somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাতঘড়ির ইতিকথা

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথম হাতঘড়িটি ছিল অনেকটা ব্রেসলেট আদলের। 200 বছর আগে সুইজারল্যান্ডের এক ঘড়িওয়ালা দামি মণিমুক্তা বসানো একটি ব্রেসলেটে প্রথম ঘড়ি বসিয়ে দেন হাতে পরার জন্য।

হাতঘড়ির প্রচলন এখন বিশ্বজুড়ে। বিশ্বের কোটি কোটি লোক এটি ব্যবহার করেন। দৈনন্দিন জীবনের অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রিত হয় হাতঘড়ি দিয়ে। এই অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রটি এক সময় ছিল নিতান- তাচ্ছিল্যের বস'। সময়ের প্রয়োজনে এটি এখন সবার হাতে হাতে। বিশ্বের অনেক দেশেই মেয়েরা হাতে চুরি, রুলি বা বালা পরে। ইউরোপ-আমেরিকার মেয়েদের হাতের এসব গহনাকে বলা হয় ব্রেসলেট। প্রথম হাতঘড়িটি ছিল অনেকটা ব্রেসলেট আদলের। 200 বছর আগে সুইজারল্যান্ডের এক ঘড়িওয়ালা দামি মণিমুক্তা বসানো একটি ব্রেসলেটে প্রথম ঘড়ি বসিয়ে দেন হাতে পরার জন্য। সে থেকে মেয়েদের হাতে আসে ঘড়ি। তবে দাম বেশি হওয়ায় ধনাঢ্য ঘরের মেয়েরাই তখন হাতঘড়ি পরত। এর 100 বছর পর জার্মানিতে পুরুষের জন্য প্রথম হাতঘড়ি তৈরি হয়। বড় বড় যুদ্ধজাহাজে যারা কামান দাগাতো তারাই এ ঘড়ি পরত। দোকানে হাতঘড়ি চলত না। কেউ না কেনায় দোকানদাররা পর্যন- এ ঘড়ি দোকানে রাখতে চাইত না। ফলে হাতঘড়ির ব্যবসা প্রায় উঠে যায়। সুইজারল্যান্ডের পর 1908 সালে হঠাৎ করে ফ্রান্সে মেয়েরা হাতঘড়ি পরতে শুরু করে। হাতঘড়ি পরা মেয়েদের জন্য তখন ফ্যাশনে পরিণত হয়। তবে পুরুষরা একে তাচ্ছিল্যের চোখে দেখত। ভাবত এটা মেয়েদের গহনা। পুরুষরা এটা পরবে কেন।
1914 সালে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধের ময়দানে পকেট থেকে বারবার ঘড়ি বের করে সময় দেখা সৈন্যদের জন্য ছিল বিরক্তিকর ও দারুণ ঝামেলার। এর চেয়ে বরং হাতের ঘড়িতে সময় দেখা ছিল খুব সহজ। তাই সৈন্যরা হাতঘড়ি পরতে শুরু করে। তাদের দেখাদেখি অন্যেরাও এটি পরতে শুরু করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় 1918 সালে। যুদ্ধ শেষ হলেও সৈন্যদের হাতঘড়ি পড়ার অভ্যাস শেষ হয়নি। সেই অভ্যাসের ব্যাপ্তি দিন দিন বাড়তেই থাকে। এখন বিশ্বজুড়ে এর প্রচলন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -২

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

ছবিব্লগ প্রকাশের পর আপনাদের ভাল লাগায় আরেকটি ছবি ব্লগ এবার।
সময়ঃ রাত ৮টা
স্থানঃ টরোন্টর আকাশ
তাপমাত্রাঃ ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্তঃ টরণ্টোর আকাশে আজকের সন্ধ্যায় সূর্যের শেষ উঁকি

... ...বাকিটুকু পড়ুন

আছছে পিনু ভাই

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০২


ঘরের ছোল নাকি ঘরত আছছে
পুটি, বওল, টেংরা মাছ কুটিরে?
পাতিলত ভরে পুরপুরি ছালুনের
বাসনা যেনো আকাশত উরে-
কি সখ ছোলপল নিয়ে হামি এনা
যমুনাত যামু গাওধুমি, সাতরামু;
কে বারে শুন শুন হামাগিরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নৈতিকতা, দ্বিচারিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কি আছে?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২০



নৈতিকতা, দ্বিচারিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কি আছে?

এখানে ছবি আছে ক্লি করে দেখতে হবে, যেহেতু আমাকে ছবি আপলোডে ব্লক করেছে এডমিন।

দেশের রাজনীতিতে একটি পুরোনো প্রবণতা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠছে- জনগণের বাস্তব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৮৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩



আপনারা কেমন আছেন?
আমি কেমন আছি, বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে কোনো অলৌকিক কিছু যেন জেনে ফেলেছি। না জানলেই বুঝি ভালো হতো। দুনিয়াতে যে যত কম জানে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহর সাথে আমার দিদার কেমন ছিল?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১২



আমি বিশ্বাসী মানুষ। আমার আল্লাহর দিদারে বিশ্বাস আছে। আল্লাহর সাথে আমার দিদার হয়েছে চার বার। প্রথমবার আমি স্বপ্নে দেখলাম হাসরের মাঠ। পূর্বে জাহান্নামের গভীর খাদ। খাদের উত্তর পাড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×