রাবিতে পরীক্ষা দিল বিতর্কিত শিবির নেতা সালেহী
৩০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
অনেক বিতর্কের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ লগ্ধঘন করে অবশেষে ভহৃতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের 2004 সালের মাসদ্বার্স পরীক্ষায় অংশ নিল শিবির নেতা মাহবুবুল আলম সালেহী। প্রয়োজনীয়সংখ্যক হাজিরা না থাকার পরও অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার আসামি শিবির সভাপতি সালেহী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। ভহৃতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ সহৃত্র জানায়, গত 12 আগসদ্ব বিভাগের 2004 সালের মাসদ্বার্স পরীক্ষা শুরু হয়। সালেহীর পরীক্ষা ছিল গত সোমবার। কিন্তু ওইদিন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ক্যাল্ফঙ্াসে ধর্মঘট পালিত হওয়ায় মঙ্গলবার এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল সোয়া 9টায় সালেহী শিবির সেত্রেক্রটারি নহৃর মোহাল্ফ্মদ ম লসহ 8-10 জন শিবির ক্যাডার নিয়ে 4টি মোটরসাইকেলে দ্বিতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনে আসে। নহৃর মোহাল্ফ্মদ ম ল ও আরো দু'জন শিবির নেতা সালেহীকে ভবনের 412 নং কক্ষে পেঁৗছে দিয়ে চলে যায়। সকাল সাড়ে 9টায় শুরু হয় পরীক্ষা। মঙ্গলবার ছিল জিএমটি-507 নং কোর্সের পরীক্ষা। দুপুর 1টা 10 মিনিটের দিকে শিবির ক্যাডাররা আবারো 4টি মোটরসাইকেলসহ দ্বিতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনে আসে। সেখানে তারা সালেহীর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। দুপুর দেড়টার দিকে সালেহী পরীক্ষা শেষে নিচে নেমে আসে। এ সময় সে নহৃর মোহাল্ফ্মদের মোটরসাইকেলে চড়ে খুব দ্রুত বিজ্ঞান ভবনের সামনে থেকে বিনোদপুরের দিকে চলে যায়। ভহৃতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের আহমেদ হত্যাকা ের সঙ্গে সালেহীর জড়িত থাকার অভিযোগ ওার পর গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সে পলাতক ছিল। 23 মে সালেহীর পক্ষ থেকে শিবির নেতারা বিভাগে তার মাসদ্বার্স পরীক্ষার ফরম জমা দেয়। সালেহী নিজ হাতে ফরম পহৃরণ না করায় প্রাথমিকভাবে বিভাগ তা বাতিল করলে শিবির নেতারা 15 জুন নতুন করে ফরম তুলে সালেহীর নিজ হাতে পহৃরণ করিয়ে 22 জুন তা বিভাগে জমা দেয়। এরপর পরীক্ষা নিয়ন্পণ দফতর সালেহীর ক্লাসে হাজিরার ফাঁকা ঘর পহৃরণের জন্য বললে বিভাগ মাত্র একটি ক্লাস করলেও তাকে 16 শতাংশ হাজিরার স্ট্বীকৃতি দেয়। এরপর চহৃড়ানস্ন হয় সালেহীর পরীক্ষার অনুমতি। 3 আগসদ্ব তার মাসদ্বার্স পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইসু্য করা হয়। গোপনে 4 জুলাই ক্যাল্ফঙ্াসে আসে সালেহী। 12 আগসদ্ব প্রকাশ্যে ক্যাল্ফঙ্াসে প্রবেশ করে সমাবেশে অংশ নেয়। ::সমকাল:::
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন
আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।
বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।
যাক না এমন...
...বাকিটুকু পড়ুন