অমিতাভ বচ্চনের সেই 'আন্ধাকানুন' সিনেমাটার কথা মনে আছে। কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেবল সাপ নয়, সাপের বাচ্চা, সাপের ডিম, সাপের ডিম পাড়ার তাওয়া সব বেরিয়ে পড়লো। দারোগা, পুলিশ, এসপি, আইজি, সেক্রেটারি, মন্ত্রী, পাতিমন্ত্রী, উকিল-ব্যারিস্টার, খোদ বিচারপতি এবং অবশেষে খোদ দণ্ডমুণ্ডের কর্তা সকলেই বিপক্ষে। অর্থাৎ ওদের পক্ষে। অর্থাৎ শোষণ লুণ্ঠনকারীদের পক্ষে। সকলেই তাদের সর্বশেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে যেন গত পাঁচ বছরের দুশাসন আবার চালু করা যায়। ছিবড়ে টিবড়ে যেটুকু খেতে বাকি আছে সেটুকু সদলবলে খাওয়ার খায়েশ এখনো শেষ হয়নি! তো সবকিছু যখন দুবর্ৃত্তের পক্ষে তখন 14 দলের পক্ষে কে? কেবলমাত্র এবং একমাত্র সাধারণ মানুষ। তাদের শক্তি কোথায় যে 14 দলকে বাঁচায়? নিজে বাঁচে? তারা তো মরে মরে শ্মশান হয়ে আছে। আর কতো মরবে? হঁ্যা, তার পরও ওরা মরতে ভয় পায় না। আর এটাই 14 দলের এখন একমাত্র সম্বল। আজিজ-হাসানকে সরাতে 70 জন মানুষকে মরতে হয়েছে। এবার হয়তো প্রায় ঈশ্বরের সমান ক্ষমতাবান মানুষটিকে সরানোর জন্য সত্তর দুগুণে একশ চলি্লশ জনকে মরতে হবে। 14 দলের সামনে এখন একটাই পথ খোলা_ মৃতু্যর পরোয়ানা মাথায় নিয়েই সর্বশেষ দুর্গে কামান দাগতে হবে। 'হেডকোয়ার্টারে' কামান দাগা ছাড়া অন্য যেকোনো পথে গেলেই 14 দলের 'অপমৃতু্য' ঘটবে। 14 দলের পক্ষের সাধারণ মানুষদের পিঁপড়ের মতো টেপামৃতু্য ঘটবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



