ফুলদানিতে ফুলবিহীন রজনীগন্ধার ডাল
নভেম্বর শেষ প্রায়
সামনে আর একটি ডিসেম্বর
কত কঙ্কাবতী হারিয়েছে বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে।
নরকের অপর একটি নাম পাকিস্থান।
২৮/১১/২০১৭
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




