somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লকডাউন কালে এইসব সুকাজের কী নাম দেওন যায়?

০৯ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নেক কাজ আছে খুবই সহজ কিন্তু কঠিন আমরাই করি। শিবগঞ্জের হাট সন্ধ্যায় জমে। কওন যায়, সূর্য মামার অস্ত যাওনের সাথে সাথেই উদিত হয় আমাগো বাজারের সূর্য। আবার অনেক জাওয়ান-বুড়া সকালের নাস্তার লাই ভোর বেলাতেই বাজারে হানা দেয়৷এই ভোরবেলার বাজারও কম জমে না। মানুষ সকাল বেলা বাজারে সদ্য মেরে আনা মাছ কিনতেও আসে। অতি সংক্ষেপে এই পর্যন্ত কইলাম বাজার জৈম্মা উঠনের সময়। এখন দেই মান্দা কালের পরিচয়। দুপুর বেলার শুরুতেই বাজার মান্দা হইয়্যা যায়। দোকানদারেরা কাষ্টমারের বদলা মাছি কেদায়। আমার মত ভালো কাষ্টমারেরা এই টাইমে বাজারে হানা দেয়। ম্যানেজারগো কথা কওনের মানুষ দরকার আর আমাগো দরকার নাম্বার ওয়ানের কড়া দু-এক কাপ দুধ চা। এই হচ্ছে ম্যানেজারগো সাথে লকডাউন পূর্বকালীন আমাদের সম্পর্ক।
এখন লকডাউন নিয়ে কথা কই। আগামীকাল থাইকা আবারো নাকি আমাগো বাজার লকডাউনের খেলায় নামবার যাইতাছে। নরমাল লকডাউন কালে আমাগো বাজার খোলা থাকে সকাল ১০টা থাইকা ৪টা পর্যন্ত। লকটাউনের যখন মেজাজে আগুন হান্দায় তখন সময় গুটিয়ে আনে ৪টা থাইকা ৬টা থক। প্রায় ১২-১৩ টা গ্রামের কমবেশি মানুষ আমাগো হাটে আসে। এই মানুষগুলো যে খুব শিক্ষিত তা না, আবার যে খুব অসচেতন তাও না। পেরায় জন তো দেহন যায় মাস্ক পইরাই আসে। তয় যাগো বুকের পাডা যত বড় সে ততই উদাম হইয়্যা আসে। মাস্ক হালার কথা বাদই দিলাম।
এখন হিসাব করতে বসেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের নামে এইডা কি জন সামাগমস্থল তৈরি করন হচ্ছে না?
বাজারের প্রবেশ পথে যদি দু'জন গ্রাম্য পুলিশ মোতায়েন কইরা দিতো যাদের কাজ থাকতো, এক সাথে বাজারে পাঁচজনের বেশি লোক (প্রবেশ পরবর্তী) অবস্থান করতে পারবে না এবং এর পাশাপাশি যদি তাদেরকে কাজ শেষ করে ফেরার জন্য সময় বেধে দিতো তয় কী খুবই খারাপ হতো?

(আরে হালার আমি তো বেশি পাইক্কা গেছিগা লাগতাছে! বাদ দেন এসব, পারলে জানান আপনি কোন জোনে আছেন ;))




সুন এখন আপনাগোরে নিয়া স্যালুকাস শিখি নয় মানবতা।

সিলেটের ১৯৭৭/৭৮ এর পরবর্তী কালীন আওয়ামীলীগের অবস্থা যারা জানেন বা স্মরণের পুস্তিকারে নাড়া দিলে এইসময় যাদের স্মরণে চলে আসে তারা হয়তোবা (ছবিতে মাইকিংরত) মঞ্জু ভাইকে চিনবার পারেন। আওয়ামীলীগের যেকোন খবর ঢাকঢোল পিটাই যে মানুষটা হক্কলের কানে পৌঁছাই দিতো হেই মানুষটাই আমাদের মঞ্জু ভাই। উনি এখন খুব ভালো আছে। কিন্তু তার শেষ ভালো ছিল না মোটেও। তার হতভাগা স্ত্রী স্বামীকে (আমাদের মঞ্জু ভাইকে) অসুস্থাবস্থায় হাসপাতালের বারান্দায় স্ট্রেচারে করে ঘুরাঘুরি করেন। মৃত্যুর সময়ে এমন করুন অবস্থায় লাউকে পাশে পাননি। এভাবে খুব অযত্নেই অবশেষে মৃত্যুর কাছে পরাজয় স্বীকার করলেন সুস্থ রাজনীতির স্বপ্ন লালনকারী একজন পরিশ্রমী নেতা। তো ভাইবেরাদারগণ, এইডা ছিল সিলেটের আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে উনাকে দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার অন্য ভাষায় প্রতিদানও কথে পারেন।
আহেন, এখন একটু ঘুরে দেখি বড় নেতা কামরান ভাইর হালহকিকত। আমাগো বড় নেতার লাই এয়ার এম্বুল্যান্স আসিয়াছে। বাইঞ্চুত পত্রিকাওয়ালারা এই নেতাগুলানরে সৃষ্টিকারী মঞ্জু ভাইগো দুর্দশার কথা কয় না। ডাক্তার মইনের জন্য কী প্রয়োজন ছিল তা নিয়ে কোন বুদ্ধিজীবী হালায় টুশব্দ করে না। আমি হালায় আবার অল্পতে চেইত্তা যাই। আমি আওয়ামিলীগ তো তাই কারোরে ভয় পাই না।
(আ-তে) উপরে এইডা হইতেয়াছে সহীহ তরিকায় মানবতার পেছনে বাঁশ।

(ছবি= গুগল)
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৪৭
৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্জুর চৌধুরর ছোট গল্প "একাউন্ট্যান্ট"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৪০

একাউন্ট্যান্ট

মঞ্জুর চৌধুরী


রফিকুল ইসলামের জীবনে সবচেয়ে বিলাসী জিনিসটি ছিল একটি কাঠের আলমারি।

আলমারিটা নতুন নয়। মিরপুর এগারোর যে দুই কামরার বাসায় সে আর শায়লা থাকত, তাদের বিয়েরও আগে থেকে বাড়িওয়ালার স্টোররুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট বিদ্যুৎও কি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১৪


শিরোনামটা একটু অদ্ভুত মনে হতে পারে। তবে কিছুদিন ধরে বিদ্যুতের দাম, ভর্তুকি আর লোডশেডিং নিয়ে যেভাবে আলোচনা হচ্ছে, তাতে প্রশ্নটা একেবারে অযৌক্তিক নয়। কারণ সরকার বদলেছে, কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×