
কর্নেল নিজামউদ্দিন, বয়স ১১৫, নিবাস উত্তর প্রদেশের আজমগড়। ১৯৩৭ সালে নেতাজী নিজে তাকে নিজের দেহরক্ষী নিযুক্ত করেন। তারপর থেকে নিজামউদ্দিন ছিলেন নেতাজীর সর্বক্ষণের ছায়াসঙ্গী। দেহরক্ষী হিসাবে তিনি নেতাজীর সঙ্গে বার্লিন, হিরোশিমা, নাগাসাকি, টোকিও, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, বার্মা প্রভৃতি স্থান ভ্রমণ করেন। ১১৫ বছর বয়সে দাঁড়িয়েও পরিষ্কার স্মৃতিচারণ করতে পারেন নেতাজীর এই বিশ্বস্ত সৈনিক। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় নেতাজীপরিবারের সাথে দেখা করতে আসেন, কিন্তু নেতাজীর বাড়ির কাছাকাছি আসতেই সাদা পোষাকে থাকা রাজ্য পুলিশের কিছু গোয়েন্দা তার পথ আটকায়। প্রায় এক ঘন্টা নিজামউদ্দিনকে নেতাজীর ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি নিজেকে একজন ভিখারির পরিচয় দেন এবং জানান, তিনি নেতাজী এবং INA এর ব্যাপারে কিছুই জানেন না। তারা তাকে দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।
(সম্প্রতি প্রখ্যাত নেতাজী গবেষক ও সাংবাদিক শ্রী অনুজ ধরের করা একটি RTI থেকে জানা যায় ১৯৪৫ থেকে ১৯৬৫ পর্যন্ত নেহরুর নির্দেশে নেতাজীর পরিবারের উপর নজরদারি চালানো হয়)
গত লোকসভা নির্বাচনে বারানসীতে প্রচারকালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন । প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যুর কথা উঠলে তিনি দৃঢ় ভাবে বলেন, ওসব বানানো মিথ্যে কথা।......
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



