ভালোবাসা দেখানোর প্রয়োজন হয় না, ভালোবাসা এমনিতেই প্রকাশ পায়। বন্ধু বান্ধবরা যতই বলুক ‘তুই এ্যাফেয়ার করিস না ক্যান?’ তাদের কথায় কান দিতে নেই। তাড়াহুড়োর তো কিছু নাই! চাইলেই কাউকে ভালোবাসা যায় না আবার জোর করেও কাউকে ভালোবাসা যায় না। এজন্য মনের ভেতর থেকে অনুভূতি তৈরি হওয়া প্রয়োজন।
যখন একটা ছেলে একটা মেয়েকে ভালোবাসে, তখন তারা একে অপরের ব্যাপারে care করে, ভাবে। একজন আরেকজনের ব্যাপারে ছোটখাট বিষয় নিয়েও মাথা ঘামায়। একজন আরেকজনের ক্ষতি দেখতে পারে না বরং সবসময় তার ভাল চিন্তা করে। একজন আরেকজনকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে। একে অপরকে সবসময় দেখতে ইচ্ছে করে, একসাথে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত মনের ভিতর আগলে রাখতে ইচ্ছে করে। একজন আরেকজনকে দেখলে বুকের ভেতরে একটা শান্তির অনুভূতি সৃষ্টি হয়। একজন আরেকজনের দিকে তাকালে মনে হয় যেন, ‘দেখতেই থাকি!’ ভালোবাসার অন্যতম আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে Sacrifice (ত্যাগ স্বীকার করা)। ভালোবাসার মানুষটির জন্য অনেক সুবিধা ছেড়ে দেয়া বরং অনেকটা আনন্দের বিষয় হয়ে থাকে। ভালোবাসা মানে জাস্ট আপন করে পাওয়া – একে অপরের প্রতি অধিকার সৃষ্টি।
ভালো যদি কাউকেই বেসেই ফেলা হয়, তবে তার সাথে সম্পর্কে জড়াতে হবে- তা ঠিক নয়। কাজেই বন্ধুত্বের মধ্যেও ভালোবাসা সম্ভব। ভালোবাসা মানেই প্রেম নয়। প্রেম তো শুধু একটা সম্পর্কের নাম!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ১০:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




