রাজ'উক কলেজের ছাত্রীর বোরখা পড়া নিয়ে হৈ চৈ তো কম হোলনা । আমরা একে একে সবাই ঐ কলেজের অধ্যক্ষের জাতকে ইচ্ছা মত উদ্ধার করলাম , কিন্তু আমি একটু অন্য রকম গল্প শুনলাম বলেই এই লিখাটা , , , , ,
ঘটনার দিন প্রিন্সিপাল স্যার বোরখা পড়ে এমন ছাত্রীদেরকে তাদের অভিভাবক সহ ডেকে পাঠান কলেজে , ঐ কলেজের সিস্টেম ছিল যে সকল মেয়েরা বোরখা পড়ে কলেজে আসত , তাদেরকে কলেজ গেইটে বোরখা খুলে কলেজে ঢুকতে হোত । কিন্তু বর্তমান অধ্যক্ষ সেই দিন সকালে হাটু পর্যন্ত বোরখা পড়তে বললেন এবং গেইটে বোরখা খুলে আসার নিয়ম শিথিল করলেন , বললেন - সবাই বোরখা পড়েই ক্লাস কোরুক তবে হাটু পর্যন্ত হলে সকলের ড্রেসের সাথেই মানান স'ই হবে ।
এই সময় 'সুমাইয়া ইসলাম' 'ভিকটিম' এর বড় বোন যিনি ঢ,বি তে আইন বিষয়ে পড়েন , তিনি চিৎকার করে বললেন , আমরা আপনার নিয়ম মানিনা , আমরা আল্লাহর নিয়ম মানি । উপস্থিত সকল অভিভাবক অধ্যক্ষের কথা মানলেও তিনি এর তীব্র বিরোধীতা করলেন এবং বললেন তিনি তার বোনকে আর এই কলেজে পড়াবেননা ,এবং টি,সি নিয়ে নিবেন , বলেই তিনি বের হয়ে চলে যান , আর আকাশ থেকেই যেন ''আমার দেশ '' আর ''যুগান্তর'' পত্রিকার সাংবাদিকরা হাজির হলেন কলেজ গেইট এর সামনে , আলোচিত ছবিটি তুললেন ও রিপোর্ট করলেন এই ঘটনার । আধ্যক্ষ সম্পর্কে কিছু কথা বলা প্রয়োজন , তিনি হাজী , তিনি কলেজ মসজিদেই নামাজ আদায় করেন , এবং তাঁর পরিবারের সকলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং তিনি আদমজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজে চাকুরী করা অবস্থায় ২ তলা এসি মসজিদ বানিয়ে দিয়ে আসেন , নাস্তিকতার প্রশ্ন তাই আসে না
এর পরের কাহিনী আমরা সবাই জানি , পত্রিকা , ফেইসবুক , ব্লগে ঝড় , কিন্তু প্রকৃত ধটনা কেউ জানলাম না ।
পরে শুক্রবার সুমাইয়ার বাবা এসে ক্ষমা চেয়ে যান ও বলেন আমার বড় মেয়ে বেশী করে ফেলছেন , আর সবাই আপনাকে (আধ্যক্ষ) কাফির বলাটা ঠিক হয় নি , কারন ইসলামে না জেনে কাউকে কাফের বললেই সে নিজেই সেটা হয়ে জায় ।
ফেইসবুকে পড়া একটা নোট থেকে সংক্ষেপে লিখলাম , তবে আমার কিছু ব্যাক্তিগত কথাও বলতে ইচ্ছা করছে , ঢা,বি , চ,বি , রা,বি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন , সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ুয়া কিছু স্টুডেন্ট তাদের পাওয়ার খাটানোর চেষ্টা করে ।
আমার নিজের আত্বীয় চ,বি হলে থাকতে যেয়ে এই রকম এক আপুর রোষানলে পরে যায় ,সেই আপু সাংবাদিকের ভয় দেখান সেই মেয়ের পক্ষে যাওয়ার জন্য প্রোভোষ্টকে , এবং শেষ পর্যন্ত সাংবাদিককে দিয়ে ফোন করিয়ে হুমকি দেন মেয়েদের হলে প্রোভোষ্টের মিথ্যা ন্যাকামী পত্রিকায় ছাপাবেন বলে , অথচ ঐ আপু অবৈধ ভাবে সিট দখল করে আছেন , এবং ঐ সিটে তিনি তার পরিচিত এক জুনিয়রকেই ট্রান্সফার করতে চেয়েছিলেন ।
যাই হোক , পাওয়ার থাকলেই তার আপব্যভার না করাই উচিৎ বলে মনে করি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


