আশুলিয়া
টিভির দিকে তাকাতে পারছিলাম না। পোড়া লাশগুলো এক অদ্ভুত যন্ত্রনা দিচ্ছিলো মাথার ভেতরে। স্বজনহারা মা-বাবা ভাইবোনদের আহাজারি চোখ ভেজাচ্ছিলো বারবার। দুঃখ হচ্ছে গার্মেন্টসটির মালিক পক্ষের জন্য। আহারে বেচারাদের এবারের শপিংটা বোধহয় সিঙ্গাপুরে হচ্ছে না। কোটি টাকার মার্সিডিজটা মনে হয় এবারে কেনা সম্ভব না। সমস্যা নেই, ইনস্যুরেন্সের টাকাটা আসুক, তখন না হয় দেখা যাবে।
বহদ্দারহাট
মানুষের নির্লজ্জতার সীমা ছাড়ালে ও এই ঘটনায় চুপ করে থাকা সম্ভব না। বিশেষ করে সিডিএর চেয়ারম্যানের মত পদে থেকে যেখানে কিনা এর দায়ভার সম্পূর্ন ভাবে তার উপর বর্তায়। ভাসা ভাসা ভাবে শুনছি বেজন্মাটা নাকি পালিয়ে গেছে। আওয়ামি লিগ আর বিএনপির পার্থক্যটা মনে হয় এই জায়গায়, বিএনপিতে খাদক একজন আর লিগে খাদক সবাই। এই সবার উদরপুর্তির জন্যেই এই উড়ালসড়কটির কাজ লীগের নেতারা নিজেদের মতো করে ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছিলো। জানোয়ারগুলা কি এতজন মানুষ হত্যার দায়ও ভাগ বাটোয়ারা করে নিবে???
হারামজাদাদের লোভ আর কত বলি নেবে সাধারন জনগনের??? হায়েনাগুলির রক্তপিপাসা কবে মিটবে???

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



