somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শান্তির ধর্ম ইসলাম, ২য় পর্ব

২৯ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শান্তির ধর্ম ইসলাম, পর্ব-১ এখানে
মোহাম্মদের কাছে সূরা আসে দুই জায়গাতে। প্রথমত: যখন তিনি মক্কায় ছিলেন তখন যেসব সুরা নাজিল হয় তাদেরকে মাক্কি সুরা বলে। এর পর মদিনাতে হিজরত করার পর সেখানে যে সুরা আসে সেগুলোকে বলে মাদানী সুরা। মুসলমান ভাইরা যদি মনোযোগ সহকারে কোরান পড়েন তাহলে দেখতে পাবেন যে শান্তি বা সহাবস্থানের সামান্য কথাবার্তা যা কোরানে বলা হয়েছে তার সব মাক্কি সুরাতে। হত্যা কর, আক্রমন কর, যুদ্ধ কর এসব কথা বার্তা মাক্কি সুরা গুলোতে ভুলেও উচ্চারন করা হয় নি।অমুসলিমদের প্রতি ঘৃণা, হত্যা, যুদ্ধ, লুঠ তরাজ ইত্যাদি কথাবার্তা সব মাদানী সুরাতে। তার কারনও সুষ্পষ্ট। ৪০ বছর বয়েসে মোহাম্মদ নিজেকে আল্লাহর নবী বলে দাবী করেন। তিনি দাবী করেন তার কাছে আল্লাহ জিব্রাইলের মাধ্যমে বার্তা পাঠাচ্ছেন।তিনি তার এ দাবী যখন কোরাইশদের কাছে প্রকাশ করেন তখন তাকে সবাই পাগল বা উন্মাদ বলে সাব্যাস্ত করে। কোরাইশ সর্দাররা তাকে এসব পাগলামী কথা বার্তা বলতে নিষেধ করে দেন। মোহাম্মদ তাদের কথায় কর্নপাত না করে তার কাজ চালিয়ে যান। এর ফলে কোরাইশ সর্দার সহ সব কোরাইশরা তার শত্রুতে পরিনত হয়, ও তারা মোহাম্মদকে হুশিয়ার করে দেয় বেশী বাড়াবাড়ি করলে তাকে মেরে ফেলাও হতে পারে। যাহোক, মক্কাতে মোহাম্মদের অবস্থা ছিল খুব সংগীন, অনেক চেষ্টা করেও সামান্য কয়জন হত দরিদ্র মানুষ আর দাস দাসী ছাড়া কেউ তার কাছে ইসলাম গ্রহন করে নি। যারা সেমসয় মোহাম্মদের কাছে ইসলাম গ্রহন করেছিল তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মানুষরা হলো - তার প্রথম বিবি ও আশ্রয়দাতা খাদিজা ও আবু বক্কর।অন্যদিকে নিজেকে নবী দাবী করায় মক্কায় বসবাসরত ইহুদী ও খৃষ্টানদেরও ধর্র্মীয় অনুভুতিতে তিনি আঘাত করা শুরু করেছিলেন, ফলে তারাও তার শত্রুতে পরিনত হয়ে পড়েছিল। সুতরাং চারিদিকে শত্রু পরিবেষ্টিত অবস্থায় তার পক্ষে শান্তির বানী ছড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না। যা যে কোন গোষ্ঠিপতি করে থাকে। দুর্বল অবস্থায় কোন গোষ্ঠিপতি বা রাজা বিরোধী দের ব্যপারে হুংকার ছাড়ে না।তাই তার কন্ঠে কোরানের বানীর নামে ঝড়ে পড়ে -

দ্বীনের ব্যপারে জবর দস্তি বা বাধ্যবাধকতা নাই। মক্কায় অবতীর্ন, ০২: ২৫৬

তাই তার কন্ঠে ইহুদী ও খৃষ্টানদের প্রতি মহা শান্তির বানী ঝরে পড়ে-

তোমরা কিতাবধারীদের ( ইহুদি ও খৃষ্টান ) সাথে তর্ক বিতর্ক করবে না, কিন্তু উত্তম পন্থায়, তবে তাদের সাথে নয় যারা তোমাদের মধ্যে বে ইনসাফ। এবং বল আমাদের প্রতি ও তাদের প্রতি যা নাজিল করা হয়েছে, তাতে আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই এবং আমরা তারই আজ্ঞাবহ। মক্কায় অবতীর্ন, ২৯: ৪৬

উপরের আয়াতে যে খালি শান্তির বানী ঝরে পড়ছে তাই নয়, বরং মুলত: ইসলামের সাথে ইহুদি ও খৃষ্টানদের ধর্মের মধ্যে যে আসলেই তেমন কোন তফাত নেই সেটাই খুব পরিস্কার ভাবে এখানে ফুটে উঠেছে। সোজা কথায় খৃষ্টান ও ইহুদিদেরকে তোয়াজ করা হচ্ছে। একারনে তোয়াজ করা হচ্ছে যেন ইহুদি খৃষ্টানরা অন্তত: মোহাম্মদের বিরোধিতা না করে। এটা ছিল একটা সূক্ষ্ম কৌশল।

আর বলা বাহুল্য দুটি আয়াতই কিন্তু মাক্কি মানে মক্কাতে নাজিল হয়েছে।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেক বন্ধুবান্ধবদের সাথে আলাপ করেছি, কথাচ্চলে বেশ কিছু মোল্লা মৌলভীদের সাথে আলাপ করেছি, দেখেছি তারা প্রত্যেকেই ইসলাম যে মহা শান্তির ধর্ম তা প্রমান করতে উক্ত দুটি সুরা তোতা পাখির মত আউড়ে যায়। আর যারা কোরান তাফসির ও শানে নুযুল সহ পড়েনি, মোহাম্মদের জীবনের ইতিহাস জানে না, নবীর মক্কার জীবন ও মদিনার জীবনের পার্থক্য সম্পর্কে জানে না- তারা যদি এ আয়াত দুটো দেখে বা শোনে তারা কিন্তু সত্যি সত্যি বিশ্বাস করে বসে থাকবে যে ইসলাম সত্যি সত্যি বোধ হয় শান্তি ও মৈত্রীর ধর্ম। ইসলামের মত শান্তির ধর্ম দুনিয়ায় আর নেই।

কিন্তু মোহাম্মদ যেই মদিনায় গিয়ে শক্তিশালী গোষ্ঠী নেতা হয়ে গেলেন, যখন তার বেশ বড়সড় একটা লুটেরা বাহিনী গঠিত হয়ে গেছে আর তিনি আশে পাশের ছোট ছোট গোস্ঠীর ওপর আক্রমন চালিয়ে তাদের সম্পদ আর নারীদের লুটপাট করে ভোগ দখল করছেন আর তার লুটরা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে কিয়দংশ বন্টন করে দিয়ে তাদেরকে নিজের দলে রাখতে সক্ষম হয়ে পড়লেন তখন আল্লাহর বানীর পকৃতি পরিবর্তন হয়ে গেল। শান্তির বানীর পরিবর্তে সেখানে শুরু হলো- যুদ্ধ - বিগ্রহ, হত্যা, খুন, লুট তরাজ, উচ্ছেদ, ঘৃনা প্রকাশ ইত্যাদির বানী । মদিনাতে এসব সুরা নাজিল হয় বলে এদেরকে মাদানী সুরা বলা হয়। যেমন-

যুদ্ধ তোমাদের ওপর ফরজ করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দ। পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়ত কোন একটা বিষয় পছন্দনীয় নয় অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যানকর। আর হয়ত বা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় কিন্তু তা তোমাদের জন্য অকল্যানকর। বস্তুত: আল্লাহই জানন, তোমরা জানো না।মদীনায় অবতীর্ন, ২: ২১৬

উক্ত আয়াত পড়ে বোঝা যায়, প্রথমদিকে মোহাম্মদ মদিনাবাসীকে যুদ্ধের জন্য উস্কানী দিত, লোকজন তা পছন্দ করত না। কারন অহেতুক যুদ্ধ তো কেউ পছন্দ করে না তা সে যতই অসভ্য আর বর্বর হোক না কেন। তারাও তো একটা নিয়মের অধীনে বাস করে। তাছাড়া মাদিনাবাসীরা মক্কাবাসীদের তুলনায় একটু নরম প্রকৃতির মানষ ছিল, মক্কার জলবায়ূ অতি রুক্ষ্ম প্রকৃতির হওয়ায় সেখানকার লোকজন ছিল খুবই রুক্ষ্ম ও কঠোর প্রকৃতির। পক্ষান্তরে মদিনার জলবায়ু একটু নরম ভাবাপন্ন হওযার সেখানকার লোকজনও ছিল একটু নরম প্রকৃতির আর তাই মোহাম্মদের অহেতুক যুদ্ধের প্রতি তাদের প্রথমদিকে তেমন সায় ছিল না। কিন্তু মোহাম্মদের দরকার একটা লুটেরা বাহিনী, সেকারনে আল্লাহর সূরা পাঠাতেও দেরী হয় না যা উপরে বর্ননা করা হলো। আর এ যুদ্ধের কল্যানকর বিষয়টা কি ? কল্যানকর বিষয় জানতে আল্লাহর সাহায্য দরকার নেই। যুদ্ধে জিতলে বিজিতদের যাবতীয় সম্পদ কুক্ষিগত করা যায়, কিছু মানুষকে জীবিত বন্দী করে তাদেরকে দাস হিসাবে ব্যবহার বা বিক্রি করা যায়, আর খুব আকর্ষনীয় উপহার হিসাবে পাওয়া যায় তর তাজা কিছু যুবতী নারী যাদের সাথে অবাধে য়ৌনফুর্তি করা যায়। সোজা হিসাব। তবে যুদ্ধের জয় পরাজয়ের নিষ্পত্তি যাই হোক, সবাই যে বেচে ফিরে আসবে তার নিশ্চয়তা তো নেই। যারা বেচে থাকবে তারা তো উপরোক্ত সুবিধাদি পাবেই, কিন্তু যারা মারা যাবে , তাদের জন্য কি ব্যবস্থা ?ব্যাস তাদের জন্য আল্লাহ ব্যবস্থা পত্র দিতে বিন্দুমাত্র দেরী করেন না। তারা সরাসরি বেহেস্তে চলে যাবে কেয়ামতের মাঠে বিচার আচার ছাড়াই, আর সেখানে যেয়ে পাবে অসংখ্য তরতাজা হুর, মদ এসব।আধা সভ্য অশিক্ষিত বর্বর আরবদেরকে প্রলুব্ধ করতে আর কিছু দরকার আছে ? ব্যস, বহু সংখ্যক লোক অতি সত্তর মোহাম্মদের লুটেরা বাহিনীতে ভিড়ে গেল। আর তারা শুরু করে দিল মদিনার পাশ দিয়ে সিরিয়ার দিকে যাওয়া বানিজ্য পথে বানিজ্য দলের ওপর আতর্কিত আক্রমন করে তাদের মাল জিনিস লুটপাট, মদিনার আশে পাশের ছোট ছোট গোষ্ঠির ওপর আতর্কিত আক্রমন ও তাদের ধন সম্পদ লুন্ঠন।

হে আসমানী কিতাবের অধিকারী বৃন্দ, যা আমি অবতীর্ন করেছি তার ওপর বিশ্বাস স্থাপন কর যা সে গ্রন্থের সত্যায়ন করে আর যা তোমাদের কাছে আগে থেকেই রয়েছে।(বিশ্বাস স্থাপন কর) এমন হওয়ার আগেই যে আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে অত:পর সেগুলিকে ঘুরিয়ে দেব পশ্চাতদিকে কিংবা অভিসম্পাত করব তাদের প্রতি যেমন করে অভিসম্পাত করেছি আছসাবে সাবতের ওপর। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হয়। মদীনায় অবতীর্ন, ৪: ৪৭

এ আয়াতে দেখা যাচ্ছে, ইহুদি ও খৃস্টানদের প্রতি হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে - মানে তাদেরকে হত্যা করা হবে যদি তারা মোহাম্মদের কথা না শোনে বা তার কাছে আত্মসমর্পন না করে। এখন মোহাম্মদের মূখ থেকে আর -দ্বীনের ব্যপারে জবর দস্তি বা বাধ্যবাধকতা নাই। (মক্কায় অবতীর্ন) ০২: ২৫৬ এ শান্তির বানী বেরোয় না। অথবা ২৯:৪৬ আয়াতের মত মৈত্রীর কথা নেই মোহাম্মদের মুখে। কারন মদিনায় মোহাম্মদ তখন আর মক্বার মোহাম্মদ নেই। মক্কায় মোহাম্মদ ছিলেন দীন হীন এক দুর্বল মানুষ, কিন্তু মদিনার মোহাম্মদ একজন শক্তিশালী গোষ্ঠি নেতা যার কথায় এক বিরাট লুটরা বাহিনী যে কোন সময় যে কোন গোষ্ঠির ওপর ঝাপিয়ে পড়তে উদ্যত। আর তাই রাতারাতি তার মুখ তথা আল্লাহর বানী থেকে শান্তির বানী উধাও হয়ে গেছে।
ইহা একটি কপি পেস্ট প্রজোযনা। মূল: মুক্তমনা। লেখক: ভবঘুরে। ঈসৎ সংক্ষেপিত।

শান্তির ধর্ম ইসলাম নিয়ে একটি ভিডিও
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯
১৪টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×